ঘরে বসেই লাইভ ভিডিওতে
প্রতি মাসে মাত্র ৮০০/- টাকায়

MCQ পরীক্ষার প্রস্তুতি!

ভর্তি হতে কল করুন : 01712-908561

Penal Code Lecture 12 [Sec. 172-190]

এখানে দণ্ডবিধিরসরকারী কর্মচারীদের আইনসম্মত ক্ষমতার / কর্তৃত্বের অবমাননা প্রসঙ্গে’ বা Contempt of the lawful authority of public servants শিরোনামে আলোচনা রয়েছে যেখানে ধারার বিস্তৃতি ১৭২-১৯০ ধারা। এটির সাথে আগের অধ্যায়ের সামান্য পার্থক্য আছে যা কিনা শিরোনাম দুইটি মনোযোগ দিয়ে পড়লেই বোঝা যায়। তবে, বিশেষ করে মনে রাখবেন যে, দণ্ডবিধিতে এখানে পরপর দুইটি অধ্যায়ই সরকারী কর্মচারী সংক্রান্ত অপরাধ নিয়ে আলোচনা করেছে। 

Penal Code : Lecture 12

Contempt of the lawful authority of public servants : সরকারী কর্মচারীদের আইনসম্মত ক্ষমতার / কর্তৃত্বের অবমাননা প্রসঙ্গে


ফাঁকিবাজি : ১৭২-১৭৭ এবং ১৮৮! 🙂


ম্যাপিং : এবারে আলোচনার বিষয় সরকারী কর্মচারীদের আইনসম্মত ক্ষমতার / কর্তৃত্বের অবমাননা প্রসঙ্গে বা Contempt of the lawful authority of public servants। এই অধ্যায়টি ১৭২ ধারা থেকে ১৯০ পর্যন্ত বিস্তৃত। এটা দণ্ডবিধির ১০ম অধ্যায়। সরকারী কর্মচারী বা কর্মকর্তা কোনো আইনসম্মত কাজের দায়িত্ব পান তখন সেটাতে বাধা দেয়া বা অমান্য করা একটি অপরাধ। ধরা যাক, সমন মারফত কোনো একজনকে কোনো মামলার স্বাক্ষী হিসেবে কোনো আদালত হাজির হবার নির্দেশ প্রদান করলো। কিন্তু সে হাজির না হয়ে আদালতের নির্দেশ বা সরকারী কর্মকর্তার আইনসম্মত নির্দেশ পালন না করে সেটার অবমাননা করলো। এক্ষেত্রে এটি একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আবার এরকম কোনো আইনসম্মত কাজকে কেউ বাধা প্রদান করলো, সেটাও দণ্ডবিধি অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই সমস্ত বিষয় নিয়েই এই অধ্যায়ের আলোচনা।

আমরা এর ঠিক আগের লেকচারটির মতোই এই অধ্যায়ের জন্যও পরামর্শ থাকবে, চাপ লাগলে এই অধ্যায়টি স্কিপ করে যেতে পারেন। নো প্রবলেম। কোনো পরীক্ষাতেই কোনো প্রশ্ন আসেনি এই অধ্যায় থেকে। তবে কিছু বিষয় জেনে রাখা অবশ্যই ভালো, বিশেষ করে জুডিসিয়ারি পরীক্ষার জন্য।

মূল আলোচনা
এই অধ্যায়ের আলোচনা বিশেষ কিছু করা হলো না। ধারাগুলো দেখতে থাকুন।

“ধারা ১৭২ : সমনজারী বা অপর কোন কার্যক্রম এড়াবার উদ্দেশ্যে আত্মগোপন করা : কোন ব্যক্তি যদি তার উপর কোন সমন, নোটিশ বা আদেশ জারী করার ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারি কর্মচারী কর্তৃক তার উপর অনুরূপ কোন সমন, নোটিশ বা আদেশ জারী এড়াবার উদ্দেশ্যে পলাতক হয় বা আত্মগোপন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে [shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month] অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; অথবা সমন বা নোটিশ বা আদেশ যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত উপস্থিত হওয়ার অথবা কোন আদালতে কোন দলিল পেশের নির্দেশমূলক হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

