ঘরে বসেই লাইভ ভিডিওতে
প্রতি মাসে মাত্র ৮০০/- টাকায়

MCQ পরীক্ষার প্রস্তুতি!

ভর্তি হতে কল করুন : 01712-908561

Evidence Act Lecture 05 [Sec. 40-55]

সাক্ষ্য আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিস্তৃতি ৫-৫৫ ধারা; যার ভেতরে ‘আদালতের রায় যখন প্রাসঙ্গিক’ এবং ‘চরিত্র যখন প্রাসঙ্গিক’ শিরোনামে ৪০-৫৫ ধারাসমূহ এই লেকচারে আলোচনা করা হয়েছে। এর প্রতিটি ধারাই মনোযোগের সাথে বুঝতে ও মনে রাখতে হবে।

Evidence Act : Lecture 05 [Bangladesh Bar Council MCQ Exam Preparation]

Section 40-55

মূল আলোচনা :

এবারে আলোচনা ধারা ৪০ থেকে ৫৫ যেখানে “আদালতের রায় যখন প্রাসঙ্গিক”, “তৃতীয় পক্ষের অভিমত” এবং “চরিত্র যেইক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক” এই শিরোনাম তিনটি দিয়ে আলোচনা করা আছে। এখান থেকে একবার একটি প্রশ্ন এসেছিলো। আদালতের রায়ের প্রসঙ্গে মূল কথা সম্পর্কে একটা গল্প বলি। তাহলে ভুলে যাবার সম্ভাবনা কম থাকবে।

একবার এক লোক একজনকে হত্যার অভিযোগে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়। সে জেল খেটে বের হবার পর তার চোখে পড়ে যে, সেই হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া ব্যক্তিটি বেচে আছে! তখন সে ক্ষিপ্ত হয়ে সেই ব্যক্তিটিকে সত্যি সত্যি ছুরিকাঘাতে খুন করে ফেলে। এবং সে উচ্চস্বরে বলতে থাকে যে, আমি মিথ্যা অপবাদে এতদিন জেল খেটেছি। এবার তাকে আমি খুন করলাম। এবং আমার আর কোনো বিচার হবে না।

কেন তার বিচার হবে না? জানেন কি? এটা দেওয়ানি কার্যবিধির অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি নীতি। ফৌজদারি কার্যবিধিতেও এ সম্পর্কে আলোকপাত করা আছে। এটা সকলেরই জানার কথা। দেওয়ানি কার্যবিধিতে ১১ ধারায় বলা হয়েছে রেস জুডিকাটার কথা। এর মূল কথা হলো কোনো মামলার বিষয়ে একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষগুলোর ভেতরে আদালতে পুনরায় মামলা করা যাবে না। অন্যদিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারা মোতাবেক একজন ব্যক্তিকে একই অপরাধে দুইবার দণ্ড দেয়া যাবে না। তাহলে, উপরোক্ত গল্পে একই বিচার দুইবার করা যাবে না এবং একই ব্যক্তিকে একই অপরাধে দুইবার শাস্তি দেয়া যাবে না। ফলে মিথ্যা জেল খেটে এসে পরে লোকটিকে খুন করায় উক্ত ব্যক্তির কোনো শাস্তি হবে না।

কিন্তু তার যে কোনো শাস্তি হবে না, এটা কিভাবে নির্ধারণ হবে? এটাও নির্ধারণ হবে মামলার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই। আদালতকে তখন দেখাতে হবে বা আদালতে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে প্রমাণ করতে হবে যে, উক্ত ঘটনার শাস্তি আগেই দেয়া হয়েছিলো, বিচার আগেই হয়েছিলো। ফলে পূর্ববর্তী মামলার রায় এখানে প্রাসঙ্গিক। পূূর্ববর্তী মামলার রায়ও আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে এভাবে ব্যবহার হতে পারে এটাই ৪০ ধারার মূল কথা। এর শিরোনাম ‘দ্বিতীয় মোকদ্দমার বিচার নিষিদ্ধ করিবার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক’ [Judgments of courts of justice when relevant]। পড়ে নেন ধারাটি।

আদালতের রায় যখন প্রাসঙ্গিক

“ধারা ৪০ : দ্বিতীয় মোকদ্দমার বিচার নিষিদ্ধ করিবার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক [Previous judgments relevant to bar a second suit or trial] : যে রায়, ডিক্রি বা আদেশ বহাল থাকিতে কোন আদালত আইনত কোন একটি দেওয়ানী মোকদ্দমা আমলে নিতে পারেন না বা উহার বিচার করিতে পারেন না, সেই রায়, ডিক্রি বা আদেশের অস্তিত্ব যখন প্রাসঙ্গিক ঘটনা তখন প্রশ্নে উঠে যে, উক্ত দেওয়ানী মোকদ্দমা আমলে লওয়া বা উহার বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিৎ কিনা।

এই অংশে আরো নানা আলোচনা আছে এইসব আদালতের রায়-টায় নিয়ে। অনেক বিস্তারিত উদাহরণসমেত আলোচনা আছে মূল ধারাগুলোতেই। সংক্ষিপ্ত প্রস্তুতি নেবার সুবিধার জন্য আপনাদেরকে বাকী সব ধারা পড়তে নিষেধ করবো। ধারাগুলো অবশ্য ধারাবাহিকভাবেই দিয়ে রাখলাম।

“ধারা ৪১ : প্রবেট, এখতিয়ার, ইত্যাদির ক্ষেত্রে কোন রায়ের প্রাসঙ্গিকতা : প্রবেট, এড়মিরালটি, বিবাহ ও দেউলিয়াত্ব বিষয়ক এখতিয়ার প্রয়োগ কালে কোন উপযুক্ত আদালত উহার চূড়ান্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি বলে যখন কোন আইনগত চরিত্র কাহারও উপর আরোপ করে বা কাহাকেও উহা হইতে বঞ্চিত করে, কিংবা কোন লোককে অনুরূপ চরিত্রের অধিকারী কিংবা নির্দিষ্ট কোন কিছুর অধিকারী বলিয়া ঘোষণা করে, সেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোন আইনগত চরিত্র বা অনুরূপ কোন কিছুর উপর কোন লোকের অধিকারের অস্তিত্ব যদি প্রাসঙ্গিক হয়, তবে উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রিও প্রাসঙ্গিক।

উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা চূড়ান্তরূপে প্রমাণিত হয় যে, উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা যে আইনগত চরিত্র আরোপিত হয়, উহা বলবত হইবার সময় তাহা উদ্ভূত হইয়াছিল।

উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন লোককে যে আইনগত চরিত্রের অধিকারী বলিয়া ঘোষণা করা হয় তাহাতে ঐ লোকের অধিকার ঘোষণা করিবার সময় তাহার অনুরূপ অধিকার উদ্ভূত হইয়াছিল।

উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন লোকের যে আইনগত চরিত্র হইতে বঞ্চিত করা হয়, তাহা হইতে ঐ লোককে উহা দ্বারা বঞ্চিত করিবার সময় ঐ লোক উক্ত চরিত্র হারাইয়াছিল।

এবং উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন লোককে যাহা কিছুর অধিকারী বলিয়া ঘোষণা করা হয়, সেই সম্পত্তির সময় হইতে ঐ লোকের সম্পত্তি বলিয়া উহাতে ঘোষণা করা হয়, সেই সময় উক্ত সম্পত্তি তাহারই সম্পত্তি ছিল।

“ধারা ৪২ : ৪১ ধারায় উল্লেখিত রায় ব্যতীত কোন রায়, আদেশ বা ডিক্রির প্রাসঙ্গিকতা এবং পরিণাম : যে সমস্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি ৪১ ধারায় বর্ণিত হইয়াছে তাহা ব্যতিত অন্যান্য রায়, আদেশ বা ডিক্রি যদি সাধারনের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ধরণের বিষয় সম্পর্কিত হয়, তবে তদন্তের ক্ষেত্রে সেইগুলি প্রাসঙ্গিক কিন্তু অনুরূপ রায়, আদেশ বা ডিক্রি উহাতে উল্লেখিত বিষয়ের চূড়ান্ত নহে।

উদাহরণসমূহ:
ক-এর জমিতে অনধিকার প্রবেশ করিবার অভিযোগে খ-এর বিরুদ্ধে ক দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করিল। খ দাবি করিল যে, ঐ জমিতে সাধারণের চলাচলের অধিকার আছে। ক তাহা অস্বীকার করিল।

ঐ জমিতে অনধিকার প্রবেশ করিবার অভিযোগে গ-এর বিরুদ্ধে ক মোকদ্দমা করিয়াছিল। সেই মোকদ্দমায় গ দাবি করিয়াছিল যে, ঐ জমিতে সাধারণের চলাচলের অধিকার আছে। মোকদ্দমার বিবাদীর অনুকূলে যে ডিক্রি হইয়াছিল, তাহা প্রাসঙ্গিক; কিন্তু তাহা অনুরূপ অধিকার থাকা সম্পর্কে চূড়ান্ত প্রমাণ নহে।

“ধারা ৪৩ : ৪০ থেকে ৪২ ধারায় বর্ণিত রায়, ইত্যাদি ব্যতীত অন্যান্য রায়, ইত্যাদি যখন প্রাসঙ্গিক : যে সমস্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি ৪০, ৪১ ও ৪২ ধারায় বর্ণিত হইয়াছে, তাহা ব্যতীত অন্যান্য রায়, আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব যদি বিচার্য না হয়, তবে তাহা অপ্রাসঙ্গিক।

উদাহরণসমূহ
(ক) গ একটি কুৎসা রটনা করিবার ফলে ক ও খ উভয়েরই মানহানি হওয়ায় তাহারা স্বতন্ত্রভাবে গ-এর বিরুদ্ধে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করিল। উভয় মোকদ্দমাতেই গ বলিল যে, মানহানিকর বলিয়া কথিত ব্যাপারটি সত্য। পরিস্থিতি এইরূপ যে, ব্যাপারটি উভয় ক্ষেত্রেই সত্য হইতে পারে, কিংবা কোন ক্ষেত্রেই সত্য নাও হইতে পারে।

গ তাহার আচরণের যৌক্তকতা প্রতিষ্ঠা করিতে পারে নাই, এই অজুহাতে ক গ-এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের ডিক্রি পাইল। ক ও গ-এর মধ্যকার মোকদ্দমায় উহা অপ্রাসঙ্গিক।

(খ) ক-এর স্ত্রী গ-এর সহিত অবৈধ সঙ্গম করিবার অভিযোগে খ-এর বিরুদ্ধে ক ফৌজদারী মোকদ্দমা দায়ের করিল।
গ যে ক-এর স্ত্রী তাহা খ অস্বীকার করিল। কিন্তু অবৈধ সঙ্গমের দায়ে আদালত খ-কে দণ্ড দিল।
পরবর্তীকালে ক-এর জীবদ্দশায় খ-কে বিবাহ করিবার দরূন একই সময় দুই স্বামী গ্রহণ করিবার অপরাধে গ-কে ফৌজদারীতে সোপর্দ করা হইল। ক-এর বিরুদ্ধে আদালতের রায় এইক্ষেত্রে গ-এর বিরুদ্ধে অপ্রাসঙ্গিক।

(গ) ক তাহার গরু চুরি করিবার অভিযোগে খ-কে ফৌজদারীতে সোপর্দ করিল। মোকদ্দমায় খ-এর শাস্তি হইল।

খ-এর শাস্তি হইবার পুর্বে সে গ-এর নিকট যে গরু বিক্রয় করিয়াছিল, সেই গরুর জন্য ক পরবর্তীকালে গ-এর বিরুদ্ধে দেওয়ানী মোকদ্দমা করিল। খ-এর বিরুদ্ধে যে রায় হইয়াছিল, ক ও খ-এর মধ্যকার মোকদ্দমায় তাহা অপ্রাসঙ্গিক।

