ঘরে বসেই লাইভ ভিডিওতে
প্রতি মাসে মাত্র ৮০০/- টাকায়

MCQ পরীক্ষার প্রস্তুতি!

ভর্তি হতে কল করুন : 01712-908561

Penal Code Lecture 009 [Sec. 121-130]

রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধসমূহ’ শিরোনামে দণ্ডবিধির ষষ্ঠ অধ্যায় [১২১-১৩০ ধারা] থেকেই প্রথম অপরাধের নাম, সংজ্ঞা, শাস্তি, ব্যতিক্রম ইত্যাদির আলোচনা শুরু হয়েছে। অর্থাৎ, ১২১ ধারার আগে মূলত দণ্ডবিধির বেসিক বিষয়গুলো আলোচনা ছিলো। যাইহোক, এই লেকচারে ১২৪ক বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ । এতদ্ব্যতীতও অন্যান্য ধারাগুলো সম্পর্কে সাধারণ ধারণা রাখা প্রয়োজন। 

Penal Code : Lecture 009

Of offences against the state : রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধ

ম্যাপিং : আমাদের এবারের আলোচনার বিষয় রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধ বা Of offences against the state। অর্থাৎ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধ সম্পর্কিত যা যা বিষয় আছে তার সম্পর্কে পেনাল কোড কি বলে? বিষয়টা অত্যন্ত জরুরি সন্দেহ নেই। এই টপিকটি দণ্ডবিধির ৬ষ্ঠ অধ্যায়। ধারা ১২১ থেকে ১৩০ পর্যন্ত।

বার অথবা জুডিসিয়ারি পরীক্ষার কোনোটাতেই এই টপিক থেকে কখনো প্রশ্ন আসেনি। কিন্তু অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি ধারা এই অংশেই আছে। পড়তে থাকুন।

মূল আলোচনা

রাষ্ট্রের সংজ্ঞা, রাষ্ট্র কাকে বলে এগুলো আমাদের সবারই জানা আছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বেসিক জ্ঞান। রাষ্ট্রের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো সার্বভৌমত্ব। সার্বভৌমত্ব অর্থ হলো -কোনো রাষ্ট্রের তার নিজস্ব জনগণের সিদ্ধান্ত নিজেই নেয়ার ক্ষমতা; যেখানে অন্য কোনো রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ বা মাতব্বরি করার কোনো এখতিয়ার বা সুযোগ নেই। কেউ করার চেষ্টা করলেও তা রীতিমতো অমর্যাদাকর, অন্যায়। একটা রাষ্ট্রের অন্যান্য আরো উপাদান হলো – নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠী, নির্দিষ্ট আয়তন বা সীমানা এবং সরকার। নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠী ও সীমানা থাকলেই সেখান থেকে সরকার গঠন সম্ভব হয়; আর ঐ সরকারের হাতেই ক্ষমতা দেয়া হয় যেন দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা হয়। কিন্তু নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠী ও সীমানা কোথা থেকে আসে? কিভাবে তা নির্দিষ্ট হয়? এটা নির্ধারিত হয় প্রধানত একটা অঞ্চলের মানুষের সংস্কৃতি-ভাষা-জাতীয়তা ইত্যাদি বিষয়ের সমজাতীয়তাকে আবর্তিত করে।

সাধারণভাবে যখন একটা অঞ্চলের মানুষ একত্রিত হয়ে একটা রাষ্ট্র বা দেশ গঠন করে তখন সেই অঞ্চলের জনগণের সাধারণ আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ হিসেবেই তা হয়। এই সাধারণ আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন থাকে সংবিধানে যা দেশের সর্বোচ্চ আইন নামে অভিহিত হয়। এই সাধারণ আকাঙ্ক্ষাই সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে বাস্তবায়ন করা হয়। এই যে সাধারণ আকাঙ্ক্ষা তা ঐ দেশের জনগণের সার্বভৌম বা চূড়ান্ত অধিকার। জনগণের চূড়ান্ত ইচ্ছার বহি:প্রকাশ হয় সরকারের দ্বারা তার সার্বভৌমত্ব অনুশীলন করার মাধ্যমে।

