ঘরে বসেই লাইভ ভিডিওতে
প্রতি মাসে মাত্র ৮০০/- টাকায়

MCQ পরীক্ষার প্রস্তুতি!

ভর্তি হতে কল করুন : 01712-908561

Penal Code Lecture 15 [Sec. 264-298]

এখানে দণ্ডবিধির বেশ কয়েকটি অধ্যায় ধরে আলোচনা আছে যে আলোচনাটি এগিয়েছে ২৬৪ ধারা থেকে ২৯৮ ধারা পর্যন্ত। ওজন সংক্রান্ত অপরাধ, গণউপদ্রব, খাদ্যে বা ওষুধে ভেজাল, ধর্ম সংক্রান্ত অপরাধসমূহ ইত্যাদি বিষয় আলোচনা আছে। ছোট ছোট টপিক এবং প্রায় একই ধরনের শাস্তির বিধান বর্ণিত থাকায় মনে রাখা খুব একটা কঠিন নয়। 

Penal Code : Lecture 15

Offences relating to weight and measures : ওজন ও মাপ সংক্রান্ত অপরাধ সম্পর্কে

এবং

Offences affecting the public health safety, convenience decency and moral : জনস্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, সুবিধা, শালীনতা ও নৈতিকতা বিরোধী অপরাধসমূহ প্রসঙ্গে


ফোকাস : ২৬৪-২৬৭, ২৬৮-২৬৯, ২৭২-২৭৩, ২৭৯, ২৮৫-২৮৮, ২৯২-২৯৩ ধারা।


ম্যাপিং : এবারে বার কাউন্সিলের সিলেবাসে উল্লেখিত দুইটি বিষয় একসাথে এই লেকচারে আলোচনা করা হলো। প্রথমটি ওজন ও মাপ সংক্রান্ত অপরাধ সম্পর্কে বা Offences relating to weight and measures। এটা দণ্ডবিধির ১৩ অধ্যায়। ২৬৪ ধারা থেকে ২৬৭ ধারা পর্যন্ত এই অধ্যায়ের আলোচনা। একদম ছোট অধ্যায়। মাত্র ৪ টি ধারা। এখান থেকে থেকে কখনো কোনো প্রশ্ন আসেনি। সাধারণ জ্ঞান আকারে হলেও এই অধ্যায়ের বেসিক ধারণাটা নিয়ে রাখুন। সিলেবাসে উল্লেখিত দ্বিতীয়টি হলো – জনস্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, সুবিধা, শালীনতা ও নৈতিকতা বিরোধী অপরাধসমূহ প্রসঙ্গে বা Offences affecting the public health safety, convenience decency and moralএটা দণ্ডবিধির ১৪ অধ্যায়। ২৬৮ ধারা থেকে ২৯৪ ধারা পর্যন্ত এই অধ্যায়ের আলোচনা। একটিবারও কোনো প্রশ্ন আসেনি এখান থেকে।

এর বাইরে,  এর পরের অধ্যায় ১৫। বিষয়বস্তু : ‘ধর্মসংক্রান্ত অপরাধসমূহ সম্পর্কিত’। এটা সিলেবাসে নেই। ছোট চ্যাপটার। ২৯৫ থেকে ২৯৮। কিন্তু আমাদের সমাজের বর্তমান বাস্তবতায় এই চ্যাপটার জেনে রাখা জরুরি। আমরা ঐ ধারাগুলো অন্তত উল্লেখ করে রাখলাম। পড়ে নেবেন আগ্রহ থাকলে। শুধু পরীক্ষার পেছনে ছুটবেন এ কেমন কথা?! 🙂

মূল আলোচনা [ওজন ও মাপ সংক্রান্ত অপরাধ সম্পর্কে]
এত ছোট ও সংক্ষিপ্ত এই অধ্যায় যে, এর ওপর আর কোনো আলোচনারই প্রয়োজন নেই। এই অধ্যায়ের ৪ টি ধারার প্রতিটিতেই শাস্তির বর্ণনা আছে। মজার ব্যাপার হলো ওজন ও মাপ সম্পর্কে সব অপরাধের শাস্তি একই। সর্বোচ্চ এক বছর, সশ্রম / বিনাশ্রম অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয়ই। এই এক (১) বছরের ব্যাপারটা ঠিকভাবে মনে রাখলেই চলবে। সাথে মনে রাখবেন ২৬৪ থেকে ২৬৭ ধারায় ওজন ও মাপ সংক্রান্ত ধারাগুলো আছে। ব্যস। ওজন ও মাপ সম্পর্কে অপরাধগুলো কেমন হয়? ৪ টি ধারায় ৪ টি ভিন্ন ভিন্ন অপরাধের কথা বলা আছে। সেগুলো হলো :

