ঘরে বসেই লাইভ ভিডিওতে
প্রতি মাসে মাত্র ৮০০/- টাকায়

MCQ পরীক্ষার প্রস্তুতি!

ভর্তি হতে কল করুন : 01712-908561

Penal Code Lecture 11 [Sec. 161-171]

এখানে দণ্ডবিধির সরকারী কর্মচারী কর্তৃক কৃত বা সরকারী কর্মচারী সম্পর্কিত অপরাধসমূহ’ বা Offences by or relating to public servants শিরোনামে ধারাগুলো বিস্তৃত আছে ১৬১-১৭১ঝ ধারা পর্যন্ত। এই ধারাগুলোর প্রথম কয়েকটি ধারা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। 

Penal Code : Lecture 11

Offences by or relating to public servants : সরকারী কর্মচারী কর্তৃক কৃত বা সরকারী কর্মচারী সম্পর্কিত অপরাধসমূহ

ম্যাপিং : আমাদের এবারের আলোচনার বিষয় সরকারী কর্মচারী কর্তৃক কৃত বা সরকারী কর্মচারী সম্পর্কিত অপরাধসমূহ বা Offences by or relating to public servants। সরকারী কর্মচারী বা কর্মকর্তা অর্থাৎ এককথায় সরকারী চাকুরে বা চাকুরীজীবীদের করা অপরাধ নিয়ে আলোচনা এই অধ্যায়ের বিষয়। এই অধ্যায়টি ১৬১ ধারা থেকে ১৭১ ঝ পর্যন্ত বিস্তৃত। এটা দণ্ডবিধির ৯ ম অধ্যায়। প্রথমেই বলে রাখা ভালো এই অধ্যায় থেকে কোনো এমসিকিউ পরীক্ষা বা লিখিত পরীক্ষা কোনোটাতেই কোনো প্রশ্ন আসেনি। কখনোই আসেনি। খুব গুরুত্ব দিয়ে পড়ার দরকার নেই। পরীক্ষায় আসেনি এটা একটা কারণ; তবে এর ব্যবহারিক গুরুত্বও সমাজে কম; এটাও আমাদের বিবেচনা। তবুও যারা সবকিছুই পড়তে চান, তাদের জন্যই এই লেকচারের অবতারণা।

আমরাও বিশেষ কোনো আলোচনা এই অধ্যায় নিয়ে করবো না। প্রধানত ধারাগুলো একের পর এক তুলে দেয়া আছে। যেগুলো বোল্ড-আন্ডারলাইন করা আছে সেগুলোতে একবার করে চোখ বুলিয়ে যেতে পারেন। ১৬১ ধারা অবশ্যই পড়তে হবে। বেটার হয় – ১৬১ – ১৬৩ ও ১৭০-১৭১ এই ধারা ৫ টি ভালো করে বুঝে নিয়ে এখান থেকেই স্কিপ করা। ইয়োর চয়েস!

মূল আলোচনা
এই অধ্যায়ের শিরোনাম দেখে অনেকের মনে হতে পারে আইনের চোখে সকলেই সমান; সেখানে সরকারী কর্মচারীদের করা অপরাধ নিয়ে আবার আলাদা আলোচনা কি? বা কেন? ব্যাপারটা আসলে তেমন নয়। একজন সাধারণ মানুষ কোনো অপরাধ করলে যেই শাস্তি, একজন চাকুরীজীবী করলেও একই শাস্তি। আইন সবার জন্য সমানই আছে। অর্থাৎ এই অধ্যায়ে সরকারী কর্মচারীদের জন্য আলাদা কোনো বিশেষ বিধান রাখা হয়নি। কিন্তু সরকারী চাকুরীজীবীরা নানাভাবে তাদের প্রাপ্ত ক্ষমতার অপব্যবহার করতে পারেন, ঘুষ খেতে পারেন, ক্ষমতাকে ব্যবহার করে অনুচিত প্রভাব খাটাতে পারেন কারো ওপরে, সরকারী দায়িত্বে অবহেলা করতে পারেন বা কোনো কিছু করা থেকে বিরত থেকে কাউকে সুবিধা দিয়ে দিতে পারেন ইত্যাদি হরেক রকমের অবৈধ কাজ বা অপরাধ করতে পারেন। এইসমস্ত অপরাধ প্রতিরোধ করার জন্যই দণ্ডবিধিতে এই অধ্যায়ের অবতারণা। এই অধ্যায়ের বর্ণিত ধারাগুলো এই সম্পর্কিত অপরাধ ও সেগুলোর শাস্তি সুনির্দিষ্ট করেছে।