এই ধারায় দুইটি অংশ। একটি হলো – সমন জারি এড়াবার উদ্দেশ্যে আত্মগোপণ করা। অন্যটি হলো – আত্মগোপণ করলোনা, কিন্তু সমন পেয়েও আদালতের নির্দেশ অমান্য করা। প্রথমটিতে কম শাস্তি। দ্বিতীয়টিতে শাস্তির পরিমাণ স্বাভাবিকভাবেই বেশি। মূল ধারাটি থেকেই বোল্ড-আন্ডারলাইন খেয়াল করে আবারো পড়ে নিন। ১৭২ ধারাটির সাথে মিল অমিল খেয়াল রেখে ১৭৩ ধারাটি এবার পড়ুন।

“ধারা ১৭৩ : সমন জারী করা বা অপর কোন কার্যক্রমে বাধার সৃষ্টি করা, অথবা উহার প্রকাশনায় বাধার সৃষ্টি করা : কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাপূর্বক তার বা অপর কোন ব্যক্তির উপর কোন সমন, নোটিশ বা আদেশ জারী করতে ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারি কর্মচারী কর্তৃক তার উপর বা অন্য কোন ব্যক্তির উপর অনুরূপ কোন সমন বা নোটিশ বা আদেশ জারী বন্ধ করে বা বাধার সৃষ্টি করে; অথবা ইচ্ছাপূর্বক অনুরূপ সমন, নোটিশ বা আদেশ কোন স্থানে আইনসম্মত ভাবে টানিয়ে বা লাগিয়ে দেওয়া বন্ধ করে বা বাধার সৃষ্টি করে, অথব ইচ্ছাপূর্বক যে স্থানে অনুরূপ সমন, নোটিশ বা আদেশ আইনসম্মতভাবে টানিয়ে বা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে সে স্থান হতে উহা অপসারিত করে, অথবা ইচ্ছাপূর্বক আইনসম্মতভাবে কোন ঘোষণা প্রচার বা প্রকাশ করার নির্দেশদানের আইনানুগ ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারি কর্মচারীর অনুমতি অনুসারে অনুরূপ কোন ঘোষণার আইনসম্মত প্রচার বা প্রকাশ বন্ধ করে বা বাধার সৃষ্টি করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত উপস্থিত হওয়ার কিংবা কোন আদালতে কোন দলিল পেশের নির্দেশমূলক হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

তার মানে শাস্তি কিন্তু একই! ১৭৪ ও ১৭৫ ধারাতেও একই কাহিনী। যে ফর্মেই হোক না কেন, আদালত অবমাননার প্রায় কাছাকাছি রকমের অপরাধে একই শাস্তি। সবগুলোই বিনাশ্রম। ১৭৬ ধারাতেও শেষের অংশটুকুতে শুধু সশ্রম একটি শাস্তির কথা বলা আছে। ১৭৭ ধারায় মিথ্যা তথ্য পরিবেশনের শাস্তির তথ্যও মনে রাখুন।  এটুকু মনে রাখতে পারলে এখান থেকে আসা বেসিক প্রশ্নের উত্তর করা এক্কেবারে সোজা। ধারাগুলো পড়ে নিন অন্তত একবার।

“ধারা ১৭৪ : সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া : কোন ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হিসেবে আইনত কোন সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা জারী করার ক্ষমতাসম্পন্ন অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর নিকট থেকে উদ্ভূত অনুরূপ সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার আজ্ঞানুযায়ী স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন নির্দিষ্ট স্থানে এবং সময়ে হাজির হওয়ার জন্য আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও ইচ্ছাকৃত সে স্থানে ও সময়ে উপস্থিত না হয় অথবা যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে যখন তার প্রস্থান করা আইনসম্মত হতো তার আগেই প্রস্থান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণসমূহ :

(ক) ক বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

(খ) ক-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। ক এ সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু ক ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

“ধারা ১৭৫ : সরকারি কর্মচারীর কাছে দলিল দাখিল করতে আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও তা দখিল না করা : কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারি কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারি কর্মচারী বলেই, কোন দলিল দাখিল করতে বা হস্তান্তর করতে আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও ইচ্ছাকৃত তা দাখিল বা হস্তান্তর না করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত অর্থ অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; অথবা দলিলটি যদি কোন বিচারালয়ে দাখিল বা সমর্পিত হওয়ার নির্দেশ হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থ অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ : ক কোন জেলা আদালতে একটি দলিল দাখিল করতে বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও ইচ্ছাপূর্বক উহা দাখিল করে না। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে

“ধারা ১৭৬ : সরকারি কর্মচারীর কাছে নোটিশ বা খবর দিতে আইনত বাধ্য ব্যক্তি দ্বারা তা না করা : কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারি কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারি কর্মচারী বলেই কোন নোটিশ বা খবর দিতে আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও, আইনের নির্দেশিত পদ্ধতিতে ও সময়ে অনুরূপ নোটিশ বা খবর না দেয়, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে বা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; অথবা আবশ্যকীয় নোটিশ বা তথ্যটি যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয় বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয় বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; অথবা সংশ্লিষ্ট নোটিশ বা খবরটি যদি ১৮৯৮ সালের ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৬৫ ধারার (১) উপধারামতে প্রদত্ত কোন আদেশ অনুযায়ী আবশ্যকীয় হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ১৭৭ : মিথ্যা তথ্য পরিবেশন : কোন তথ্য দিতে আইনত বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; অথবা উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণসমূহ :

(ক) ক জনৈক জমিদার। সে জানে যে, তার জমিদারীর এলাকার মধ্যে একটি খুনের অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু সে জেলার ম্যাজিস্ট্রেটকে ইচ্ছাপূর্বক এইরূপ ভ্রান্ত খবর দেয় যে, সর্প দংশনের ফলে দুর্ঘটনা-ক্রমেই মৃত্যুটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে।

(খ) ক জনৈক গ্রাম্য চৌকিদার। সে জানে যে, বড় একদল অপরিচিত ব্যক্তি তার গ্রামের মধ্য দিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামের ধনী বাসিন্দা চ-এর বাড়িতে ডাকাতি করতে গিয়েছে। ক বর্তমানে কার্যকর কোন আইন অনুযায়ী অবিলম্বে ও যথাসময়ে নিকটতম থানার কর্মকর্তাকে এই খবর দিতে বাধ্য, কিন্তু সে ইচ্ছাপূর্বক থানার কর্মকর্তাকে এই বলে ভুল খবর দেয় যে, একদল সন্দেহভাজন চরিত্রের ব্যক্তি তার গ্রামের মধ্য দিয়ে ভিন্ন দিকে এক দূরবর্তী স্থানে ডাকাতি করতে গিয়েছে। এই ক্ষেত্রে ক এই ধারার শেষাংশে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে।

ব্যাখ্যা : ১৭৬ ধারায় ও এই ধারায় ‘অপরাধ’ কথাটি বলতে বাংলাদেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত হলে যে কাজ নিম্নোক্ত ধারাসমূহে যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হতো, দেশের বাইরে যে কোন স্থানে অনুরূপ কোন কাজ অনুষ্ঠিত হলে তা বুঝাবে যথা- ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ ও ৪৬০ ধারা; এবং অপরাধী বলতে অনুরূপ যে কোন কার্যের জন্য অপরাধী বলে অভিযুক্ত যে কোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।