  1. মিথ্যা যন্ত্র ব্যবহার করা
  2. মিথ্যা ওজন বা মাপ (বাটখারা) ব্যবহার করা
  3. মিথ্যা যন্ত্র বা মিথ্যা মাপ জ্ঞাতসারে ও প্রতারণার উদ্দেশ্যে নিজের কাছে রাখা
  4. মিথ্যা মাপ বা বাটখারা তৈরি ও বিক্রয় করা

এই চারটি অপরাধের একটিই শাস্তিসর্বোচ্চ এক বছর মেয়াদের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয়ই। এটা নিয়ে আলোচনা করা মানে প্রহসন করা! 🙂 এই প্রহসন জনগণ মানবে না! [অট্টহাসির ইমো হপে]

“ধারা ২৬৪ : ওজনের জন্য প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা যন্ত্র ব্যবহার করা : কোন ব্যক্তি যদি প্রতারণামূলকভাবে ওজনের জন্য এমন কোন যন্ত্র ব্যবহার করে, যা মিথ্যা বলে সে জানে, তবে – সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৬৫ : প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা ওজন কিংবা মাপ ব্যবহার করা : কোন ব্যক্তি যদি প্রতারণামূলকভাবে কোন মিথ্যা ওজন কিংবা দৈর্ঘ্যের বা ধারণশক্তির মাপ ব্যবহার করে, অথবা প্রতারণামূলকভাবে কোন ওজনকে কিংবা দৈর্ঘ্যের বা ধারণশক্তির মাপকে উহা অপেক্ষা ভিন্ন ওজন কিংবা দৈর্ঘ্য বা ধারণশক্তির মাপ হিসেবে ব্যবহার করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৬৬ : মিথ্যা ওজন কিংবা মাপ করা : কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন ওজন, পরিমাপ যন্ত্র বা বাটখারা কিংবা দৈর্ঘ্য বা ধারণ ক্ষমতা মাপবার যন্ত্র রাখে, যা মিথ্যা বলে সে জানে, এবং উহা যাতে প্রতারণামূলকভাবে ব্যবহৃত হতে পারে তদুদ্দেশ্যেই রাখে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম অথবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৬৭ : মিথ্যা বাটখারা কিংবা মাপ তৈরি কিংবা বিক্রয় করা : কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন ওজন বা বাটখারা কিংবা দৈর্ঘ্য বা ধারণশক্তির পরিমাপ যন্ত্র তৈরি করে, বিক্রয় করে বা লেনদেন করে, যা মিথ্যা বলে সে জানে, এবং উহা যাতে সত্য বলে ব্যবহার করা যায়, সে উদ্দেশ্যেই তা করে অথবা উহা সত্য বলে ব্যবহৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।



মূল আলোচনা [জনস্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, সুবিধা, শালীনতা ও নৈতিকতা বিরোধী অপরাধসমূহ প্রসঙ্গে]
খুব বেশি আলোচনার প্রয়োজন নেই। ২৬৮ ধারা পড়বেন অবশ্যই। ২৬৯ থেকে ২৭১ পর্যন্ত আলোচনা বাদ দিচ্ছি আমরা। ধারাগুলো তুলে দিলাম শুধু। এগোতে থাকেন। ২৭২ ধারায় খাদ্যে বা পানীয়তে ভেজাল মিশ্রণ বিষয়ে বলা আছে।

“ধারা ২৬৮ : জনসাধারণের উপদ্রব : যদি কেউ এমন কোন কার্য করে বা এমন কোন কার্য করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থাকে, যার ফলে জনসাধারণের বা সাধারণভাবে নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা অধিবাসী ব্যক্তিদের কোন ক্ষতি হয়, বিপদাশঙ্কা হয় বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়, অথবা যার ফলে যেসব ব্যক্তি কোন সাধারণ অধিকার ব্যবহার করতে যাবে, তাদের ক্ষতিসাধন, ব্যাঘাত, বিপদাশঙ্কা বা বিরক্তি সৃষ্টি হবে, সে ব্যক্তি জনসাধারণের বিরক্তি উৎপাদক কাজ সম্পাদনের ফলে অপরাধী [guilty of a public nuisance] সাব্যস্ত হবে