এমনিতেই চাকুরীজীবীদের নানা ধরনের কোড অব কন্ডাক্ট থাকে যার নিয়ন্ত্রণে তারা সঠিকভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করে। এর পাশাপাশি সরকার কাউকে চাকুরী থেকে বরখাস্ত করতে পারে প্রয়োজনবোধে। যাইহোক, পেনাল কোডে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ অপরাধসমূহ, যেগুলো কোনো না কোনোভাবে রাষ্ট্রের জনগণের সাথে সম্পর্কিত সেগুলো নিয়ে সুনির্দিষ্ট ধারা তৈরি করে আলোচনা করা আছে।

এই যেমন ধরুন, ১৬১ ধারাটি। অনেক বড় একটি ধারা। এর মূল কথা হচ্ছে ঘুষ বা দুর্নীতি। কোনো সরকারী চাকুরে যদি ঘুষ নেয় বা ঘুষ / উপহার নেবার বিনিময়ে কারো কোনো বাড়তি সুবিধা করে দেয় তবে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে যার শাস্তি সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদণ্ড ও জরিমানা। ধারাটি পড়ুন। উদাহরণগুলো বুঝুন ভালো করে।

“ধারা ১৬১ : সরকারি কর্মচারী দ্বারা সরকারি কার্যব্যাপদেশে আইনসংগত পারিশ্রমিক ছাড়াই অপর কোন পারিতোষিক গ্রহণ করা : কোন ব্যক্তি যদি সরকারি কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারি কর্মচারী হবে বলে আশা করে কোন সরকারি কাজ করার অথবা করা হতে বিরত থাকার উদ্দেশ্যে বা পুরস্কার হিসাবে, অথবা সরকারি দায়িত্ব সম্পাদনকালে কোন ব্যক্তিকে অনুগ্রহ প্রদর্শন বা নিগ্রহ প্রদর্শন করার জন্য বা করা হতে বিরত থাকার জন্য, অথবা বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভা দ্বারা অথবা কোন সরকারি কর্মচারী দ্বারা কোন ব্যক্তির উপকার বা অপকার করার জন্য বা তা করার চেষ্টায় নিজের অথবা অপর কোন ব্যক্তির জন্য কারো নিকট থেকে আইনসম্মত পারিশ্রমিক ছাড়াই অপর যে কোনরূপ পারিতোষিক গ্রহণ করে বা লাভ বা গ্রহণ করতে সম্মত হয় বা লাভ করতে চেষ্টা করে, [any gratification whatever, other than legal remuneration, as a motive or reward for doing or forbearing to do any official act or for showing or for bearing to show] তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা :

‘সরকারি কর্মচারী হবে বলে আশা করা’ [‘Expecting to be a public servant’] :  কোন ব্যক্তি যদি সরকারি কর্মচারী হবে বলে আশা না করে কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে সরকারি কর্মচারী হবে এবং তখন কার্য করে দিবে এইরূপ ভ্রান্ত বিশ্বাস জন্মাইয়া কোন পারিতোষিক গ্রহণ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি প্রতারণার অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে, কিন্তু এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে না

‘পারিতোষিক’ [‘Gratification’]: এই ধারায় ‘পারিতোষিক’ বলতে শুধু আর্থিক পারিতোষিক অথবা অর্থের হিসেবে নির্ণেয় পারিতোষিক বুঝায় না।

‘আইনসংগত পারিশ্রমিক’ [‘Legal remuneration’] : এই ধারায় ‘আইনসংগত পারিশ্রমিক’ বলতে কোন সরকারি কর্মচারী আইনসংগতভাবে যে পারিশ্রমিক দাবি করতে পারেন, কেবল তা বুঝায় না, যে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক তিনি নিযুক্ত হয়েছেন সে কর্তৃপক্ষ তার যেসব পারিশ্রমিক গ্রহণ করতে অনুমতি দিয়েছেন সেসব পারিশ্রমিকও বুঝায়

‘করার উদ্দেশ্যে অথবা পুরস্কার হিসাবে’ [‘A motive or reward for doing’] : যে ব্যক্তি সে যা করতে ইচ্ছক নয় তা করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে যা করে নাই তা করার পুরস্কার হিসেবে পারিতোষিক গ্রহণ করে সে ব্যক্তিও এই কথাগুলির আওতায় আসবে।

উদাহরণসমূহ :

(ক) ক একজন মুন্সেফ। চ জনৈক ব্যাংকার। ক একটি বিষয় চ-এর অনুকূলে নিষ্পত্তি করে দেওয়ার পুরস্কারস্বরূপ চ-এর ব্যাংক তার (ক-এর) ভাইয়ের জন্য একটি চাকরি সংগ্রহ করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে।