(ঘ) ক একটি জমির দখলের জন্য খ-এর বিরুদ্ধে একটি ডিক্রি পাইল। ইহার ফলে খ-এর পুত্র গ ক-কে হত্যা করিল।
এইক্ষেত্রে উপরোক্ত রায়ের অস্তিত্ব প্রাসঙ্গিক। কারণ উহা হইতে অপরাধের উদ্দেশ্য প্রতীয়মান হয়।

(ঙ) ক-এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ হইল এবং ইতিপুর্বে সে চুরির দায়ে দণ্ডিত হইয়াছিল বলিয়াও অভিযোগ করা হইল।

এইক্ষেত্রে পুর্ববর্তী দণ্ডাদেশ বিচার্য ঘটনা হিসাবে প্রাসঙ্গিক।

(চ) খ-কে হত্যা করিবার অভিযোগে ক-এর বিচার হইতেছে। খ মানহানির দায়ে ক-কে ফৌজদারীতে সোপর্দ করিয়াছিল এবং ক অপরাধী সাব্যস্ত হইয়া দণ্ডিত হইয়াছিল, ইহা ৮ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক। কারণ, ইহা হইতে বিচার্য ঘটনার উদ্দেশ্য প্রতীয়মান হয়।

“ধারা ৪৪ ; রায় প্রদানের জন্য প্রবঞ্চনার বা ষড়যন্ত্র কিংবা আদালতের অযোগ্যতা প্রমাণ করা যাইতে পারে : কোন দেওয়ানী মোকদ্দমা বা অন্য কোন মোকদ্দমার কোন পক্ষ দেখাইতে পারে যে, ৪০, ৪১ বা ৪২ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক এবং বিরুদ্ধ পক্ষ কর্তৃক প্রমাণিত কোন রায়, আদেশ বা ডিক্রি এমন একটি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত হইয়াছিল যে আদালত উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দিবার যোগ্যতাসম্পন্ন নয়, কিংবা প্রতারণা ও যোগসাজশক্রমে উহা প্রদত্ত হইয়াছিল।


তৃতীয় পক্ষের অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক এই শিরোনামে ৪৫ থেকে ৫১ পর্যন্ত আলোচনা করা আছে। এ নিয়ে সাধারণভাবে জেনে রাখুন যে, কারো হাতের লেখা, বিজ্ঞান সম্পর্কিত বিষয়, চারুকলার বিষয়, টিপসহি বা অন্য যেকোনো বিশেষজ্ঞ যার আলোচনা আদালতে কোনো কিছু প্রমাণ করার জন্য প্রয়োজন, তাকে আদালতে সাক্ষ্য দেবার জন্য হাজির করা যেতে পারে। অনেক সময় তারা মামলার কোনো পক্ষ না হলেও তাদের মতামত জরুরি হয়ে দাড়ায়। যেমন, কোনো জাল দলিল সম্পর্কে কারো স্বাক্ষর সঠিক কিনা সেটা সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে পারে কোনো হস্তলেখক বিশারদ বা উক্ত জাল দলিল প্রণয়নকালে প্রাসঙ্গিক কারো সাক্ষ্য। এই ধারাগুলোও অতটা জরুরি নয়, তবে মূল বিষয় হলো – কোনো বিশেষ বিশেষজ্ঞ কোনো বিষয়ে প্রাসঙ্গিক হলে সাক্ষ্য দিতে পারেন। ধারাগুলো তুলে দিয়ে রাখলাম যথারীতি।

তৃতীয় পক্ষের অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক

“ধারা ৪৫ : বিশারদের অভিমত [Opinions of experts] : যখন কোন বিদেশী আইন, কিংবা বিজ্ঞান বা চারুকলা বিষয়ে, কিংবা হস্তাক্ষর বা টিপসহির সাদৃশ্যের প্রশ্নে আদালতকে কোন অভিমতে উপনীত হইতে হয়, তখন সংশ্লিষ্ট বিদেশী আইন, কিংবা বিজ্ঞান বা চারুকলা বিষয়ে কিংবা হস্তাক্ষর বা টিপসহির সাদৃশ্যের প্রশ্নে যে সকল লোকের বিশেষ পারদর্শিতা আছে, তাহাদের অভিমত প্রাসঙ্গিক ঘটনা।

ঐ সকল লোককে বিশারদ বলা হয়।

উদাহরণসমূহ:
(ক) প্রশ্ন হইতেছে, বিষ প্রয়োগের দ্বারা ক-এর মৃত্যু হইয়াছে কিনা।

যে বিষ প্রয়োগের দ্বারা ক-এর মৃত্যু ঘটিয়াছে বলিয়া মনে করা হইতেছে, সেই বিষ প্রয়োগের ফলে যে সমস্ত লক্ষণ দেখা দেয়, তৎসম্পর্কে বিশারদদের অভিমত প্রাসঙ্গিক।

(খ) প্রশ্ন হইতেছে ক কোন একটি বিশেষ কাজ করিবার সময় মানসিক বিকৃতির দরুন ঐ কাজের প্রকৃতি বুঝিতে অপারগ ছিল কিনা, কিংবা সে যাহা করিতেছিল, তাহা ভুল কিংবা আইন বিরোধী এই কথা বুঝিতে অপরাগ ছিল কিনা।

ক-এর মধ্যে যে সমস্ত লক্ষণ দেখা গিয়েছিল সাধারণত সেইগুলি মানসিক বিকৃতির লক্ষণ, কিনা এবং অনুরূপ মানসিক বিকৃতির ফলে কেহ তাহার কৃতকর্মের প্রকৃতি অনুধাবন করিতে অপরাগ হয় কিনা, কিংবা উহার ফলে তাহার কৃতকর্ম যে ভুল বা আইন বিরুদ্ধ তাহা বুঝিতে অপরাগ হয় কিনা সে সম্পর্কে বিশারদদের অভিমত প্রাসঙ্গিক।

(গ) প্রশ্ন হইতেছে, বিশেষ একটি দলিল ক-এর দ্বারা লিখিত কিনা। ক-এর দ্বারা লিখিত বলিয়া প্রমাণিত বা স্বীকৃত হইয়াছে, এইরূপ আর একটি দলিল উপস্থাপন করা হইল।