কোন মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজ কিছু সুবিধা বা সৌকর্য বিধান করেছে – এই অজুহাতে সে মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজটি রেহাই পাবে না

“ধারা ২৬৯ : জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ বিস্তার করতে পারে এবং অবহেলামূলক কার্য : কোন ব্যক্তি যদি বেআইনীভাবে বা অবহেলামূলকভাবে এমন কোন কার্য করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক কোন রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে, তা জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে – সেই ব্যক্তি ছয়মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৭০ : জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ ছড়াইতে পারে এইরূপ কোন বিদ্বেষমূলক কার্য : কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন বিদ্বেষমূলক কার্য করে, যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক কোন রোগের সংক্রমণ বিস্তার করতে পারে, এবং সে কার্য করার দরুণ যে অনুরূপ রোগের সংক্রমণ বিস্তার হতে পারে তা জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৭১ : রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধকল্পে মানুষকে আলাদা রাখা : কোন জাহাজ বা জলযানের উপর কোয়ারেন্টাইন আরোপের জন্য অথবা যেসব জলযানের উপর কোয়ারেন্টাইন আরোপ করা হয়েছে, অপর কোন জাহাজের বা তীরভূমির সাথে তাদের সংযোগ সম্পর্কে, অথবা যেসব স্থানে সংক্রামক ব্যাধির প্রকোপ দেখা দিয়েছে, সে সব স্থানের সাথে অন্যান্য স্থানের যোগাযোগ সম্পর্কে, সরকার দ্বারা প্রণীত ও জারীকৃত কোন বিধি বা নিয়ম কোন ব্যক্তি যদি জ্ঞাতসারে অমান্য করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

এবার ২৭২ ও ২৭৩ ধারা। পড়ে নিন।

“ধারা ২৭২ : বিক্রয়ের জন্য উদ্দীষ্ট খাদ্য বা পানীয় দ্রব্যে ভেজাল মিশ্রণ [Adulteration of food or drink intended for sale] : কোন ব্যক্তি যদি কোন খাদ্য দ্রব্যে বা পানীয় দ্রব্যে ভেজাল মিশ্রণ করে উহাকে খাদ্যদ্রব্য বা পানীয়দ্রব্য হিসেবে অস্বাস্থ্যকর করে ফেলে এবং অনুরূপ খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয়েরই উদ্দেশ্যেই তা করে অথবা উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয় হতে পারে জেনেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৭৩ : ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয় [Sale of noxious food or drink] : কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দ্রব্য, খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয় করে, প্রদান করে বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, যা অস্বাস্থ্যকর করা হয়েছে বা সেরূপ হয়ে গিয়েছে অথবা যা এমন অবস্থায় রয়েছে, যাতে উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ব্যবহারের অনুপযুক্ত এবং উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

মনোযোগ দিয়ে পড়ে থাকলে জানবেন যে, খাদ্য অথবা পানীয়তে শুধুমাত্র ভেজাল মেশানো এর কাজটি একটি অপরাধ। আর ঐ ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয় করা আরেকটি আলাদা অপরাধ। ভেজাল মেশানোর প্রায় সকল অপরাধেই সর্বোচ্চ শাস্তি ৬ মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের জেল। শাস্তি সম্পর্কে এটুকু মনে রাখেন। কাজে দেবে। মনে রাখার ক্ষেত্রে নিজের জীবনে কোনো ভেজাল খাবারের শিকার হয়েছিলেন এমন কোনো ঘটনার কথা মনে করুন। আর সেই লোকটা বা বিক্রেতার কথা মনে করুন। এইবার তাকে মনে মনে ৬ মাসের জেল দিয়ে দেন!! 🙂 আর তক্কে তক্কে থাকুন সামনে কোনোদিন কোনো এক বিক্রেতার ভেজাল খাবার নিয়ে তাকে কোর্টের বারান্দার ভয় দেখাবেন, যেন সে আর কোনোদিন ভেজাল ব্যবসা না করে! আর হ্যাঁ, আর্থিক জরিমানা সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা, তাকে সেটা জানাতেও ভুলবেন না।