(খ) ক একটি বিদেশী রাষ্ট্রের রাজধানীতে বাণিজ্যদূত পদে নিযুক্ত থাকাকালে ঐ বিদেশী রাষ্ট্রের মন্ত্রীর নিকট থেকে এক লক্ষ টাকা গ্রহণ করে। ক উক্ত টাকা নির্দিষ্ট কোন সরকারি কার্য করার বা করা হতে বিরত থাকার মতলবে বা পুরস্কারস্বরূপ, কিংবা বাংলাদেশ সরকারের সাথে জড়িত কোন ব্যাপারে উক্ত বিদেশী শক্তির নির্দিষ্ট কোন উপকার করার বা উপকারের চেষ্টা করার জন্য নিয়েছে তা প্রতীয়মান হয় না। কিন্তু একথা প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত দেশে তার সরকারি কর্তব্য পালন প্রসঙ্গে উক্ত দেশের সাধারণ আনুকূল্য প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে পুরস্কারস্বরূপ সে উক্ত টাকা নিয়েছেক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

(গ) ক জনৈক সরকারি কর্মচারী। তিনি চ-কে বিভ্রান্ত করে বিশ্বাস করান যে, সরকারের উপর তার (ক-এর) যে প্রভাব রয়েছে তার ফলেই চ একটি উপাধি লাভ করেছেন। এইভাবে ক-কে বিভ্রান্ত করে তার নিকট থেকে ক তার (চ-এর) কার্য করে দেওয়ার জন্য পুরস্কারস্বরূপ অর্থ গ্রহণ করেন । ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবেন।

এই ১৬১ ধারাটিই ভালোভাবে পাঠ করে রাখুন। ১৬২ ধারাতেও প্রায় একই কথা অন্যভাবে বলা আছে। সেখানেও শাস্তি ১৬১ ধারার মতোই, ৩ বছরের কারাদণ্ড। সরকারী কর্মচারী ঘুষ আকারে কোনোকিছু গ্রহণ করলে সেটার জন্য শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড। আর এটা ১৬১ ধারার বিষয়বস্তু। আর তেমন কিছু মনে রাখার দরকার নেই। পড়ুয়ারা অথবা অনুসন্ধিৎসু শিক্ষার্থীরা সব ধারাগুলোই একবার পড়ে যান।

ধারা ১৬২ এবার।

“ধারা ১৬২ : অসাধু বা অবৈধ উপায়ে সরকারি কর্মচারীকে প্রভাবিত করার জন্য পারিতোষিক গ্রহণ : কোন ব্যক্তি যদি অবৈধ উপায়ে কোন সরকারি কর্মচারীকে প্ররোচিত প্রভাবিত করে উক্ত সরকারি কর্মচারীকে দিয়ে কোন সরকারি কার্য করানোর বা করা হতে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে বা পুরস্কার হিসাবে, অথবা সরকারি দায়িত্ব সম্পাদনকালে কোন ব্যক্তিকে অনুগ্রহ প্রদর্শন বা নিগ্রহ প্রদর্শন করানোর জন্য বা করা হতে বিরত রাখার জন্য, অথবা বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভা দ্বারা কিংবা কোন সরকারি কর্মচারী দ্বারা কোন উপকার বা অপকার করার জন্য বা তা করানোর চেষ্টায় নিজের অপর কোন ব্যক্তির জন্য কারো নিকট থেকে কোনরূপ পারিতোষিক গ্রহণ করে, বা লাভ করে, বা গ্রহণ করতে সম্মত হয়, বা লাভ করতে চেষ্টা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে ।

ধারা ১৬৩ এবার।

“ধারা ১৬৩ : সরকারি কর্মচারীর উপর ব্যক্তিগত প্রভাব প্রয়োগের জন্য পারিতোষিক গ্রহণ : কোন ব্যক্তি যদি সরকারি কর্মচারীর উপর তার ব্যক্তিগত প্রভাব প্রয়োগ করে উক্ত সরকারি কর্মচারীকে দিয়ে কোন সরকারি কাজ করানোর বা করা হতে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে বা পুরস্কার হিসাবে, অথবা সরকারি দায়িত্ব পালনকালে কোন ব্যক্তিকে অনুগ্রহ প্রদর্শন বা নিগ্রহ প্রদর্শন করানোর বা করা হতে বিরত রাখার জন্য, অথবা বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভা দ্বারা কিংবা কোন সরকারি কর্মচারী দ্বারা কোন উপকার বা অপকার করানোর জন্য বা তা করানোর চেষ্টায় নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির জন্য কারো নিকট থেকে কোনরূপ পারিতোষিক গ্রহণ করে, বা লাভ করে, বা গ্রহণ করতে সম্মত হয়, বা লাভ করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ : কোন বিচারকের কাছে মামলার সওয়াল জবাব করার জন্য যে আইনজীবী পারিশ্রমিক গ্রহণ করেন, সরকারের কাছে কোন স্মারকলিপি পেশকারীর কার্যাবলি ও দাবি-দাওয়া উত্থাপন করে স্মারকলিপি প্রণয়ন ও পরিশোধনের জন্য যে ব্যক্তি পারিশ্রমিক গ্রহণ করেন; কোন দণ্ডিত অপরাধীর বেতনভুক্ত প্রতিনিধি যিনি অপরাধীকে শাস্তি প্রদান অনুচিত বা অন্যায় হয়েছে বলে প্রতীয়মান করে সরকারের কাছে লিপি বা উক্তি দাখিল করেন, ইহাদের ক্ষেত্রে এই ধারাটি প্রয়োগযোগ্য হবে না, কেননা ইহারা ব্যক্তিগত প্রভাব প্রয়োগ করেন না, বা করেন বলে দাবি করেন না।