উভয় দলিল একই লোকের কিংবা ভিন্ন ভিন্ন লোকের দ্বারা লিখিত কিনা সেই প্রশ্নে বিশারদদের অভিমত প্রাসঙ্গিক।

“ধারা ৪৬ : বিশেষজ্ঞদের অভিমতের সহিত সংশ্লিষ্ট ঘটনা [Facts bearing upon opinions of experts] : বিশেষজ্ঞদের অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক তখন যে সকল ঘটনা উক্ত অভিমত সমর্থন করে কিংবা উক্ত অভিমতের সহিত সামঞ্জস্যহীন, সেইগুলি প্রাসঙ্গিক, যদিও সেইগুলি অন্য কোনভাবে প্রাসঙ্গিক নহে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) প্রশ্ন হইতেছে, ক-কে কোন বিশেষ একটি বিষ প্রয়োগ করা হইয়াছিল কিনা।

অন্যান্য যাহাদিগকে ঐ বিষ প্রয়োগ করা হইয়াছিল, তাহাদের মধ্যে এমন কতকগুলি লক্ষণ দেখা গিয়াছিল, বিশেষজ্ঞরা যেইগুলিকে ঐ বিষের লক্ষণ বলিয়া স্বীকার বা অস্বীকার করিয়াছিল, ইহা প্রাসঙ্গিক।

(খ) প্রশ্ন হইতেছে একটি পোতাশ্রয়ে যেই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হইয়াছে তাহা একটি সামুদ্রিক প্রাচীরের দ্বারা হইয়াছে কিনা।

অন্য যেই সব পোতাশ্রয়ে অন্যান্য ব্যাপারে একই অবস্থায় কিন্তু সেইখানে অনুরূপ কোন সামুদ্রিক প্রাচীর নাই, একই সময়ে সেইগুলিতেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হইতে শুরু করিয়াছে, ইহা প্রাসঙ্গিক।

“ধারা ৪৭ : হস্তলিপি সম্পর্কে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক [Opinion as to handwriting, when relevant] : একটি দলিল যে লোকের দ্বারা লিখিত বা স্বাক্ষরিত হইয়াছে, সেই সম্পর্কে আদালতকে যখন কোন অভিমতে উপনীত হইতে হয়, তখন যে লোকের দ্বারা উহা লিখিত বা স্বাক্ষরিত হইয়াছে বলিয়া মনে করা হইতেছে, সেই লোকের দ্বারা উহা লিখিত বা স্বাক্ষরিত হইয়াছে বা হয় নাই এই মর্মে উক্ত লোকের হস্তলিপির সহিত পরিচিত কোন লোকের অভিমত প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যা : এক লোক অপর একটি লোককে লিখতে দেখিয়াছে কিংবা যখন প্রথমোক্ত লোক শেষোক্ত লোকের নিকট প্রেরিত নিজের লিখিত বা নিজ কর্তৃত্বে লিখিত কোন লিপির উত্তরে তাহার নিকট হইতে লিপি পাইয়াছে, যাহা ঐ লোকের হাতের লেখা বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হইয়াছে, কিংবা যখন স্বাভাবিক কাজকর্ম প্রসঙ্গে শেষোক্ত লোকের দ্বারা লিখিত বলিয়া যাহা বুঝিতে দেওয়া হয়, ঐইরূপ কাগজ-পত্র বরাবরই প্রথমোক্ত লোকের নিকট দাখিল হইয়া থাকে, তখন প্রথমোক্ত লোক শেষোক্ত লোকের হস্তলিপির সহিত পরিচিত বলিয়া ধরা হয়।

উদাহরণসমূহ:
প্রশ্ন হইতেছে, নির্দিষ্ট কোন একটি চিঠি লন্ডনস্থ ব্যবসায়ী ক-এর হাতের লেখা কিনা।

খ চট্রগ্রামস্থ কেজন ব্যবসায়ী। সে ক-এর নিকট চিঠিপত্র লিখিয়া যে উত্তর পাইয়াচে, সেইগুলি ক-এর হাতের লেখা বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হইয়াছে। খ-এর কেরাণী গ-এর কর্তব্য হইল খ-এর চিঠিপত্র দেখা ও নথিবদ্ধ করা। খ তাহার দালাল ঘ-এর সহিত পরামর্শ করিবার জন্য ক-এর নিকট হইতে পাওয়া চিঠিগুলি বরাবর ঘ-কে দেখাইয়া থাকে।

খ, গ কিংবা ঘ কেহই যদিও কখনও ক-কে দেখে নাই, তথাপি উপরোক্ত নির্দিষ্ট চিঠিখানি ক-এর হাতের লেখা কিনা সে প্রশ্নেও গ ও ঘ-এর অভিমত প্রাসঙ্গিক।

“ধারা ৪৮ : অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব সম্পর্কে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক [Opinion as to existence of right or custom, when relevant] : কোন সাধারণ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যখন আদালতকে কোন অভিমতে উপনীত হইতে হয় তখন উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকিলে যে সকল লোকের জানা সম্ভব, উহার অস্তিত্ব সম্পর্কে তাহাদের অভিমতা প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যা : সাধারণ প্রথা বা অধিকার কথাটি বলিতে যথেষ্ট সংখ্যক লোকের একটি শ্রেণীর মধ্যে সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।

উদাহরণ:
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্দিষ্ট কোনো একটি কূপের জল ব্যবহার করিবার অধিকার থাকিলে, তাহা এই ধারার অর্থ অনুসারে সাধারণ অধিকার।

“ধারা ৪৯ : প্রচলিত রীতি-নীতি, ইত্যাদি সম্পর্কে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক [Opinion as to usages, tenets, etc, when relevant] : আদালতকে যখন নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি সম্পর্কে অভিমতে উপনীত হইতে হয়, যথা,

কোন প্রতিষ্ঠান বা পরিবারের প্রচলিত রীতি-নীতি ও মতবাদ,

কোন ধর্মীয় বা দাতব্য প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্র ও পরিচালনা, কিংবা