যাই হোক ২৭৪ থেকে ২৭৮ এই ৫ টি ধারায় ভেজাল বা দূষণ সম্পর্কে আরো আলোচনা আছে। সেগুলো স্কিপ করে যেতে পারেন। ২৭৯ ধারা দেখতে পারেন সরাসরি।

“ধারা ২৭৪ : ঔষধ বা চিকিৎসা দ্রব্যে ভেজাল মেশানো [Adulteration of drugs] : কোন ব্যক্তি যদি এমনভাবে কোন ঔষধে বা চিকিৎসা দ্রব্যে ভেজাল মিশ্রণ করে যাতে উক্ত ঔষধ বা চিকিৎসা দ্রব্যের প্রতিষেধক গুণ কমিয়া যায় বা ইহার ক্রিয়া পরিবর্তিত হয়, অথবা উহা স্বাস্থ্যহানিকর হয়, এবং যেন উহাতে এইরূপ ভেজাল মিশ্রণ হয় নাই এইভাবে উহা কোন চিকিৎসাগত উদ্দেশ্যে বিক্রয় বা ব্যবহার হবে বলে তা করে, অথবা উহা অনুরূপভাবে বিক্রিত বা ব্যবহৃত হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৭৫ : ভেজাল মিশ্রিত ঔষধ বা চিকিৎসা দ্রব্য বিক্রয় [Sale of drug as a different drug or preparation] : কোন ঔষধ বা চিকিৎসাদ্রব্য এমনভাবে ভেজালমিশ্রিত হয়েছে, যার দরুণ উহার ক্রিয়ার পরিবর্তন ঘটিয়াছে কিংবা উহা স্বাস্থ্যহানিকর হয়ে পড়েছে জানা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি যদি উহা বিক্রয় করে কিংবা উহা প্রদান কিংবা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, কিংবা উহা কোন চিকিৎসানেয় হতে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে প্রদান করে, কিংবা যিনি উহাতে ভেজালমিশ্রণ সম্পর্কে অবহিত নয় তাকে দিয়ে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে উহা ব্যবহার করায়, তবে উক্ত ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৭৬ : কোন ঔষধকে ভিন্ন কোন ঔষধ বলে বিক্রয় করা : কোন ব্যক্তি যদি জ্ঞাতসারে কোন ঔষধ বা চিকিৎসা দ্রব্যকে ভিন্ন কোন ঔষধ বা চিকিৎসাদ্রব্য বলে বিক্রয় করে, বা প্রদান করে, বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, বা চিকিৎসালয় হতে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে প্রদান করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণের অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৭৭ : জনসাধারণের ব্যবহার্য ফোয়ারা বা জলাশয়ে পানি দূষিত করা [Fouling water or public spring or reservoir] : কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কোন জনসাধারণের ব্যবহার্য ফোয়ারা বা জলাশয়ের পানি এমনভাবে দূষিত করে যার দরুণ সচরাচর যে উদ্দেশ্যে উহা ব্যবহৃত হয়, সে উদ্দেশ্যের দিক হতে উহা কম ব্যবহারযোগ্য হয়ে পড়ে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৭৮ : আহাওয়াকে স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর করে তোলা [Making atmosphere noxious to health] : কোন ব্যক্তি যদি কোন স্থানের আবহাওয়াকে ইচ্ছাকৃতভাবে এমনভাবে দূষিত করে, যার ফলে সাধারণভাবে উক্ত স্থানের বা আশেপাশের বাসিন্দাদের বা আশেপাশে যারা কার্যনির্বাহ করে, তাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে উহা ক্ষতিকর হয়, বা জনসাধারণের চলাচলের রাস্তায় যাতায়াতকারী ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যের পক্ষে উহা ক্ষতিকর হয়, বা সাধারণের চলাচলের রাস্তায় যাতায়াতকারী ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যের পক্ষে উহা ক্ষতিকর হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণের অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে

এবার ধারা ২৭৯। রাস্তায় বেপরোয়া গাড়ী চালানোর ঘটনা গত ১ বছরে বেশ কয়েকবার ঘটেছে ঢাকা শহরে। সেই সমস্ত বেপরোয়া গাড়ী চালনায় কয়েকজন নিহত-আহতও হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অপরাধকারীরা ক্ষমতাবানদের সন্তান, ঢাকার এলিট সোসাইটির অংশ। নিজেদের ক্ষমতা অপব্যবহার করে নানাভাবে তারা পার পেয়েও যাচ্ছে। ঐ সমস্ত ঘটনায় বেপরোয়া গাড়ী চালানোর ম্যাধ্যমে কাউকে হত্যা করা হত্যার অপরাধ। আর বেপরোয়া গাড়ী চালানো, তাতে করে কোনো মানুষ আহত বা নিহত না হলেও, সেটা একটা অপরাধ। শুধুমাত্র বেপরোয়া গাড়ী চালানোর জন্যই একজনকে দোষী সাব্যস্ত করা যায়। আর এই সংক্রান্ত দণ্ডবিধির ধারা হলো ২৭৯ ধারা। ধারাটি পড়ে নেন।