ধারা ১৬৪ এবার।

“ধারা ১৬৪ : সরকারি কর্মচারী দ্বারা ১৬২ বা ১৬৩ ধারায় বর্ণিত অপরাধগুলো সংঘটনে সহায়তা করার সাজা : যে সরকারি কর্মচারীকে জড়িত করে উপরে উল্লেখিত সর্বশেষ দুইটি ধারায় বর্ণিত অপরাধসমূহের কোনটি অনুষ্ঠিত হয়, সে সরকারি কর্মচারী যদি সে অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করেন, তবে তিনি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবেন।

উদাহরণ : ক একজন সরকারি কর্মচারী। খ তার স্ত্রী। স্বামীকে প্রভাবিত করে চাকরির সংস্থান করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে খ জনৈক ব্যক্তির নিকট থেকে একটি উপহার গ্রহণ করেন। ক তার স্ত্রীর কার্যে সহায়তা করেন। খ অনধিক এক বৎসর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবেন। ক তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ধারা ১৬৫ এবার।

“ধারা ১৬৫ : সরকারি কর্মচারী দ্বারা তার গৃহীত কার্যক্রমের সাথে জড়িত বা তার সম্পাদিত বিষয়ের সাথে জড়িত ব্যক্তির নিকট থেকে মূল্য না দিয়ে মূল্যবান বস্তু লাভ করা : যদি কোন সরকারি কর্মচারী বিনামূল্যে বা যে মূল্য অপর্যাপ্ত বলে তিনি অবগত এমন মূল্যে তার নিজের বা অপর কারে জন্য এমন কোন ব্যক্তির নিকট থেকে কোন মূল্যবান বস্তু গ্রহণ করেন বা আদায় করেন বা গ্রহণ করতে সম্মত হন বা যে ব্যক্তি তাঁর গৃহীত বা সম্পাদিত কার্যক্রমের সাথে অথবা তৎকর্তৃক অচিরেই যে কার্যক্রম বিষয় গৃহীত বা সম্পাদিত হবে উহার সাথে সম্পর্কযুক্ত হয়েছে বা হচ্ছে বা হতে পারে বলে তিনি অবগত, অথবা তার বা তিনি যে সরকারি কর্মচারীর অধঃস্তন বেসরকারি কর্মচারীর সরকারি কার্যাবলির সাথে জড়িত আছে বলে জানেন, অথবা অনুরূপভাবে জড়িত ব্যক্তির সাথে যে ব্যক্তি সম্পর্কযুক্ত বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট বলে তিনি অবগত, তা হলে তিনি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবেন।

উদাহরণসমূহ :

(ক) ক জনৈক কালেক্টর। তিনি চ-এর একটি বাড়ি ভাড়া করেন। ক-এর কোর্টে চ-এর একটি সেটেলমেন্টের মামলা চলছে। ক চ-এর বাড়ি ভাড়া করে চুক্তি করেন যে, তিনি বাড়ি ভাড়া বাবদ চ-কে মাসিক পঞ্চাশ টাকা দিবেন। কিন্তু বাড়িটি এমন উন্নতমানের যে সততার সাথে চুক্তি করলে ক-কে উহার ভাড়াস্বরূপ মাসিক দুইশত টাকা ভাড়া দিতে হতো। ক পর্যাপ্ত মূল্য বা যথোপযুক্ত মূল্য না দিয়ে চ-এর নিকট থেকে একটি মূল্যবান বস্তু লাভ করেছেন।

(খ) ক জনৈক বিচারক। তার আদালতে চ-এর একটি মামলা চলছে। ক চ-এর গভর্নমেন্ট প্রমিসরি নোট অধিক মূল্যে বিক্রয় হচ্ছে। ক পর্যাপ্ত বা যথোপযুক্ত মূল্য না দিয়ে চ-এর নিকট থেকে মূল্যবান বস্তু লাভ করেছেন।