একটা উদাহরণে ঢুকি। আমরা বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি ১৯৭১ সালের আগে পূর্ব পাকিস্তান ছিলাম। এর আরেকটা অংশ পশ্চিম পাকিস্তান মিলে আমরা পাকিস্তান নামে পরিচিত ছিলাম। পাকিস্তান একটা নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক-সামাজিক-অর্থনৈতিক আকাঙ্ক্ষার বহি:প্রকাশ ছিলো। সেই রাষ্ট্রের অধীনে আমরা সমস্ত আইন মেনে চলতে বাধ্য থাকতাম। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাক হানাদার বাহিনীর আক্রমনটাকে আমরা হানাদার বাহিনীর হামলা বলি। কিন্তু পাকিস্তান সরকার এটাকে দেখে পাকিস্তান এর ভাঙ্গন ঠেকানোর জন্য একটা রাষ্ট্রের ভেতরেই একটা অংশের জনগণকে দমন হিসেবে। ধরে নিন যে, যুদ্ধ শুরু হলো। এবং তারপর আমরা পরাজিত হলাম। পরাজিত হলে কি হতো? পরাজিত হলে পাকিস্তান সরকার আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের ধরে ধরে তাদেরকে রাষ্ট্রদ্রোহী হিসেবে একে একে ধরে নিয়ে নিয়ে বিচার করতো; সেটা দণ্ডনীয় হতো পাকিস্তানের আইন অনুযায়ী। যেহেতু আমরা জয়ী হয়েছি এবং একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্র বা দেশ গঠন করেছি একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে, ফলে এখন বরং যারা ঐ সময় বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছে তাদেরকে আমরা দণ্ড বা শাস্তি দিচ্ছি। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধ সম্পর্কে আলোচনার আগে আমাদের এই বিষয়টি একটু মনে রাখা দরকার।

যেকোনো রাষ্ট্র যখনই গঠিত হয় তখন সেই রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য এবং রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ও বহিস্থ শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রয়োজন পড়ে। আধুনিক রাষ্ট্রে ভিন্নমতের লোক থাকতে পারে। কিন্তু সে যদি রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কাজ করে তবে তা দণ্ডনীয় হওয়া অবশ্য প্রয়োজন। সেই প্রয়োজনটা কিভাবে মেটানো হয়েছে বাংলাদেশের আইনে সেটা আমরা বুঝতে পারবো আজকের টপিকে।

এবার আমরা ধারায় চলে যাবো। বলে নেয়া ভালো এই টপিকের ধারাগুলো বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ নেই, প্রয়োজনও নেই। যখন যে ধারাগুলো পড়বেন সেখানে আন্ডারলাইন ও বোল্ড করা অংশগুলো emphasis দিয়ে পড়ে যেতে থাকেন। যারা কম করে পড়তে চান, তারা এই টপিকের মোট ১৩ টি ধারার ভেতর সরাসরি ১২৪ ও ১২৪ক পড়ে নিলেই চলবে। 

ধারা ১২১।

“ধারা ১২১ : বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা কিংবা যুদ্ধ ঘোষণার উদ্যোগ করা বা ঘোষনায় সহায়তা করা : কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে অথবা অনুরূপ যুদ্ধের উদ্যোগ গ্রহণ করে অথবা অনুরূপ যুদ্ধে সহায়তা করে, তবে সে ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

উদাহরণ : ক বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একটি অভ্যুত্থানে যোগদান করে । ক এই ধারায় বর্ণিত দোষে দোষী হবে।

আমরা ১২১ এ পড়লাম – দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা, যুদ্ধের চেষ্টা করা বা যুদ্ধে সহায়তা করার শাস্তি। কিন্তু এই কাজগুলো কেউ করলো না বা সংঘটিত হলো না, তবে এই কাজগুলো করার ষড়যন্ত্র করলো। তার শাস্তি কি হবে? সেটাই বলা আছে ১২১ ক ধারায়। নিচে ধারাটি পড়ার আগে একবার কমনসেন্স থেকে ভাবুন ষড়যন্ত্রের শাস্তি কম নাকি বেশি হওয়া উচিত ১২১ এ বর্ণিত অপরাধের তুলনায়? মনে মনে একটা ধারণা করে নিয়ে এবার ধারাটি পড়ুন।