কোন বিশেষ জেলায় বা বিশেষ শ্রেণীর লোকের মধ্যে ব্যবহৃত শব্দের অর্থ,

তখন ঐ সম্পর্কে যাহাদের বিশেষ উৎস আছে, তাহাদের অভিমত প্রাসঙ্গিক ঘটনা।

“ধারা ৫০ : আত্মীয়তা সম্পর্কে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক [Opinion on relationship, when relevant] : যখন এক লোকের সহিত অপর এক লোকের সম্পর্কে ব্যাপারে অভিমতে উপনীত হইতে হয়, তখন পরিবারের সদস্য হিসাবে বা অন্যভাবে এই ব্যাপারে যাহার জ্ঞানের বিশেষ উৎস, উক্ত সম্পর্কে অস্তিত্ব সম্পর্কে তাহার আচরণের মধ্য দিয়ে যে অভিমত ব্যক্ত হয়, তাহা প্রাসঙ্গিক ঘটনা।

তবে তালাক আইনের কোন মোকদ্দমায় বিবাহ করিবার জন্য কিংবা দণ্ডবিধির ৪৯৪, ৪৯৫, ৪৯৭ বা ধারার কোন ফৌজদারী মোকদ্দমায় উক্ত অভিমত যথেষ্ট গণ্য হইবে না।

উদাহরণসমুহ:
(ক) প্রশ্ন হইতেছে ক ও খ পরস্পর বিবাহিত কিনা।

তাহাদের বন্ধুবান্ধবেরা সাধারণত তাহাদিগকে স্বামী-স্ত্রী হিসাবে অভ্যর্থনা করে ও তাহাদের সহিত তদ্রুপ ব্যবহার করে, ইহা প্রাসঙ্গিক ঘটনা।

(খ) প্রশ্ন হইতেছে ক খ-এর বৈধ স্ত্রী কিনা। পরিবারের সদস্যগণ সর্বদা ক-এর সহিত তদ্রুপ ব্যবহার করিয়াছে, ইহা প্রাসঙ্গিক ঘটনা।

“ধারা ৫১ : মতামতের কারণ যখন প্রাসঙ্গিক [Grounds of opinion, when relevant] : কোন জীবিত লোকের মতামত যখন প্রাসঙ্গিক, তখন ঐ মতামত যে সকল ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত সেইগুলিও প্রাসঙ্গিক।

উদাহরণ : কোন বিশেষজ্ঞ কোন অভিমতে উপনীত হইবার জন্য তাহার পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিবরণ দিতে পারে।


চরিত্র যখন প্রাসঙ্গিক এই শিরোনামে ধারা ৫২ থেকে ৫৫ পর্যন্ত আলোচনা আছে। একটা উদাহরণ দিয়ে সংক্ষেপে কাজ সারি।

ধরুন, করিম একজন ডাকাত। সে ডাকাতি করে করে অনেক সম্পদ গড়েছে। কিন্তু কোনো এক অজানা কারণে সে কোনো মামলায় অভিযুক্ত নয়। তবে এলাকার লোক সকলেই জানে যে, করিম একজন কুখ্যাত ডাকাত। তো, একদিন করিমের বাড়ীতেই অন্য একদল ডাকাত এসে ডাকাতি করলো। তখন করিম মামলা করতে গেলো। এক্ষেত্রে কেউ এই দাবি করতে পারবে না যে, করিম নিজেই তো একজন ডাকাত, তার আবার কিসের অধিকার ডাকাতি মামলায় বাদী হবার? প্রকৃতপক্ষে করিম যে নিজেই একজন ডাকাত এটা তার মামলা করার ক্ষেত্রে কোনো বাধা হিসেবে দাড়াবে না, উপরন্তু সাক্ষ্য আইনের ভাষ্য অনুযায়ী করিমের ডাকাত চরিত্র এই মামলার ক্ষেত্রে কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয় নয়। বুঝতে পারলেন কি?

আরেকটু ফোকাসে আসি। সাধারণভাবে কোনো লোকের চরিত্র তা সে বাদী হোক বা আসামী / বিবাদী হোক, কোনো মামলায় প্রাসঙ্গিক নয়। একজন অতি উত্তম চরিত্রের অধিকারী ব্যক্তিও কোনো মামলায় অপরাধী হলে চরিত্রের বর্ণনায় তিনি খালাস পেতে পারেন না বা এমনকি সেটা মামলায় প্রাসঙ্গিকই নয়। তবে যে মামলায় চরিত্র প্রসঙ্গেই কোনো একটি বিষয় আলোচিত হচ্ছে সেখানে প্রাসঙ্গিক, তবে সেটার পরিসরও খুব সীমিত।

চরিত্রের কথা শুধুমাত্র বাদী বিবাদীর ক্ষেত্রেই নয়, সাক্ষীর চরিত্র প্রসঙ্গকেও এটা ধারণ করেছে। ধারা ৫২ এর সাফ সাফ কথা যে, দেওয়ানি মোকদ্দমায় চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক। আর ৫৩, ৫৪ ও ৫৫ ধারা পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, ৩ টি ব্যতিক্রম আছে যেখানে চরিত্রের আলোচনা বা বাদী-আসামী অথবা সাক্ষীর চরিত্র আদালতে প্রাসঙ্গিক। এই ৩ টি ব্যতিক্রম মনে রাখতে পারবেন কি? কমনসেন্স প্রয়োগ করলে মনে থাকার কথা। ১ ও ২ নম্বরটি ভালো করে মনে রাখেন।

১. ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে চরিত্রের কথা প্রাসঙ্গিক

২. একটি মামলায় চরিত্রই যখন বিচার্য বিষয়, তখন চরিত্র প্রাসঙ্গিক

৩. কোনো একটি সাক্ষ্যে যখন চরিত্র বিষয়টি সম্পর্কিত থাকে

সংক্ষেপে চরিত্র প্রসঙ্গে এইটুকুই আলোচনা। পরীক্ষায় প্রশ্ন আসলে মূল নীতিটাকে স্মরণ করে করে উত্তর দেবেন। প্রশ্ন কখনো আসেনি এবং খুব জটিল আকারে প্রশ্নও আসবেনা। রিল্যাক্স থাকেন। ধারাগুলো দেখতে থাকুন।