(গ) ক জনৈক ম্যাজিস্ট্রেট। মিথ্যা সাক্ষ্যদানের অভিযোগে চ-এর ভাইকে গ্রেফতার করে তার আদালতে উপস্থিত করা হয়। ক চ-এর কাছে কোন ব্যাংকের কয়েকটি শেয়ার অধিক মূল্যে বিক্রয় করেন। কিন্তু বাজারে উক্ত ব্যাংকের শেয়ার কম মূল্যে বিক্রয় হচ্ছে। , চ ক-কে অধিক মূল্যেই শেয়ারগুলির দাম চুকিয়ে দেয়। এইভাবে ক যে অর্থলাভ করলেন তা পর্যাপ্ত বা যথোপযুক্ত মূল্য ছাড়া প্রাপ্ত সম্পদ বলে পরিগণিত হবে।

ধারা ১৬৫ ক।

“ধারা ১৬৫ ক : ১৬১ ও ১৬৫ ধারায় বর্ণিত অপরাধসমূহে সহায়তার সাজা : কোন ব্যক্তি ১৬১ ধারামতে অথবা ১৬৫ ধারামতে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করলে অপরাধ জন্য বিহিত দণ্ডে দণ্ডিত হবেসহায়তার ফলে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হোক বা না হোক তাতে কিছু যায় আসে না।

ধারা ১৬৫ খ।

“ধারা ১৬৫ খ : কতিপয় সহায়তাকারীর অব্যাহতি : কোন ব্যক্তি যদি প্রকৃতপক্ষেই প্ররোচিত হয়ে, বাধ্য হয়ে, হুমকির ফলে বা ভীতি প্রদর্শনের ফলে ১৬৫ ধারায় উল্লেখিত কোন সরকারি কর্মচারীকে ১৬১ ধারায় উল্লেখিত উদ্দেশ্যগুলির অন্যতম উদ্দেশ্যে উক্ত ধারায় উল্লেখিত পারিতোষিক দেওয়ার প্রস্তাব করে বা দেয়, কিংবা বিনামূল্যে বা অপর্যাপ্ত মূল্যের বিনিময়ে কোন মূল্যবান বস্তু দেওয়ার প্রস্তাব করে বা দেয়, তবে সে ব্যক্তি ১৬১ ধারা বা ১৬৫ ধারা অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের সহায়তার দায়ে অপরাধী বলে পরিগণিত হবে না।

ধারা ১৬৬ এবার।

“ধারা ১৬৬ : সরকারি কর্মচারী কর্তৃক কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আইন অমান্য করা : কোন ব্যক্তি যদি সরকারি কর্মচারী হয়ে জ্ঞাতসারে আইনে তাকে সরকারি কর্মচারী হিসেবে যেরূপ আচরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কোন ব্যক্তির ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে সেরূপ কোন নির্দেশ অমান্য করেন, অথবা তার এইরূপ অমান্য করার দরুণ কোন ব্যক্তির ক্ষতি হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও সেরূপ কোন নির্দেশ অমান্য করেন, তবে তিনি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবেন।

উদাহরণ : কোন বিচারালয়ে চ-এর স্বপক্ষে একটি ডিক্রি দেওয়া হয়েছে। ডিক্রিটি কার্যকরীকরণের উদ্দেশ্যে জনৈক কর্মকর্তা ক-কে নির্দেশ দান করা হয়েছে সম্পত্তি ক্রোক করতে । ক জ্ঞাতসারে এবং চ-এর ক্ষতি হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও আইনের এই নির্দেশটি অমান্য করে । ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে।”

ধারা ১৬৭ এবার।

“ধারা ১৬৭ : সরকারি কর্মচারী কর্তৃক ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে ভ্রান্ত দলিল প্রণয়ন করা : কোন ব্যক্তি যদি সরকারি কর্মচারী হয়ে এবং অনুরূপ সরকারি কর্মচারী হিসেবে কোন দলিল প্রণয়ন বা অনুবাদের ভারপ্রাপ্ত হয়ে অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে এমনভাবে দলিলটি প্রণয়ন বা অনুবাদ করেন যা ভুল বলে তিনি জানেন এইরূপ ভুল দলিল প্রণয়ন বা অনুবাদের ফলে অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতি হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও তা করেন, তবে তিনি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবেন।

ধারা ১৬৮ এবার।

“ধারা ১৬৮ : সরকারি কর্মচারী কর্তৃক বেআইনীভাবে ব্যবসায়ে লিপ্ত হওয়া : যদি কোন কর্মচারী সরকারি কর্মচারী হিসেবে ব্যবসায়ে লিপ্ত না হতে আইনত বাধ্য থাকা সত্ত্বেও ব্যবসায়ে লিপ্ত হন, তবে তিনি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দত্তে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবেন।