“ধারা ১২১ ক : ১২১ ধারা মোতাবেক দণ্ডনীয় অপরাধগুলো সংঘটনের ষড়যন্ত্র : কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের মধ্যে বা বাইরে থেকে ১২১ ধারামতে দণ্ডনীয় অপরাধসমূহের মধ্যে যে কোন একটি অপরাধ সংঘটনের জন্য অথবা বাংলাদেশের কিংবা উহার কোন অংশ বিশেষের সার্বভৌমত্ব হতে সরকারকে বঞ্চিত করার জন্য অথবা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ কর্তৃক কিংবা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি কর্তৃক সরকারকে সন্ত্রস্ত করার জন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা কোন হ্রাসকৃত মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে ।

ব্যাখ্যা : এই ধারামতে ষড়যন্ত্র প্রতিপন্ন হওয়ার জন্য তদনুসারে কোন কাজ সম্পন্ন বা বেআইনীভাবে কোন কাজ সম্পন্ন না হওয়ার আবশ্যকতা নাই

এবার ধারা ১২২।

“ধারা ১২২ : বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার উদ্দেশ্যে অস্ত্র-শস্ত্র ইত্যাদি সংগ্রহ করা : বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার জন্য অথবা যুদ্ধারম্ভ করার উদ্দেশ্যে প্রস্তুত হওয়ার জন্য কোন ব্যক্তি যদি ব্যক্তিবল, অস্ত্র-শস্ত্র অথবা গোলাবারুদ সংগ্রহ করে অথবা অপর কোনভাবে যুদ্ধারম্ভের প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তবে সে ব্যক্তি অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

এবার ধারা ১২৩।

“ধারা ১২৩ : যুদ্ধারম্ভের ষড়যন্ত্রে সুবিধা বিধানের অভিপ্রায়ে গোপনীয়তা রক্ষা : কোন ব্যক্তি যদি কোন কাজ কর্তৃক কোন কাজ করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থাকার মাধ্যমে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধারম্ভের ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব গোপন করে এবং যুদ্ধারম্ভের সুবিধা বিধানের উদ্দেশ্যেই অথবা অনুরূপ গোপন করার ফলে যুদ্ধারম্ভের সুবিধা হবে জেনেই তা করে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

এবার ধারা ১২৩ ক। ধারাটি ১২৩ ক হলেও ১২৩ ধারাটির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত কোনো ধারা নয়। এটা বাংলাদেশ রাষ্ট্র সৃষ্টি সম্পর্কে খারাপ কথা বলা বা নিন্দা করা এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব বিলোপ করা সমর্থন করলে কি হবে সে সম্পর্কে বলা আছে।

“ধারা ১২৩ ক : রাষ্ট্র সৃষ্টির নিন্দাকরণ ও উহার সার্বভৌমত্ব বিলোপের দাবি : (১) কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের মধ্যে বা বাইরে থেকে বাংলাদেশের নিরাপত্তার পক্ষে ক্ষতিকর হতে পারে অথবা বাংলাদেশের রা রাষ্ট্রীয় সীমার অভ্যন্তরীণ সকল এলাকার অথবা কোন এলাকা বিশেষের দিক হতে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের বিপজ্জনক হতে পারে এমন পদ্ধতিতে কোন ব্যক্তিকে অথবা জনসাধারণের সমগ্র অংশ বা কোন অংশবিশেষকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে অথবা তার কাজ কর্তৃক অনুরূপ কোন ব্যক্তি অথবা জনসাধারণের সমগ্র অংশ বা কোন অংশবিশেষ প্রভাবিত হবে জেনে, উচ্চারিত বা লিখিত কথা কর্তৃক কিংবা চিহ্ন বা দৃশ্য প্রতীক কর্তৃক ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ রাষ্ট্রসমূহের এলাকার সাথে একত্রীকরণের মাধ্যমে কিংবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমার অভ্যন্তরবর্তী সকল এলাকার বা কোন এলাকাবিশেষের দিক হতে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব খর্ব করার বা কোন বিলোপের সমর্থন বা সে মর্মে প্রচারণা করে, তবে সে ব্যক্তিকে দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