চরিত্র যেইক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক

“ধারা ৫২ : দেওয়ানী মোকদ্দমায় কথিত আচরণ প্রমাণ করিবার জন্য চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক [In civil cases, character to prove conduct imputed, irrelevant] : সংশ্লিষ্ট লোকের যেইরূপ আচরণের অভিযোগ করা হইয়াছে, তাহার চরিত্র অনুযায়ী তাহার পক্ষে ঐরূপ আচরণ সম্ভব কিংবা অসম্ভব, তাহা দেওয়ানী মোকদ্দমায় অপ্রাসঙ্গিক, কিন্তু অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক ঘটনা হইতে চরিত্র যতটা জানা যায় ততটা প্রাসঙ্গিক।

“ধারা ৫৩ : ফৌজদারী মোকদ্দমায় পূর্ববর্তী সচ্চরিত্র প্রসঙ্গ [In criminal cases, previous good character relevant] : ফৌজদারী মোকদ্দমায় দোষী লোকের চরিত্র ভাল, ইহা প্রাসঙ্গিক ঘটনা।

“ধারা ৫৪ : পূর্ববর্তী অসচ্চরিত্র উত্তরদান প্রসঙ্গ ব্যতীত অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নহে [Previous bad character not relevant, except in reply] : ফৌজদারী মোকদ্দমায় দোষী লোকের চরিত্র খারাপ, ইহা অপ্রাসঙ্গিক। তবে তাহার চরিত্র ভাল এই মর্মে সাক্ষ্য দেওয়া হইয়া থাকিলে তাহার চরিত্র খারাপ ইহা প্রাসঙ্গিক হইয়া পড়ে

ব্যাখা ১ : যে মোকদ্দমায় কোন লোকের খারাপ চরিত্রই বিচার্য ঘটনা, সেইক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য নহে।

ব্যাখা ২ : খারাপ চরিত্রের সাক্ষ্য হিসাবে পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ প্রাসঙ্গিক।

“ধারা ৫৫ : ক্ষতিপূরণ নির্ণয়ে চরিত্রের গুরূত্ব [Character as affecting damages] : কোন লোকের চরিত্র যদি এইরূপ হয় যে, সেই লোকের প্রাপ্য ক্ষতিপূরণের পরিমাণ তদ্বারা প্রভাবিত হয়, তবে দেওয়ানী মোকদ্দমায় তাহা প্রাসঙ্গিক ঘটনা

ব্যাখ্যা : ৫২, ৫৩, ৫৪ ও ৫৫ ধারায় ‘চরিত্র’ শব্দটির দ্বারা খ্যাতি ও আচরণ উভয়ই বুঝায় [the word ‘character’ includes both reputation and disposition; ] ; কিন্তু ৫৪ ধারায় যেইরূপ বিধান আছে তাহা ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সাধারণভাবে খ্যাতি ও আচরণ সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া চলে, বিশেষ যে কাজের মধ্য দিয়ে খ্যাতি বা আচরণ প্রতীয়মান হয়, সেই বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়া চলে না।



/90
1350

54 minutes


Evidence Act [1-55]

এখানে সাক্ষ্য আইনের ধারা ১-৫৫ পর্যন্ত ধারাগুলোর এক্সাম আছে ৯০টি প্রশ্নের। এটি সকলের জন্যই উন্মুক্ত আছে। ধন্যবাদ।

এখানে আপনার নাম ও ফোন নাম্বার লিখুন।

1 / 90

‘মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে’ এই সাধারণ নীতির ব্যতিক্রম সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা আছে?

2 / 90

দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারাটির সাথে নিচে বর্ণিত সাক্ষ্য আইনের কোন ধারাটির ধারণাগত মিল রয়েছে?

3 / 90

কোনো ব্যক্তির মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration) তার কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য? [বার : ২০১২]

4 / 90

কোনো ব্যক্তি পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি করলো এবং তদনুযায়ী কিছু আলামত উদ্ধার করা হলো। এরূপ পরিস্থিতিতে নিচের কোন বাক্যটি সঠিক?

5 / 90

সাক্ষ্য আইনের কত ধারা অনুযায়ী একজন ডাক্তারের মতামত প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে আদালত গ্রহণ করতে পারে?

6 / 90

ফৌজদারি মামলায় কখন অভিযুক্ত লোকের চরিত্র খারাপ সে বিষয়ে কথা বলা প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে?

7 / 90

সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারার বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?

8 / 90

সাক্ষ্য আইনের দোষ স্বীকারোক্তি বিষয়ের সাথে ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারাটি সম্পর্কিত?

9 / 90

সাধারণভাবে নিচে বর্ণিত কোন পরিস্থিতিতে দোষ স্বীকার গ্রহণযোগ্য নয়?

10 / 90

সাধারণত একজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের ধরণ হয় - [বার : ২০১৫]

11 / 90

সাক্ষ্য আইন নিচের কোন আইনের ক্ষেত্রে কার্যকর হয় না?

12 / 90

সরকারের কর্তৃত্বাধীনে প্রকাশিত কোনো মানচিত্র বা নকশায় বর্ণিত কোনো বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হতে পারে - এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিষয়বস্তু?

13 / 90

Nemo debet bis vexari লিগ্যাল ম্যাক্সিমটির সাথে সম্পর্কিত ধারা সাক্ষ্য আইনে কোনটি?

14 / 90

দ্বিতীয় মোকদ্দমার বিচার নিষিদ্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী মামলার রায় সাক্ষ্য আইনের কত ধারা মতে প্রাসঙ্গিক?

15 / 90

প্রতিপক্ষ কর্তৃক জেরাকৃত একজন সাক্ষীর সাক্ষ্য একই বিষয় এবং পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পরবর্তী যেকোনো বিচারিক কার্যক্রমে প্রাসঙ্গিক হবে, যখন উক্ত সাক্ষী হন- [বার : ২০১৩]

16 / 90

Confession হলো-

17 / 90

সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় ষড়যন্ত্রকারীদের কাজকে প্রাসঙ্গিক ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে?

18 / 90

সাধারণভাবে নিচের কোন ক্ষেত্রে দোষ স্বীকার গ্রহণযোগ্য হয়?