“ধারা ২৭৯ : জনসাধারণের ব্যবহৃত সড়কে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালনা বা আরোহণ [Rash driving or riding on a public way] : কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের ব্যবহৃত কোন সড়কের উপর দিয়ে এমন বেপরোয়াভাবে বা অবহেলামূলক ভাবে কোন গাড়ি চালায় বা চড়িয়ে বেড়ায়, যাতে মানুষের জীবন বিপদাপন্ন হয় অথবা অপর কোন ব্যক্তির আহত বা জখম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা সর্বনিম্ন এক হাজার টাকার শর্তে যা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণের অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা : কোন ব্যক্তি প্রকাশ্য রাস্তায় যদি এইরূপ দ্রুত কোন যান বা অশ্ব চালনা করেন যার গতি আপাতত বলবৎ কোন আইনের কর্তৃক বা আওতায় এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম করে, তবে তিনি এই ধারার উদ্দেশ্যে মনুষ্য জীবন বিপন্ন করা কিংবা অপর কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা বা আহত করার মত বেপরোয়াভাবে বা অবহেলামূলকভাবে যান বা অশ্ব চালনা করেছেন বলে গণ্য হবেন

এরপর ২৮০ থেকে ২৮৭ ধারা পর্যন্ত নানা ধরনের অবহেলামূলক বা উদাসীনতামূলক আচরণের কথা বলা হয়েছে যার দ্বারা ব্যক্তি বা জনজীবন ক্ষতিগ্রস্থ হলে বা হবার সম্ভাবনা থাকলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই ধারাগুলো স্কিপ করতে পারেন। চলে যাবো সোজা ২৮৮ ধারায়। ২৮৮ ধারাটিও অবহেলা সংক্রান্ত। চলুন দেখি, কি সংক্রান্ত অবহেলা!

“ধারা ২৮০ : বেপরোয়াভাবে নৌযান চালনা : কোন ব্যক্তি যদি এমন বেপরোয়াভাবে বা অবেহলার সাথে কোন নৌযান চালনা করে, যার কারণে কোন মানুষের জীবন বিপদাপন্ন হয় অথবা অপর কোন ব্যক্তির আঘাত লাগার বা জখম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণের অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৮১ : কৃত্রিম বাতি, চিহ্ন বা বয়া প্রদর্শন : কোন ব্যক্তি যদি কোন নাবিককে বিভ্রান্ত করার জন্য কোন কৃত্রিম বাতি, চিহ্ন বা বয়া প্রদর্শন করে অথবা অনুরূপ কৃত্রিম বাতি, চিহ্ন বা বয়া প্রদর্শনের কারণে কোন নাবিক বিভ্রান্ত হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৮২ : ভাড়ার জন্য জলপথে নিরাপত্তাহীন বা অতিরিক্ত বোঝার ভারবিশিষ্ট নৌযানে ব্যক্তি বহন করা : কোন ব্যক্তি যদি জ্ঞাতসারে বা উদাসীনভাবে কোন ব্যক্তিকে ভাড়ার জন্য জলপথে এমন কোন জলযানে বহন করে বা বহনের ব্যবস্থা করে, যে জলযান এমন অবস্থায় রয়েছে যা তাতে এমন বোঝার ভার রয়েছে, যার কারণে সে ব্যক্তির জীবন বিপন্ন হতে পারে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম অথবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণের অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৮৩ : সর্ব সাধারণের ব্যবহার্য সড়কে বা জলপথে বিপদ বা বাধার সৃষ্টি করা : কোন ব্যক্তি যদি কোন কার্য সাধন দ্বারা, অথবা তার দখলাধীন বা কর্তৃত্বাধীন কোন সম্পত্তি সম্পর্কে ব্যবস্থা গ্রহণ হতে বিরত থাকার অভিসন্ধি দ্বারা, কোন সরকারি রাস্তায় বা সরকারি জলপথে কারো বিপদ সৃষ্টি করে, বাধার সৃষ্টি করে বা জখম করে, তবে সে ব্যক্তি দুই শত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৮৪ : বিষাক্ত বস্তু নিয়ে অবহেলামূলক আচরণ করা : কোন ব্যক্তি যদি কোন বিষাক্ত বস্তু নিয়ে কোন কাজ এমন বেপরোয়া বা অবহেলামূলকভাবে করে, যার কারণে মানুষের জীবন বিপন্ন হয় বা অন্য কোন ব্যক্তির আঘাত পাওয়ার বা জখম হওয়ার আশঙ্কা থাকে,