ধারা ১৬৯ এবার।

“ধারা ১৬৯ : সরকারি কর্মচারী কর্তৃক বেআইনীভাবে সম্পত্তি ক্রয় বা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে দরকষাকষি : যদি কোন সরকারি কর্মচারী হিসেবে কোন বিশেষ সম্পত্তি ক্রয় বা বিক্রয়ের জন্য দরকষাকষি না করতে আইনত বাধ্য থাকা সত্ত্বেও নিজের নামে অথবা অন্য কারো নামে অথবা যুক্তভাবে অথবা অন্যান্যের সাথে অংশ নিয়ে উক্ত সম্পত্তি ক্রয় করেন বা ক্রয় করার জন্য দরকষাকষি করেন, তবে তিনি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবেন; এবং সম্পত্তিটি ক্রয় করা হয়ে থাকলে তা বাজেয়াপ্ত হবে।

ধারা ১৭০এবার।

“ধারা ১৭০ : সরকারি কর্মচারী বলে ছদ্মবেশ ধারণ [Personating a public servant] : কোন ব্যক্তি যদি কোন পদে অধিষ্ঠিত নয় বলে জানা সত্ত্বেও সে পদে অধিষ্ঠিত রয়েছে বলে পরিচয় দেয় অথবা অন্য যে ব্যক্তি যে পদে অধিষ্ঠিত আছে নিজেকে সে পদে অধিষ্ঠিত সে ব্যক্তি বলে ছদ্মবেশ ধারণ করে [pretends to hold any particular office as a public servant] এবং এইরূপ মিথ্যা ছদ্মবেশ ধারণ করে সে পদের অধিকার বলে কোন কাজ করে বা করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম করাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ধারা ১৭১ এবার।

“ধারা ১৭১ : প্রতারণামূলক উদ্দেশ্যে সরকারি কর্মচারীর পরিধেয় পোশাক পরিধান অথবা ব্যবহার্য প্রতীক ধারণ করা [Wearing garb or carrying token used by public servant with fraudulent intent] : কোন ব্যক্তি যদি সরকারি কর্মচারীদের কোন বিশেষ শ্রেণীর আওতাভুক্ত না হওয়া সত্ত্বেও উক্ত শ্রেণীর সরকারি কর্মচারীদের পরিধেয় বা ব্যবহার্য পোশাক বা প্রতীকের সদৃশ পোশাক বা প্রতীক পরিধান বা ব্যবহার করে এবং ইহার ফলে সে সরকারি কর্মচারীদের উক্ত শ্রেণীর আওতাভুক্ত বলে বিশ্বাস সৃষ্টি হবে এইরূপ উদ্দেশ্যে যদি তা করে, অথবা অনুরূপ বিশ্বাস সৃষ্টি হতে পারে বলে জেনেই তা করে, তবে সে ব্যক্তির তিন মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা দুইশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।


১৭১ ধারার পরেই নির্বাচন বিষয়ক অপরাধগুলো প্রসঙ্গে (Of offences relating to elections) আলোচনা আছে ৯ অধ্যায়ের ক অংশ হিসেবে। এই অংশে নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের দ্বারা কৃত অপরাধসমূহের আলোচনা করা আছে। আমরা একটানা সবগুলো ধারা আপনাদের জন্য তুলে রাখলাম। আপাতত এটা নিয়েও কোনো আলোচনার দরকার নেই।

“ধারা ১৭১ ক : ‘নির্বাচন প্রার্থী’, ‘নির্বাচনী অধিকার’ কথা দুইটির সংজ্ঞা : এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যসমূহের পরিপ্রেক্ষিতে –

(ক) নির্বাচন প্রার্থী বলতে কোন নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত ব্যক্তিকে বুঝাবে এবং যে ব্যক্তি কোন নির্বাচনের জল্পনা-কল্পনা চলাকালে উহাতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নিজেকে প্রতিভাত করেন সে ব্যক্তিকেও বুঝাবে। তবে সে ব্যক্তিকে পরে অনুরূপ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হতে হবে;

(খ) নির্বাচনী অধিকার বলতে কোন ব্যক্তির কোন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাড়াবার অথবা না দাড়াবার অথবা প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দিতা হতে নাম প্রত্যাহার করার অথবা ভোট দেওয়ার অথবা ভোটদান হতে বিরত থাকার অধিকারকে বুঝায়।