(২) প্রাসঙ্গিক সময়ে বলবৎ অপর কোন আইনে যা কিছুই বিধান করা হয়ে থাকুক না কেন এই ধারামতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তার তদন্ত বা বিচারকালে যে আদালতে তাকে সোপর্দ করা হবে সে আদালত আইনসম্মতভাবেই যে পর্যন্ত না বিষয়টি চূড়ান্তরূপে নিষ্পত্তি হয় সে পর্যন্ত উক্ত ব্যক্তির গতিবিধি, অন্যান্য ব্যক্তির সাথে তার মেলামেশা বা সহচর্য বা যোগাযোগ এবং খবর সরবরাহ ও মতামত প্রচারণা বিষয়ক উক্ত ব্যক্তির কার্যকলাপ সম্পর্কে যে কোন আদেশ, যা আবশ্যকীয় বলে পরিগণিত হয় – প্রদান করতে পারবেন।

(৩) উপধারা (২)-এ উল্লেখিত আদালতের সাথে সম্পর্কের দিক হতে যে আদালত একটি আপীল অথবা রিভিশনের আদালত সে আদালতও উক্ত উপধারা বলে কোন আদেশ প্রদান করতে পারেন।

এবার ধারা ১২৪।

“ধারা ১২৪ : রাষ্ট্রপতি, গভর্নর প্রমুখ ব্যক্তিকে কোন আইনানুগ ক্ষমতা প্রয়োগে বাধ্য করার অথবা উহার প্রয়োগ হতে বিরত রাখার জন্য আক্রমণ করা : কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি গভর্নর প্রমুখ ব্যক্তিকে আইনানুগ ক্ষমতা সমূহের যে কোন একটি যে কোন পদ্ধতিতে প্রয়োগ করতে অথবা প্রয়োগ করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত বা বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ রাষ্ট্রপতি বা সরকারকে আক্রমণ করে, অথবা বেআইনীভাবে নিয়ন্ত্রণ করে, অথবা বেআইনীভাবে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের ভীতি প্রদর্শন করে ভীতবিহ্বল করে, অথবা ভীতবিহ্বল করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে

এবার ধারা ১২৪ ক। এই টপিকের ভেতর এই ধারাটি সবচাইতে পপুলার। ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতা’! এই ধারাটি সবচে বেশি মনোযোগের দাবি রাখে।

“ধারা ১২৪ ক : রাষ্ট্রদ্রোহিতা [Sedition]: কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরীতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা ১ : ‘বৈরীতা’ বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শক্রতার ভাব বুঝায়।

ব্যাখ্যা ২ : ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরীতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

ব্যাখ্যা ৩ : ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরীতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

প্রথম প্যারাটি পড়লে মনে হবে জনগণের মত প্রকাশের বা ভিন্ন মতের কোনো স্বাধীনতা নেই। কিন্তু পরেপরেই ব্যাখ্যাগুলোতে পরিষ্কার করে দেয়া হয়েছে উক্ত প্রথম প্যারার বক্তব্যটি কিভাবে অন্যান্য বিধিনিষেধ এর সাথে মিলিয়ে পড়তে হবে।

আমরা এখানে আমাদের পক্ষ থেকে একটি মৌলিক আলোচনা করতে চাচ্ছিলাম এই ধারা বিষয়ে। বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন বইয়ের আলোচনা বারের পরীক্ষার্থীদের উপযোগী হয় না সবসময়। কিন্তু ভালো, সংক্ষিপ্ত এবং প্রয়োজনীয় একটি চমৎকার আলোচনা পেয়েছি সর্বজন শ্রদ্ধেয় গাজী শামছুর রহমান এর দণ্ডবিধির ভাষ্য বইয়ে। সেটাই হুবহু তুলে দিলাম।

“রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক অপরাধটি ব্যাক্তিগত স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা – এই দুইটি বিবদমান শক্তির ভারসাম্যের ফল। স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা প্রকৃত অর্থে ভিন্ন এবং বিরোধী মেরুতে অবস্থিত। একটি মেরু ব্যাক্তির নিজস্ব মতামতকে ব্যক্ত করিবার এবং সরকারের হস্তক্ষেপ হইতে মুক্তির প্রতিনিধিত্ব করে, আর অপরটি রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত সমাজের স্বার্থ সংরক্ষণের অধিকারের প্রতিনিধিত্ব করে। উহাদের কোন একটিকেই নিরঙ্কুশ প্রাধান্য প্রদান করা সম্ভব নহে। ইহা এখন সাধারণত স্বত:সিদ্ধভাবে স্বীকৃত যে, কথা বলা এবং প্রকাশ করিবার অধিকার বা স্বাধীনতা, এক কথায় মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা বলা হয়, তাহা গণতান্ত্রিক সংগঠনের ভিত্তি হিসাবে চিহ্নিত। কারণ রাজনৈতিক আলোচনা ব্যতিরেকে কোন শিক্ষা, যাহা একটি জনপ্রিয় সরকারের কার্যাবলীর অন্যতম দায়িত্ব, সম্ভব হইতে পারেনি। স্বাধীনতার আবশ্যকীয়তা অনুধাবনের সঙ্গে সঙ্গে ইহাও মনে রাখা প্রয়োজন যে, সরকারের প্রথম মৌখিক কর্তব্য দেশে শৃঙ্খলা রক্ষা করা। কারণ শৃঙ্খলাই সভ্যতা এবং মানুষের সুখের পূর্বশর্ত, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা এবং সংগঠিত সরকার বাকস্বাধীনতার ভিত্তি। ইহা মুক্ত রাজনৈতিক আলোচনার পরিবেশ সৃষ্টি করে। বাকস্বাধীনতা এবং মতামত প্রকাশের অধিকারকে সেই পর্যায়ে লইয়া যাওয়া উচিত নহে, যাহার দ্বারা আইন ও শৃংখলা বিঘ্নিত হইতে পারে; অথবা এমন গণবিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা উচিত নহে, যাহার দ্বারা আইনত প্রতিষ্ঠিত সরকারের বিরুদ্ধে হিংসাত্মক কার্যকলাপ পরিচালিত হইতে পারে। সুতরাং বাকস্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা – এই দুইটির মধ্যে একটি ভারসাম্য রক্ষা করা প্রয়োজন। এই ভারসাম্যের পরিচয় পাওয়া যায় রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক অপরাধের বিরুদ্ধে প্রবর্তিত আইনের ১২৪-ক ধারায়। …” [৩৮০-৮১ পৃষ্ঠা, দণ্ডবিধির ভাষ্য, চতুর্থ সংস্করণ, ১৯৯২, ঢাকা।]

আশা করি ওপরের আলোচনা এই ধারার তাত্ত্বিক আলোচনা বুঝতে সহায়তা করেছে। কিন্তু একটা জরুরি বিষয় খেয়াল করুন, জেনে রাখুন। ধারাটির নাম ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতা’। কিন্তু ধারার ভেতরে কোথাও রাষ্ট্র শব্দটার উল্লেখ নেই। উল্লেখ আছে ‘সরকারের প্রতি ….’ । সরকার [Government] এবং রাষ্ট্র [State] কবে থেকে একই বিষয় বা সমার্থক হলো এটা আমাদের বুদ্ধিতে কুলোচ্ছে না। সম্ভবত আইনপ্রণেতারা বিষয়টি খেয়ালই করেন নি। এটা কিন্তু একটা মারাত্মক মিসটেক! ধারাটির নাম বদলে রাখা উচিত ‘সরকারদ্রোহিতা’ বা এই টাইপের কিছু।

যাইহোক, এর শাস্তির বিষয়টি খেয়াল করেছেন কি? সেটাও এক অদ্ভুতুড়ে গল্প! যাবজ্জীবন হতে পারে সর্বোচ্চ। আবার ঐ লাইনেই ‘অথবা’ দিয়ে বলা আছে – ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ড! একবারে বলে দিলেই হতো যে, সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। তাই না? মজা আরো আছে। আরেকটা ‘অথবা’ দিয়ে বলা আছে Ñ ‘অথবা তাকে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে’। ভারী অদ্ভুত কিন্তু! তার মানে সর্বনিম্ন শুধুমাত্র অর্থদণ্ড থেকে শুরু করে যাবজ্জীবন পর্যন্ত যেকোনো বর্ণনার কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে!