“ধারা ১৭৮ : সরকারি কর্মচারী কর্তৃক যথার্থভাবে নির্দেশিত হওয়া সত্ত্বেও শপথ বা অঙ্গীকার করতে অস্বীকার করা : কোন ব্যক্তি যদি আইনানুগভাবে ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারি কর্মচারী কর্তৃক সত্য বলার শপথ বা অঙ্গীকারে আবদ্ধ হওয়ার জন্য নির্দেশিত হওয়ার পর অনুরূপ আবদ্ধ হতে অস্বীকার করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ জরিমানা দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ১৭৯ : প্রশ্ন করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীর প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করা : যদি কোন সরকারি কর্মচারীর কাছে কোন বিষয়ে সত্য বিবরণ দিতে আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও অনুরূপ সরকারি কর্মচারী তার সরকারি কর্মচারীর আইনানুগ ক্ষমতাবলে তার কাছে অনুরূপ বিষয় বিষয়ক কোন প্রশ্নের জবাব দাবি করার পর উহার জবাব দিতে অস্বীকার করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“১৮০ : বিবৃতিতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করা : যদি কোন ব্যক্তি যদি তাকে তার প্রদত্ত বিবৃতিতে স্বাক্ষর দান করার নির্দেশ দেওয়ার আইনানুগ স্বাক্ষর ক্ষমতাসম্পন্ন সরকারি কর্মচারী কর্তৃক অনুরূপ বিবৃতিতে স্বাক্ষরদান করতে নির্দেশিত হওয়ার পর স্বাক্ষরদানে অস্বীকৃত হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ১৮১ : সরকারি কর্মচারীদের কাছে শপথ বা অঙ্গীকার গ্রহণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে শপথ বা অঙ্গীকার গ্রহণান্তর মিথ্যা বিবৃতিদান : কোন ব্যক্তি যদি কোন বিষয়ে তার শপথ বা অঙ্গীকার গ্রহণের আইনানুগ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন সরকারি কর্মচারীর বা অন্য কোন ব্যক্তির কাছে বিবৃতি দিতে আইনত বাধ্য হয়েও শপথ বা অঙ্গীকার গ্রহণান্তর উক্ত বিষয় সম্পর্কে উক্ত সরকারি কর্মচারী বা অনুরূপ ব্যক্তির কাছে এমন কোন বিবরণ বা বিবৃতি প্রদান করে, যা মিথ্যা এবং যা সত্য বলে সে বিশ্বাস করে না, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

“ধারা ১৮২ : সরকারি কর্মচারীকে অপর কোন ব্যক্তির পক্ষে ক্ষতিকর কার্যে তার আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা খবর দেওয়া : কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারি কর্মচারীর কাছে এমন কোন খবর দেয়, যা মিথ্যা বলে সে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে সে বিশ্বাস করে, এবং অনুরূপ সরকারি কর্মচারীকে  নিম্নরূপ কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যেই অথবা অনুরূপ সরকারি কর্মচারী নিম্নরূপ কাজ করতে প্রবৃত্ত হতে পারে জেনেই তা করে-

(ক) যে বিষয়ে খবর দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে প্রকৃত তথ্য জানা থাকলে উক্ত সরকারি কর্মচারীর যা করা অথবা না করা উচিত হতো না তা করতে প্রবৃত্ত করা, কিংবা

(খ) কারো পক্ষে ক্ষতিকর বা বিরক্তিকরভাবে অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর আইনসঙ্গত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে প্রবৃত্ত করা,

তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণসমূহ :

(ক) ক জনৈক ম্যাজিস্ট্রেটকে জানায় যে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের আওতায় পুলিশ কর্মকর্তা চ কর্তব্যে অবহেলার বা অসদাচরণের জন্য অপরাধী। ক জানে যে, এই তথ্যটি মিথ্যা এবং ক এটা জানে যে, এই মিথ্যা খবর দেওয়ার ফলে সম্ভবত উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট চ-কে বরখাস্ত করবেন। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

(খ) ক জনৈক সরকারি কর্মচারীকে এই মর্মে মিথ্যা সংবাদ দেয় যে, চ কোন গোপন স্থানে বেআইনী লবণ লুকিয়েছে। ক জানে যে, সংবাদটি মিথ্যা এবং ক ইহার জানে যে, সরকারি কর্মচারীকে এই মিথ্যা সংবাদ দেওয়ার ফলে চ-এর গৃহাঙ্গণে তল্লাশি হবে এবং চ-এর বিরক্তি উৎপাদন করা হবে । ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

(গ) ক জনৈক পুলিশের ব্যক্তিকে কোন বিশেষ গ্রামের পাশে সে প্রহৃত ও লুণ্ঠিত হয়েছে বলে মিথ্যা সংবাদ দেয়। সে তার আক্রমণকারী হিসেবে কোন ব্যক্তির নামোল্লেখ করে না; কিন্তু সে জানে যে, তার এই মিথ্যা সংবাদ দেওয়ার ফলে পুলিশ তদন্ত করতে ওই গ্রামে তল্লাশি চালাতে পারে এবং তাতে গ্রামবাসীদের সকলের বা কারো কারো বিরক্তি উৎপাদন করা হবে। ক এই ধারামতে একটি অপরাধ করেছে।