“ধারা ১৭১ খ : ঘুষখোরী : (১) যদি কোন ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে কোন পারিতোষিক দেয় এবং এই পারিতোষিক প্রদানের লক্ষ্য হয় সে ব্যক্তিকে অথবা, অন্য কোন ব্যক্তিকে নির্বাচনী অধিকার প্রয়োগে প্ররোচিত করা, অথবা অনুরূপ কোন অধিকার প্রয়োগের জন্য কোন ব্যক্তিকে পুরস্কৃত করা, অথবা নিজের জন্য বা অপর কারো জন্য অনুরূপ কোন অধিকার পুরস্কারস্বরূপ অথবা অন্য কোন ব্যক্তিকে অনুরূপ কোন অধিকার প্রয়োগে প্ররোচিত করার বা প্ররোচিত করার চেষ্টার জন্য পুরস্কারস্বরূপ কোন পারিতোষিক গ্রহণ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি ঘুষখোরীর অপরাধে অপরাধী হবে। তবে জনসাধারণের স্বার্থ জড়িত কোন নীতি ঘোষণা অথবা জনসাধারণের স্বার্থ জড়িত কোন কর্মপন্থার প্রতিশ্র“তি দান এই ধারামতে অপরাধ বলে অভিহিত হবে না।

(২) কোন ব্যক্তি যদি কোন পারিতোষিক দানের প্রস্তাব করে বা দিতে সম্মত হয় অথবা সংগ্রহ করার প্রস্তাব করে বা চেষ্টা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি পারিতোষিক দান করে বলে অভিহিত হবে।

(৩) কোন ব্যক্তি যদি কোন পারিতোষিক প্রাপ্ত হয় বা গ্রহণ করতে সম্মত হয় বা প্রাপ্ত হতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি পারিতোষিক গ্রহণ করে বলে অভিহিত হবে এবং যদি কোন ব্যক্তি, যা সে করতে মনস্থ করে নাই তা করার উদ্দেশ্যস্বরূপ অথবা যা সে করে নাই তা করার পুরস্কারস্বরূপ কোন পারিতোষিক গ্রহণ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি পুরস্কারস্বরূপ পারিতোষিক গ্রহণ করেছে বলে অভিহিত হবে।

“ধারা ১৭১ গ : নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার : (১) কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনী অধিকারের অবাধ বা স্বাধীন প্রয়োগে ইচ্ছাপূর্বক হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে, হবে সে ব্যক্তি নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তারের অপরাধে অপরাধী হবে।

(২) উপযুক্ত (১) উপধারার বিধানসমূহের ব্যাপকতা ক্ষুন্ন না করে, বলা যাচ্ছে বলা যাচ্ছে যে, যদি কোন ব্যক্তি-

(ক) কোন প্রার্থী কিংবা ভোটদাতাকে, অথবা কোন প্রার্থী বা ভোটদাতা যে ব্যক্তির সাথে স্বার্থ বা সম্পর্ক সংশ্লিষ্ট সে ব্যক্তিকে কোন প্রকারের ক্ষতির হুমকি প্রদর্শন করে, অথবা

(খ) কোন প্রার্থীকে বা ভোট দাতাকে কিংবা কোন প্রার্থী বা ভোটার যে ব্যক্তির সাথে স্বার্থ বা সম্পর্ক সংশ্লিষ্ট সে ব্যক্তিকে বিশ্বাস করায় বা বিশ্বাস করাতে চেষ্টা করে যে, তিনি বিধাতার রোষে পতিত হবেন বা আধ্যাত্মিক নিন্দাভাজন হবেন, তবে উক্ত ব্যক্তি (১) উপধারার অর্থ অনুযায়ী অনুরূপ প্রার্থী বা ভোট দাতার নির্বাচনী অধিকারের অবাধ বা স্বাধীন প্রয়োগে হস্তক্ষেপ করেছে বলে পরিগণিত হবে।

(৩) জনসাধারণের স্বার্থজড়িত কোন নীতি ঘোষণা বা জনসাধারণের স্বার্থ জড়িত কোন কর্মপন্থা প্রতিশ্র“তিদান অথবা কোন নির্বাচনী অধিকারে হস্তক্ষেপ করার উদ্দেশ্য ছাড়া কেবলমাত্র একটি আইনানুগ অধিকার প্রয়োগ এই ধারার অর্থ অনুযায়ী হস্তক্ষেপ বলে পরিগণিত হবে না।

“ধারা ১৭১ ঘ : নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয় দান : কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অপর কোন জীবিত বা মৃত ব্যক্তির নামে ভোটের কাগজের জন্য প্রার্থনা করে বা অপর কোন জীবিত বা মৃত ব্যক্তির নামে ভোটদান করে বা কোন ব্যক্তির নামে ভোটের কাগজ প্রার্থনা বা ভোটদান করে অথবা অনুরূপ নির্বাচনে একবার ভোটদানের পর পুনরায় একই নির্বাচনে নিজের নামে ভোটের কাগজ চায় এবং কোন ব্যক্তি যদি অনুরূপ কোন উপায়ে কোন ব্যক্তি দ্বারা ভোটদানে সহায়তা করে বা অনুরূপ কোন উপায়ে কোন ব্যক্তির ভোট সংগ্রহ করে বা সংগ্রহ করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধে অপরাধী হবে।