মনে থাকবে তো? ধারাটি আবারো পড়ে নেন, এখুনি।

এবার পরের ধারাগুলো। আপনার পাশের বাড়ির প্রতিবেশির সাথে পারস্পরিক ভালো সম্পর্ক বজায় রেখেই চলতে হয়, বলা বাহুল্য। বিপদে আপদে প্রতিবেশিরাই সবচে’ কাছের লোক। কিন্তু আপনার বাড়ীর একজন সদস্য যদি কোনো প্রতিবেশির সাথে বৈরিতামূলক কোনো আচরণ করে তবে তা আপনাকেও প্রভাবিত করবে, সম্পর্ক খারাপ করবে যা আপনার পরিবারের বা বাড়ীর সামগ্রিক ও সামষ্টিক স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর। এ অবস্থায় আপনি নিশ্চয় আপনার বাড়ীর সেই সদস্যকে শাসন করবেন, তাইনা? ১২৫ ধারার গল্পটা এটাই; তবে তা পরিবারের বদলে দেশের ক্ষেত্রে। ধারা ১২৫, ১২৬ এবং ১২৭ পরস্পর সম্পর্কিত। তিনটি ধারা পড়ে ফেলুন।

“ধারা ১২৫ : বাংলাদেশের সাথে মৈত্রীবন্ধনে আবদ্ধ কোন এশীয় শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ আরম্ভ করা : কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের সাথে মৈত্রীবন্ধনে আবদ্ধ অথবা শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান কোন এশীয় শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ আরম্ভ করে অথবা অনুরূপ যুদ্ধ আরম্ভ করার চেষ্টা করে অথবা অনুরূপ যুদ্ধারম্ভের সহায়তা করে, তবে সে ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে এবং এই দণ্ডের সাথে অর্থদণ্ডও যোগ করা যাবে, অথবা সে ব্যক্তিকে সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে এবং এই দণ্ডের সাথে অর্থদণ্ডও যোগ করা যাবে, অথবা সে ব্যক্তিকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

“ধারা ১২৬ : বাংলাদেশের সাথে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান কোন শক্তির রাষ্ট্রীয় এলাকার উপর হামলা বা লুটতরাজ : কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের সাথে মৈত্রীবন্ধনে আবদ্ধ বা শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান কোন শক্তির রাষ্ট্রীয় এলাকার উপর হামলা বা লুটতরাজ সংঘটন করে অথবা হামলা বা লুটতরাজ সংঘটনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তবে সে ব্যক্তিকে সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তৎসহ তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে ও অনুরূপ হামলা বা লুটতরাজে ব্যবহৃত বা ব্যবহার করার জন্য উদ্দিষ্ট যে কোন সম্পত্তি অথবা অনুরূপ হামলা বা লুটতরাজ হতে লদ্ধ যে কোন সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা যাবে।

“ধারা ১২৭ : ১২৫ ও ১২৬ ধারা দুইটিতে উল্লেখিত যুদ্ধ বা হামলা বা লুটতরাজ হতে লব্ধ সম্পত্তি গ্রহণ : ১২৫ ও ১২৬ ধারা দুইটিতে উল্লেখিত অপরাধসমূহের যে কোনটি সংঘটনক্রমে লব্ধ সম্পত্তি বলে জানা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি যদি অনুরূপ কোন সম্পত্তি গ্রহণ করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে ও অনুরূপ গৃহীত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হবে।

এবার ধারা ১২৮, ১২৯ এবং ১৩০। এই তিনটি ধারাও আবার পরস্পর সম্পর্কিত। তিনটি ধারাই সরকারী কর্মচারীদের ভূমিকা প্রসঙ্গে আলোচনা করেছে। সরকারী কর্মচারী বলতে এখানে বোঝানো হয়েছে বিশেষ করে যার বা যাদের দায়িত্ব (পুলিশ বা জেলখানার কর্মচারী / কর্মকর্তা) থাকে রাজবন্দী বা যুদ্ধবন্দীর তত্ত্বাবধান বা আটক রাখা। তাদের হাত থেকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে বা অবহেলাবশত কোনো বন্দী যদি পালিয়ে যায় অথবা তারা যদি কোনো বন্দীকে আশ্রয় দান করে তবে তার শাস্তি কি হবে এগুলোই এই তিনটি ধারার আলোচ্য বিষয়। ধারাগুলো দেখুন।