“ধারা ১৮৩ : কোন সরকারি কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতাবলে সম্পত্তি দখলে বাধা দান : কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারি কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতাবলে কোন সম্পত্তি দখলে বাধাদান করে এবং উক্ত সরকারি কর্মচারী অনুরূপ সরকারি কর্মচারী বলে সে জানে বা সেরূপ বিশ্বাস করার তার কোন কারণ থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদেণ্ড অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ১৮৪ : সরকারি কর্মচারীর ক্ষমতাবলে বিক্রয়ের জন্য উপস্থাপিত সম্পত্তি বিক্রয়ে বাধাদান : সরকারি কর্মচারী কর্তৃক সরকারি কর্মচারী হিসেবে আইনসম্মত ক্ষমতাবলে নিলামে বিক্রয়ের জন্য উপস্থাপিত সম্পত্তি বিক্রয়ে কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাপূর্বক বাধাদান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ১৮৫ : সরকারি কর্মচারীর ক্ষমতা বলে বিক্রয়ের জন্য উপস্থাপিত সম্পত্তি অবৈধভাবে ক্রয় বা ক্রয়ের জন্য দরদাম করা : কোন সরকারি কর্মচারী কর্তৃক সরকারি কর্মচারী হিসেবে তাঁর আইনসম্মত ক্ষমতানুসারে কোন সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ে যদি এমন কোন ব্যক্তি তার নিজের বা অন্য কোন ব্যক্তির নামে উক্ত সম্পত্তি ক্রয় করে বা ক্রয় করার জন্য নিলাম ডাকে, সে জানে যে, সে ব্যক্তি উক্ত নিলামে সে সম্পত্তি ক্রয় করতে আইনের দিক হতে অপারগ, অথবা নিলাম ডাকার ফলে সে যে বাধ্যবাধকতায় আবদ্ধ হবে, তা পূরণ করবে না বলে মনস্থ করে নিলাম ডাকে, তবে সে ব্যক্তি একমাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা দুইশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ১৮৬ : সরকারি কর্মচারীকে কাজ সম্পাদনে বাধা দান করা : কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারি কর্মচারীদের সরকারি কার্যাবলী সম্পাদনে ইচ্ছাপূর্বক বাধাদান করে, তবে সে ব্যক্তি তিন মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ১৮৭ : সরকারি কর্মচারীকে সহায়তা করতে আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও তাদের অনুরূপ সহায়তা না করা : কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারি কর্মচারীকে তাঁর সরকারি কর্তব্য সম্পাদনে সহায়তা করতে বা সহায়তা সংগ্রহ করে দিতে আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও অনুরূপ সহায়তা দিতে ইচ্ছাপূর্বক অন্যথা করে, তবে সে ব্যক্তি একমাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা দুইশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; এবং অনুরূপ সহায়তা যদি কোন আদালত হতে আইনসম্মতভাবে দেওয়া সমনাদি বলবৎ করার জন্য অথবা কোন অপরাধের সংঘটন নিবারণের জন্য, অথবা কোন দাঙ্গা বা কলহ দমনের জন্য অথবা কোন অপরাধে বা আইনসম্মত আটক হতে পলায়নের দায়ে অভিযুক্ত বা অপরাধী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার জন্য সহায়তা দাবি করতে আইনসম্মতভাবে ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারি কর্মচারী দাবি করে থাকেন, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে, কিংবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ১৮৮ : সরকারি কর্মচারী কর্তৃক যথারীতি জারীকৃত আদেশ অমান্য করা : কোন ব্যক্তি যদি কোন আদেশ জারী করতে বিধিসঙ্গতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন সরকারি কর্মচারী কর্তৃক জারীকৃত আদেশে তাকে কোন বিশেষ কাজ হতে বিরত থাকার অথবা তার দখলাধীন বা পরিচালনাধীন কোন সম্পত্তি সম্পর্কে কোন বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশদান করা হয়েছে জানা সত্ত্বেও অনুরূপ নির্দেশ অমান্য করে, তবে, যদি অনুরূপ অবাধ্যতার ফলে আইনসম্মতভাবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির বিঘ্ন হয়, বিরক্তি উৎপাদিত হয় বা ক্ষতি সাধিত হয় অথবা, বিঘ্ন, বিরক্তি বা ক্ষতির অনুষ্ঠিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয় তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা দুইশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে। এবং যদি অনুরূপ অবাধ্যতার ফলে মানবদেহ, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ অনুষ্ঠিত হয় কিংবা অনুরূপ বিপদ অনুষ্ঠিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয় অথবা কোন দাঙ্গা বা কলহ অনুষ্ঠিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়, তবে সে ব্যক্তি য় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা : অপরাধী কর্তৃক কোনরূপ ক্ষতিসাধনের ইচ্ছা পোষণ বা তার অবাধ্যতা কর্তৃক ক্ষতিসাধনের আশঙ্কা সৃষ্টির অভিসন্ধি থাকা আবশ্যিক নয়। যে আদেশ অমান্য করে তৎসম্পর্কে তার অবহিতি এবং তার অবাধ্যতা থেকে ক্ষতিসাধন বা ক্ষতিসাধনের আশঙ্কা সৃষ্টিই যথেষ্ট বলে পরিগণিত হবে।