“ধারা ১৭১ ঙ : ঘুষখোরীর সাজা : কোন ব্যক্তি যদি ঘুষখোরীর অপরাধ করে তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; তবে আপ্যায়ন দ্বারা ঘুষখোরীর অপরাধ করলে তজ্জন্য শুধু অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা : আপ্যায়ন বলতে খাদ্য, পানীয়, প্রমোদ বা রসদ আকারে পরিতোষিক দ্বারা ঘুষখোরী বুঝায়।

“ধারা ১৭১ চ : নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের সাজা : কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ১৭১ ছ : নির্বাচন সম্পর্কে মিথ্যা বিবৃতিদান : কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে কোন প্রার্থীর ব্যক্তিগত চরিত্র বা আচরণ সম্পর্কে সত্য ঘটনা বলে এমন কোন বিবৃতি দান বা বিবরণ প্রকাশ করে যা মিথ্যা এবং যা সে মিথ্যা বলে জানে বা বিশ্বাস করে কিংবা সত্য বলে বিশ্বাস করে না, তবে সে ব্যক্তি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

“ধারা ১৭১ জ। নির্বাচন সম্পর্কে অবৈধ অর্থ প্রদান : কোন ব্যক্তি যদি লিখিতভাবে কোন প্রার্থীর সাধারণ বা বিশেষ অনুমোদন ছাড়া সে প্রার্থীর নির্বাচনে সাহায্য করার বা সে প্রার্থীর নির্বাচনে সাফল্য লাভের উদ্দেশ্যে কোন জনসভার বা বিজ্ঞাপণের বা সার্কুলারের বা প্রকাশনার জন্য বা অপর কোন খাতে অর্থ ব্যয় করে বা অর্থ ব্যয়ের অনুমতি দেয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে। তবে, কোন ব্যক্তি যদি অনুমোদন ছাড়াই অনধিক দশ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করার পর অনুরূপ ব্যয় করার তারিখ হতে পরবর্তী দশ দিনের মধ্যে প্রার্থীর লিখিত অনুমোদন লাভ করে, তবে সে ব্যক্তি প্রার্থীর অনুমোদন নিয়েই অনুরূপ ব্যয় করেছে বলে পরিগণিত করা হবে।

“ধারা ১৭১ ঝ : নির্বাচনী বিষয়ক খরচের হিসাব না রাখা : হাজির সময়ে বলবৎ কোন আইন অনুযায়ী অথবা আইনের মর্যাদাসম্পন্ন কোন নিয়ম বা রীতি অনুযায়ী কোন নির্বাচনে বা নির্বাচন প্রসঙ্গে ব্যয়িত অর্থের হিসাব রাখতে বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি যদি অনুরূপ হিসাব না রাখে তা হলে সে ব্যক্তি পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।



/6
50

3 minutes 36 seconds


Penal Code [161-171]

এখানে দণ্ডবিধির ১৬১-১৭১ ধারাসমূহ নিয়ে এমসিকিউ টেস্ট আছে। সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো পড়ে নিয়ে এটি অনুশীলন করুন।

এখানে আপনার নাম ও ফোন নাম্বার লিখুন। ইমেইলটি লেখা বাধ্যতামূলক নয়; তবে, ইমেইল এড্রেস দিলে আপনার ইমেইলে বিস্তারিত ফলাফল চলে যাবে।

1 / 6

‘পারিতোষিক’ এর সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কত ধারায় দেওয়া আছে?

2 / 6

নিচে বর্ণিত দণ্ডবিধির কোন ধারায় ঘুষ বা পারিতোষিক এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে?

3 / 6

ঘুষ বা পারিতোষিক গ্রহণের সাধারণ শাস্তি দণ্ডবিধির কত ধারায় উল্লে­খ করা আছে?

4 / 6

‘আইনসঙ্গত পারিশ্রমিক’ এর সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কত ধারায় দেওয়া আছে?

5 / 6

সরকারি কর্মচারীর ছদ্মবেশ ধারণ দণ্ডবিধির কত ধারা অনুযায়ী অপরাধ?

6 / 6

প্রতারণার উদ্দেশ্যে সরকারি কর্মচারীর কোনো প্রতীক ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?

Your score is

0%



 

বিগত এমসিকিউ সাফল্য

Registered [2017 & 2020 MCQ]

Passed Students [2017 & 2020 MCQ]

Registered [MCQ Exam of 2021]