“ধারা ১২৮ : সরকারি কর্মচারী কর্তৃক ইচ্ছাকৃতভাবে রাজবন্দি বা যুদ্ধবন্দিকে পলায়ন করত দেওয়া : কোন ব্যক্তি যদি একজন সরকারি কর্মচারী হওয়া সত্ত্বেও এবং রাজবন্দি বা যুদ্ধবন্দির হাজতের দায়িত্বসম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও যে স্থানে অনুরূপ বন্দি আটক আছে ইচ্ছাকৃতভাবে সে স্থান হতে তাকে পলায়ন করতে দেয়, তবে অনুরূপ ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

“ধারা ১২৯ : সরকারি কর্মচারী দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে যুদ্ধবন্দিকে পালাইয়া যেতে দেওয়া : কোন ব্যক্তি যদি একজন সরকারি কর্মচারী হওয়া সত্ত্বেও এবং রাজবন্দি বা যুদ্ধবন্দির হাজতের দায়িত্বসম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও যে স্থানে অনুরূপ বন্দি আটক আছে, ইচ্ছাকৃতভাবে সে স্থান হতে তাকে পলায়ন করতে দেয় তবে অনুরূপ ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

“ধারা ১৩০ : অনুরূপ বন্দিকে পলায়নে সহায়তা করা, উদ্ধার করা বা আশ্রয়দান করা : কোন ব্যক্তি যদি জ্ঞাতসারে কোন রাজবন্দিকে বা যুদ্ধবন্দিকে আইনসম্মত হাজত হতে পলায়ন করতে সহায়তা করে বা আনুকূল্য দান করে অথবা অনুরূপ কোন বন্দিকে উদ্ধার করে বা উদ্ধার করার চেষ্টা করে অথবা অনুরূপ যে বন্দি আইনসম্মত হাজত হতে পলায়ন করেছে তাকে আশ্রয়দান করে বা লুকিয়ে রাখে অথবা অনুরূপ বন্দিকে পুনরায় গ্রেফতার করার কাজে প্রতিরোধ সৃষ্টি করে বা প্রতিরোধ সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

ব্যাখ্যা : যদি কোন রাজবন্দি বা যুদ্ধবন্দিকে বাংলাদেশের মধ্যে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য শর্তাধীনে মুক্তি দেওয়া হয়, তবে উক্ত বন্দিকে যে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে অবস্থানের শর্তে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বন্দি উহার বাইরে গেলে সে আইনসম্মত হাজত হতে পলায়ন করেছে বলে গণ্য হবে।



/4
74

2 minutes 24 seconds


Penal Code [121-130]

এখানে দণ্ডবিধির ১২১-১৩০ ধারাসমূহ নিয়ে এমসিকিউ টেস্ট আছে। সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো পড়ে নিয়ে এটি অনুশীলন করুন।

এখানে আপনার নাম ও ফোন নাম্বার লিখুন। ইমেইলটি লেখা বাধ্যতামূলক নয়; তবে, ইমেইল এড্রেস দিলে আপনার ইমেইলে বিস্তারিত ফলাফল চলে যাবে।

1 / 4

রাষ্ট্রদ্রোহিতার শাস্তি নিচের কোনটি হতে পারে?

2 / 4

রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধটি দণ্ডবিধির কত ধারায় বর্ণিত আছে?

3 / 4

রাষ্ট্রদ্রোহিতার শাস্তি দণ্ডবিধির কত ধারার বিষয়বস্তু?

4 / 4

রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধ দণ্ডবিধির কোন অধ্যায়ের বিষয়বস্তু?

 

Your score is

0%



বিগত এমসিকিউ সাফল্য

Registered [2017 & 2020 MCQ]

Passed Students [2017 & 2020 MCQ]

Registered [MCQ Exam of 2021]