অথবা জ্ঞাতসারে বা অবহেলামূলকভাবে তার কাছে যে বিষাক্ত বস্তু রয়েছে তৎসম্পর্কে এমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অন্যথা করে, যে ব্যবস্থা অনুরূপ বিষাক্ত বস্তু হতে মানুষের জীবনের প্রতি সম্ভাব্য বিপদের বিরুদ্ধে নিশ্চয়তা হিসেবে পর্যাপ্ত,

তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৮৫ : অগ্নি বা দাহ্য বস্তু নিয়ে অবহেলামূলক আচরণ করা : কোন ব্যক্তি যদি অগ্নি নিয়ে বা কোন দাহ্য বস্তু নিয়ে কোন কার্য এমন বেপরোয়াভাবে বা অবহেলামূলকভাবে করে, যাতে মানুষের জীবন বিপন্ন হয় অথবা অপর কোন ব্যক্তির আঘাত পাওয়ার বা জখম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়,

অথবা জ্ঞাতসারে বা অবহেলামূলকভাবে তার দখলাধীন কোন অগ্নি বা দাহ্য বস্তু সম্পর্কে এমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অন্যথা করে, যা অনুরূপ অগ্নি বা দাহ্য বস্তু হতে মানুষের জীবনের প্রতি বিপদ সৃষ্টির বিরুদ্ধে নিশ্চয়তা হিসেবে পর্যাপ্ত,

তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৮৬ : বিস্ফোরক বস্তু নিয়ে অবহেলামূলক আচরণ করা : কোন ব্যক্তি যদি বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে কোন কার্য এমন বেপরোয়াভাবে বা অবহেলামূলকভাবে করে, যাতে মানুষের জীবন বিপন্ন হয় অথবা অপর কোন ব্যক্তির আঘাত পাওয়ার বা জখম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়,

অথবা জ্ঞাতসারে বা অবহেলামূলকভাবে তার দখলাধীন কোন বিস্ফোরক সম্পর্কে এমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অন্যথা করে, যে ব্যবস্থা অনুরূপ বিস্ফোরক দ্রব্য হতে মানুষের জীবনের প্রতি সম্ভাব্য বিপদের বিরুদ্ধে নিশ্চয়তা হিসেবে পর্যাপ্ত,

তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৮৭ : যন্ত্রপাতি নিয়ে অবহেলামূলক আচরণ করা : কোন ব্যক্তি যদি কোন যন্ত্রপাতি নিয়ে কোন কার্য এমন বেপরোয়াভাবে বা অবহেলামূলকভাবে করে, যাতে মানুষের জীবন বিপন্ন হয় অথবা অপর কোন ব্যক্তি আঘাত পাওয়ার বা জখম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়,

অথবা তার দখলভূক্ত বা তত্ত্বাবধানাধীন কোন যন্ত্রপাতি সম্পর্কে এমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে জ্ঞাতসারে বা অবহেলামূলকভাবে অন্যথা করে, যা অনুরূপ যন্ত্রপাতি হতে মানুষের জীবনের প্রতি সম্ভাব্য বিপদের বিরুদ্ধে নিশ্চয়তা বিধানে পর্যাপ্ত,

তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

এবার ধারা ২৮৮। পড়ে নিন।

“ধারা ২৮৮ : দালান ভাঙিবার বা মেরামত করার কাজে অবহেলামূলক আচরণ করা [ Negligent conduct with respect to pulling down or repairing buildings] : কোন ব্যক্তি যদি কোন দালান ভেঙ্গে ফেলার বা মেরামত করার কাজে জ্ঞাতসারে বা অবহেলামূলকভাবে উক্ত দালান সম্পর্কে এমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অন্যথা করে, যে ব্যবস্থা উক্ত দালানের বা উহার কোন অংশের পতন হতে মানুষের জীবনের প্রতি সম্ভাব্য বিপদের বিরুদ্ধে নিশ্চয়তা বিধানের পর্যাপ্ত, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