উদাহরণ : কোন আদেশ জারী করতে আইনসম্মতভাবে ক্ষমতাসম্পন্ন জনৈক সরকারি কর্মচারী অনুরূপ আদেশ জারী করে নির্দেশ দেয় যে, একটি ধর্মীয় শোভাযাত্রা বা মিছিল কোন বিশেষ রাস্তা দিয়ে যাবে না। ক জ্ঞাতসারে এই আদেশ অমান্য করে এবং তদ্বারা দাঙ্গার সম্ভাবনা সৃষ্টি করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

“ধারা ১৮৯ : সরকারি কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি : কোন সরকারি কর্মচারী হিসেবে তার সরকারি কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারি কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারি কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ১৯০ : সরকারি কর্মচারীর কাছে আশ্রয়ের আবেদন হতে বিরত হওয়ার জন্য কোন ব্যক্তিকে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে তাকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন : কোন ব্যক্তি যদি কাউকে ক্ষতির হুমকি হতে আশ্রয় লাভের ব্যবস্থা করতে বা করাইতে আইনসম্মত ক্ষমতাপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীর কাছে আশ্রয়ের আবেদন করা হতে বিরত করার উদ্দেশ্যে তাকে অনুরূপ ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।



/7
43

4 minutes 12 seconds


Penal Code [172-190]

এখানে দণ্ডবিধির ১৭২-১৯০ ধারাসমূহ নিয়ে এমসিকিউ টেস্ট আছে। সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো পড়ে নিয়ে এটি অনুশীলন করুন।

এখানে আপনার নাম ও ফোন নাম্বার লিখুন। ইমেইলটি লেখা বাধ্যতামূলক নয়; তবে, ইমেইল এড্রেস দিলে আপনার ইমেইলে বিস্তারিত ফলাফল চলে যাবে।

1 / 7

আদালতে দলিল পেশের নির্দেশমূলক হয়ে থাকা সত্বেও দলিল হাজির না করলে কী শাস্তি হতে পারে?

2 / 7

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সমনপ্রাপ্ত মি. করিম নির্দিষ্ট দিনে আদালতে গরহাজির থাকলে তার শাস্তি নিচের কোনটি হতে পারে?

3 / 7

সমনজারির কার্যক্রম এড়ানোর জন্য আত্মগোপণ করার সংজ্ঞা কোন আইনের কত ধারার বিষয়বস্তু?

4 / 7

সমন জারি কার্যক্রমে বাঁধার সৃষ্টি করলে নিচের কোন শাস্তি দণ্ডবিধি অনুযায়ী প্রাপ্য হতে পারে?

5 / 7

সমন জারি এড়াবার উদ্দেশ্যে আত্মগোপন করলে তার শাস্তি নিচের কোনটি হতে পারে?

6 / 7

জেলা জজের নির্দেশে সমনপ্রাপ্ত মি. করিম কোনো ব্যক্তি নির্দিষ্ট দিনে গরহাজির থাকলে তার শাস্তি নিচের কোনটি হতে পারে?

7 / 7

অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি কী?

Your score is

0%



বিগত এমসিকিউ সাফল্য

Registered [2017 & 2020 MCQ]

Passed Students [2017 & 2020 MCQ]

Registered [MCQ Exam of 2021]