19 / 90

যখন কোনো বিষয় প্রমাণিত বা অপ্রমাণিত হয় না, তখন তাকে কী বলে?

20 / 90

‘চরিত্র’ শব্দটির সংজ্ঞা বা ব্যাখ্যা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় দেওয়া আছে?

21 / 90

সাক্ষ্য আইনের ২৩ ধারার বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?

22 / 90

কোন ধরনের মামলায় সাধারণত চরিত্র প্রাসঙ্গিক হয়?

23 / 90

সাক্ষ্য আইনের দোষ স্বীকারোক্তি সংক্রান্ত ২৪ ধারাটির বিপরীত বিষয়বস্তু নিয়ে বর্ণিত ধারা সাক্ষ্য আইনে কোনটি?

24 / 90

প্রলোভন, ভীতি ও প্রতিশ্রুতিজনিত ধারণা অপসারণের পর প্রদত্ত স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক - এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিষয়বস্তু?

25 / 90

সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় সাক্ষ্যের সংজ্ঞা দেওয়া আছে?

26 / 90

মামলার বিষয়বস্তুতে যৌথ স্বার্থ রয়েছে এমন ব্যক্তিগণ স্বীকৃতি দিতে পারবেন - এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিষয়বস্তু?

27 / 90

আত্মীয়তা সম্পর্কে অভিমত সাক্ষ্য আইনের কোন ধারামতে প্রাসঙ্গিক?

28 / 90

ক একটি জমির দখলের জন্য খ-এর বিরুদ্ধে একটি ডিক্রি পাইল। ইহার ফলে খ-এর পুত্র ‘গ’ ক-কে হত্যা করিল। এখানে নিচের কোন বাক্যটি সঠিক?

29 / 90

সাক্ষ্য আইনের ৫৪ ধারামতে খারাপ চরিত্রের বর্ণনা প্রাসঙ্গিক হলে খারাপ চরিত্রের সাক্ষ্য হিসেবে কোনটি উল্লেখ করা যাবে বলে বর্ণিত আছে?

30 / 90

সাক্ষ্য আইন কত সালে কোন মাসে কার্যকর হয়?

31 / 90

সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় সাক্ষ্য আইনে ব্যবহৃত বিভিন্ন শব্দ বা বিষয়ের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?

32 / 90

স্বীকৃতি সম্পর্কে নিচের কোন বাক্যটি সঠিক?

33 / 90

বিশারদের সাক্ষ্য নিচে বর্ণিত কোন ক্ষেত্রে আদালত গ্রহণ করতে পারে?

34 / 90

সাধারণভাবে দোষ স্বীকার কখন গ্রহণযোগ্য নয়?

35 / 90

দণ্ডবিধির ২৯ ধারাটির সাথে সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারার নিচে বর্ণিত কোন ধরনের মিল আছে?

36 / 90

সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় অভিন্ন অভিপ্রায়ের কথা বলা হয়েছে? [বার : ২০১৭]

37 / 90

সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারার বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?

38 / 90

আত্মীয়তা বা সম্পর্ক বিষয়ে কোনো নিখোঁজ ব্যক্তির বিবৃতি নিচে বর্ণিত কোন পরিস্থিতিতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে?

39 / 90

সাক্ষ্য আইন এর খসড়া প্রস্তুত করেন কোন বিচারপতি?

40 / 90

একজনের খারাপ চরিত্রের সাক্ষ্য হিসেবে নিচের কোনটি প্রাসঙ্গিক?

41 / 90

Conclusive Proof এর সংজ্ঞা সাক্ষ্য আইনে কোন ধারায় দেওয়া আছে?

42 / 90

ফৌজদারি মামলায় কখন অভিযুক্ত লোকের চরিত্র খারাপ সে বিষয়ে কথা বলা প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে?

43 / 90

অনুমান বিষয়ে প্রাথমিক বা সংজ্ঞাগত ধারণা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় আছে?

44 / 90

কোনো বিশারদের অভিমত যে সকল ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত সেগুলোও প্রাসঙ্গিক - সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বর্ণিত আছে?

45 / 90

সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারার বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?

46 / 90

কোনো একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনোরকম প্রলোভন, ভীতি বা প্রতিশ্রুতি ছাড়াই যখন স্বেচ্ছায় কোনো দোষ স্বীকারোক্তি করে তখন তা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারামতে প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য করা হয়?

47 / 90

সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় ‘ঘটনা’র সংজ্ঞা দেওয়া আছে?

48 / 90

স্বীকৃতি সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক নয়?

49 / 90

মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিষয়বস্তু?

50 / 90

কোনো লোকের দায়িত্ব প্রমাণ সংক্রান্তে অন্য কোনো ব্যক্তি বিরুদ্ধ পক্ষ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে পারে - এমন ব্যক্তিগণ কর্তৃক স্বীকৃতি আদালত কর্তৃক গ্রহণযোগ্য - এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিষয়বস্তু?

51 / 90

সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা মোতাবেক যাদেরকে সাক্ষী হিসেবে তলব করা যায়না, কত ধরনের পরিস্থিতিতে বা শর্তে তাদের বিবৃতি প্রাসঙ্গিক?

52 / 90

আইনে Shall presume বলতে নিচের কোনটি বোঝাবে?

53 / 90

দলিলের সংজ্ঞা সাক্ষ্য আইনে কত ধারার বিষয়বস্তু?

54 / 90

দোষ স্বীকার কখন গ্রহণযোগ্য হয় না?

55 / 90

একজন মৃত ব্যক্তির আর্থিক বিষয়ে কোনো বিবৃতি গ্রহণযোগ্য হবে যদি উক্ত বিবৃতিটি-

56 / 90

মামলার বিষয়বস্তুতে যৌথ স্বার্থ রয়েছে এমন ব্যক্তিগণ স্বীকৃতি দিতে পারবেন - এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিষয়বস্তু?

57 / 90

ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত লোকের চরিত্র সম্পর্কে কোনটি প্রাসঙ্গিক?