এই ২৮৮ ধারাটি খেয়াল করুন, যারা বিশেষত শহর এলাকায় নিয়মিত বাস করেন তারা এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য অন্যদের তুলনায় ভালো বুঝবেন। হরহামেশাই নতুন নতুন বিল্ডিং হচ্ছে। সেগুলোতে কি শ্রমিকের কি পথচারী কারো জন্যই পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা নাই। ৪ তলায় অথবা ১০ তলায় একজন শ্রমিক কোনো এক কার্নিশের ধারে কাজ করছে, সে যেকোনো সময় সেখান থেকে পা বা হাত ফসকে পড়ে যেতে পারে; অথবা কাজ চলাকালীন একটি ইটের টুকরো বা শ্রমিকের হাতের হাতুড়ীটাই হাত ফসকে নিচে পড়ে যেতে পারে পথচারীর মাথা বা গায়ের ওপর! ভাবুনতো কি অবস্থা! অথচ বিল্ডিং করতে গেলে সব পক্ষের নিরাপত্তা সর্বোতভাবে নিশ্চিত করাটা আবশ্যকীয় বিষয়। যাই হোক, দণ্ডবিধির ২৮৮ ধারা এই বিষয়ের জন্য যে ধারা প্রণয়ন করেছে তা সাধুবাদ পাবার যোগ্য। এই ধারা অনুযায়ী অবহেলামূলক কোনো অবস্থা দেখা গেলেই তা প্রমাণসাপেক্ষে একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ

২৮৯, ২৯০ ও ২৯১ ধারাগুলো শুধু দিয়ে রাখলাম।

“ধারা ২৮৯ : প্রাণী সম্পর্কে অবহেলামূলক আচরণ করা : কোন ব্যক্তি যদি তার দখলভূক্তকোন প্রাণী সম্পর্কে এমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে জ্ঞাতসারে বা অবহেলামূলকভাবে অন্যথা করে, যে ব্যবস্থা উক্ত প্রাণী হতে মানুষের জীবনের প্রতি সম্ভাব্য বিপদের বিরুদ্ধে অথবা নিশ্চয়তা বিধানের জন্য পর্যাপ্ত, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৯০ : অপর কোনভাবে কার্যক্রম বিহিত হয় নাই, এমন ক্ষেত্রে জনসাধারণের উপদ্রবের জন্য সাজা : কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বিরক্তি সৃষ্টিকারী এমন কোন কার্য করে, যার জন্য এই বিধিতে অপর কোন বিধান করা হয় নাই, তবে সে ব্যক্তি দুই শত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৯১ : নিষেধাজ্ঞার পরেও উৎপাত অব্যাহত রাখা : উৎপাত পুনরায় সংঘটনের বা অব্যাহত রাখার বিরুদ্ধে বৈধ কর্তৃত্ব সম্পন্ন কোন সরকারি কর্মচারী নিষেধাজ্ঞা জারী করার পরেও কোন ব্যক্তি পুনরায় এইরূপ উৎপাত করলে বা অব্যাহত রাখলে, সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

এবার ধারা ২৯২ ও ২৯৩। পড়ে নিন।

“ধারা ২৯২ : অশ্লীল পুস্তকাদি বিক্রয় ইত্যাদি : যদি কোন ব্যক্তি-

(ক) কোন অশ্লীল পুস্তক, পুস্তিকা, কাগজ, অংকন, চিত্র, কল্পমূর্তি বা প্রতিমূর্তি বা অপর যেকোন ধরনের অশ্লীল বস্তু বিক্রয় করে, ভাড়া দেয়, বিতরণ করে, প্রকাশ্যে প্রদর্শন করে বা যেকোন প্রকারে প্রচার করে অথবা বিক্রয় করার, ভাড়া দেওয়ার, বিতরণ করার, প্রকাশ্যে প্রদর্শন করার কিংবা প্রচারের উদ্দেশ্যে তৈরি করে কিংবা প্রণয়ন করে কিংবা

