+8801712-908561 juicylawinfo@gmail.com

ফৌজদারি কার্যবিধি [ধারা ১০৬-১৭৬]

[বিশেষ জ্ঞাতব্য : এই কনটেন্টটি মূলত ‘আইনের ধারাপাত’ নামক বইটির 68-69 পৃষ্ঠা থেকে নেওয়া হয়েছে। এই সংক্ষিপ্ত আলোচনাটিকে আরো সমৃদ্ধ করা হবে খুব শীঘ্রই।]

কার্যবিধির এই অংশে দুইটি অংশ। প্রথমটি ১০৬-১৫৩ পর্যন্ত। এখানে একটি অপরাধ হবার সম্ভাবনা আছে এমন পরিস্থিতিতে সেটি প্রতিরোধ করা সম্পর্কে করণীয় নিয়ে বলা আছে। কার্যবিধির চতুর্থ ভাগ এটি। এর শিরোনামটাই হলো – ‘অপরাধ দমন’; মানে অপরাধ হবার আগেই সেটিকে নিয়ন্ত্রণে আনা। সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই অংশের তাৎপর্য অনেক ব্যাপকতর। শিরোনামটি মনে রেখে এর ভেতরের উপশিরোনামগুলো ভালো করে লক্ষ্য রাখলে এই অধ্যায়টি সহজেই মনে রাখতে পারবেন। নিজের মতো করে এটির একটি ছক করে নিন। এখানে মূলত জেলা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা আছে, শুধু ১০৬ ধারাটি বাদে। মনে রাখা সহজ। এতো গেলো এই অংশের প্রথম অংশ। দ্বিতীয় অংশটি হলো ১৫৪-১৭৬ ধারা। এটি কার্যবিধির পঞ্চম ভাগ যেখানে ফৌজদারি কার্যবিধির আরেকটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচিত হয়েছে। এর শিরোনাম ‘পুলিশকে সংবাদ প্রদান ও তাদের তদন্ত ক্ষমতা’। শিরোনামেই বিষয়টি স্পষ্ট। ফৌজদারি বিচারব্যবস্থায় পুলিশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের সমস্ত কার্যকলাপের সীমা-পরিসীমা এই ধারাগুলোতে অনেক বিস্তারিত বর্ণনা আছে। এগুলো নিয়ে কোনো প্রাথমিক স্তরের আলোচনা করা নিরর্থক, কেননা, এর সবগুলো ধারাই আপনাকে ঠোটস্থ রাখতে হবে। গুরুত্ব বিবেচনায় ১৫৪-১৭৬ ধারাগুলোর শিরোনাম বা বিষয় উল্লেখ করে একটি ছক দিয়ে রাখলাম বিগত সালগুলোতে প্রশ্নের পরিমাণ উল্লেখ করে।

উপরের চার্টে প্রশ্নের সংখ্যা মনে হবে যে খুব কমই প্রশ্ন আসে এখান থেকে। বিগত ৪টি বার কাউন্সিল পরীক্ষায় মাত্র ৮টি প্রশ্ন এসেছে, মানে গড়ে ২টি করে প্রশ্ন! কিন্তু এখান থেকে অনেক প্রশ্ন দিয়েও দিতে পারে, দণ্ডবিধিতে যেমন একবার এক অধ্যায় থেকেই ২০টি প্রশ্নের ভেতরে ৮টি প্রশ্ন দিয়ে দিয়েছিলো! এটি ভালো করে পড়ার কোনোই বিকল্প নেই। যারা আমাদের মূল বইটি বা ‘চিরুনি অভিযান’ এর পাঠক তারা সম্ভবত এই অধ্যায়টির আলোচনা সহজেই বুঝতে ও মনে রাখতে পেরেছেন। অন্য বইয়ের পাঠকদেরও বলবো নিজের মতো করে উপরের নির্দেশনা অনুযায়ী বিষয়গুলো বোঝার চেষ্টা করবেন। এটা সারাজীবন কাজে লাগার মতো অধ্যায়।