58 / 90

মামলার বিষয়বস্তু নিয়ে পক্ষগণ বর্ণিত কোনো তথ্য বা বিবরণ সংশ্লিষ্ট লোকের স্বীকৃতি বৈধ - এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বর্ণিত আছে?

59 / 90

দেওয়ানি মোকদ্দমায় চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক এটা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিধান?

60 / 90

স্বীকৃতির সংজ্ঞা সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিষয়বস্তু?

61 / 90

কোনো একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনোরকম প্রলোভন, ভীতি বা প্রতিশ্রুতি ছাড়াই যখন স্বেচ্ছায় কোনো দোষ স্বীকারোক্তি করে তখন তা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারামতে প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য করা হয়?

62 / 90

প্রতিপক্ষ জেরাকৃত একজন সাক্ষীর সাক্ষ্য একই বিষয় এবং পক্ষদ্বয়ের পরবর্তী যেকোনো বিচারিক কার্যক্রমে প্রাসঙ্গিক হবে, যখন উক্ত সাক্ষী হন - [বার : ২০১৭]

63 / 90

সাক্ষ্য আইন অনুসারে আদালতের অনুমান কয় ধরনের হতে পারে?

64 / 90

Res Gestae বলতে সাক্ষ্য আইনে কী বোঝায়?

65 / 90

সাক্ষ্য আইনের দোষ স্বীকারোক্তি বিষয়ের সাথে ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারাটি সম্পর্কিত?

66 / 90

পুলিশের নিকট আসামির স্বীকারোক্তি কোন ক্ষেত্রে সাক্ষ্য হিসেবে আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে? [বার : ২০১২]

67 / 90

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ সালের কত নং আইন?

68 / 90

একটি মামলার বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয় কোথা থেকে?

69 / 90

মি. রহিম একজন অতি ন্যায়বান, নিরীহ এবং ধার্মিক মানুষ। রহিমের বিরুদ্ধে নিন্দনীয় নরহত্যার অভিযোগ আদালতে উঠেছে। সেখানে তার আইনজীবী সাক্ষ্য শুনানীর সময় মি. রহিমের সচ্চরিত্রের পরিচয় বিস্তারিত তুলে ধরতে চাইলে এর পরিণতি হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?

70 / 90

মাতাল অবস্থায় থাকার কারণে কেউ কোনো দোষ স্বীকারোক্তি করেছে - এই অজুহাতে কোনো স্বীকারোক্তি অপ্রাসঙ্গিক হবে না - এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিষয়বস্তু?

71 / 90

দোষ স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য সাক্ষ্য হিসেবে উক্ত দোষ স্বীকারোক্তিকারক ছাড়াও আর  কার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যায়?

72 / 90

ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন  [Leading Question] বলতে নিম্নের কোনটিকে বুঝাবে? [জুডি. : ২০১৩]

73 / 90

যাদের কাছ থেকে একজন স্বার্থপ্রাপ্ত হয়েছেন কোনো মামলার বিষয়বস্তুতে, উক্ত স্বার্থপ্রদানকারী ব্যক্তিগণ স্বীকৃতি দিতে পারবেন - এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিষয়বস্তু?

74 / 90

হস্তাক্ষর বা টিপসহির সাদৃশ্যের প্রশ্নে সংশ্লিষ্ট বিশারদের অভিমত সাক্ষ্য আইনের কোন ধারামতে প্রাসঙ্গিক?

75 / 90

আদালত কখন কোনো ঘটনাকে মিথ্য প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দেবেন না?

76 / 90

ঘটনার প্রাসঙ্গিকতার প্রশ্নে Plea of alibi সম্পর্কিত ধারা হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?

77 / 90

সাক্ষ্য আইন এর খসড়া প্রস্তুত করেন কোন বিচারপতি?

78 / 90

দোষ স্বীকার কখন গ্রহণযোগ্য হয় না?

79 / 90

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ সালের কোন মাস থেকে কার্যকর হয় ?

80 / 90

রহিমা তার স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা করে ঢাকায়। সেই মামলায় রায় তার পক্ষে এলেও সন্তুষ্ট না হয়ে সে তার বাবার বাড়িতে গিয়ে আবারো আরেকটি মামলা করলে উক্ত স্বামী আদালতকে জানায় যে, এই মামলাটি নিষ্পত্তি হয়ে গেছে, সুতরাং এই মামলা চলতে পারে না। এরূপ পরিস্থিতিতে উক্ত স্বামীর দাবি করা বিষয় সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী আদালতে প্রাসঙ্গিক?

81 / 90

সাক্ষ্য আইনের ৩২ ও ৩৩ ধারা মোতাবেক যাদেরকে সাক্ষী হিসেবে তলব করা যায়না, কত ধরনের পরিস্থিতিতে বা শর্তে তাদের বিবৃতি প্রাসঙ্গিক?

82 / 90

মৃত্যুকালীন ঘোষণার সময় নিম্নের কোন বিষয় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হবে না? [জুডি. : ২০১২]

83 / 90

একই ব্যক্তিকে একই অপরাধে দুইবার শাস্তি দেওয়া যায় না- এই নীতির প্রতিফলন ঘটেছে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায়?

84 / 90

মৌখিক সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ না হলেও প্রাসঙ্গিক হয় কখন?

85 / 90

ক ও খ পরস্পর বিবাহিত কিনা সে বিষয়ে নিচে বর্ণিত কোন ঘটনাটি প্রাসঙ্গিক নয়?

86 / 90

সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী আদালত নয় কোনটি?

87 / 90

কোনো কাজের Motive সাক্ষ্য আইনের কোন ধারামতে প্রাসঙ্গিক ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে?

88 / 90

পূর্ববর্তী মামলায় দেওয়া কোনো সাক্ষ্য, সাক্ষ্য আইনের কোন ধারামতে পরবর্তী মামলায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে?

89 / 90

কোনো ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা প্রশ্নে সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারার বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?

90 / 90

সাক্ষ্য আইনের ৫২ ধারার বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?

Your score is

0%



বিগত এমসিকিউ সাফল্য

Registered [2017 & 2020 MCQ]

Passed Students [2017 & 2020 MCQ]

Registered [MCQ Exam of 2021]