(খ) কোন অশ্লীল বস্তু পূর্বোক্ত যেকোন উদ্দেশ্যে আমদানি করে, রপ্তানি করে অথবা প্রদান করে, অথবা অনুরূপ অশ্লীল বস্তু বিক্রয় করা হবে, ভাড়া দেওয়া হবে, বিতরণ করা হবে অথবা প্রকাশ্যে প্রদর্শন করা হবে কিংবা যেকোন প্রকার প্রচার করা হবে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও উহা আমদানি, রপ্তানি বা পরিবহন করে, অথবা

(গ) এমন কোন ব্যবসায়ে অংশগ্রহণ করে বা উহার মুনাফায় শরীক হয়, যে ব্যবসায় ব্যবস্থিত সে জানে বা তাহর বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, সে ব্যবসায়ের জন্য পূর্বোক্ত কোন উদ্দেশ্যে অনুরূপ কোন অশ্লীল বস্তু প্রস্তুত, উৎপাদন, ক্রয়, সংরক্ষণ, আমদানিকৃত, রপ্তানিকৃত, প্রকাশ্যে প্রদর্শিত অথবা যেকোন প্রকারে প্রচারিত হয়, অথবা

(ঘ) কোন ব্যক্তি এই ধারা মতে একটি অপরাধ বলে বিবেচ্য কোন কার্যে ব্যাপৃত রয়েছে বা ব্যাপৃত হওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে, কিংবা অনুরূপ কোন অশ্লীল বস্তু কোন ব্যক্তির নিকট থেকে সংগ্রহ বা কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সংগ্রহ করা যেতে পারে বলে যে কোন প্রকারে বিজ্ঞাপন করে বা যেকোন প্রকারে গোচরীভূত করে, অথবা

(ঙ) এই ধারা মতে অপরাধ বলে বিবেচ্য কোন কাজ সম্পাদনের প্রস্তাব করে বা উদ্যোগ গ্রহণ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৯৩ : কমবয়স্ক ব্যক্তির কাছে অশ্লীল বস্তু বিক্রয় ইত্যাদি : কোন ব্যক্তি যদি বিশ বৎসরের কমবয়স্ক ব্যক্তির কাছে উপরের ধারায় বর্ণিত কোন অশ্লীল বস্তু বিক্রয় করে, ভাড়া দেয়, বিতরণ করে, প্রদর্শন করে বা প্রচার করে, অথবা তা করতে প্রস্তাব করে বা চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

অশ্লীল বই বিক্রি করায় সাধারণভাবে সর্বোচ্চ ৩ মাস পর্যন্ত জেল হয় কিন্তু উক্ত অশ্লীল বই যদি ২০ বছরের নিচে কারো কাছে বিক্রি বা সরবরাহ করা হয় তবে তার শাস্তি আরো গুরুতর হবে, এটাই স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের জেল হতে পারে।

“ধারা ২৯৪ : অশ্লীল কাজ ও গান করা : কোন ব্যক্তি যদি অন্যের বিরক্তি সৃষ্টি করে –

(ক) কোন প্রকাশ্য স্থানে কোন অশ্লীল কাজ করে, অথবা

(খ) কোন প্রকাশ্য স্থানে বা কোন প্রকাশ্য স্থানের সন্নিকটে কোনরূপ অশ্লীল সংগীত, গাঁথা বা কথা গীত করে, আবৃত্তি করে বা উচ্চারণ করে, তবে সে ব্যক্তি তিনমাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৯৪ খ : বাণিজ্য ইত্যাদি উপলক্ষে পুরস্কার প্রদানের প্রস্তাব করা : যে কোন বাণিজ্য বা ব্যবসায় বা কোন দ্রব্যের বিক্রয় উপলক্ষে উক্ত বাণিজ্য বা ব্যবসায় বা কোন দ্রব্যের ক্রয়ের ব্যাপারে প্রলোভন বা উৎসাহ স্বরূপ বা কোন দ্রব্যের প্রচার বা জনপ্রিয়তার উদ্দেশ্যে যেকোন নামে অর্থ বা দ্রব্যে যেকোন কুপন টিকেট, সংখ্যা বা মূর্তি বা অন্য কোন উপায়ের মাধ্যমে কোন পুরস্কার, পারিতোষিক বা অনুরূপ অপর কোন প্রতিদান প্রদানের প্রস্তাব করে, সে ব্যক্তি এবং যে ব্যক্তি অনুরূপ কোন প্রস্তাব প্রকাশ করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস মেয়াদ পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।



২৯৪ খ পর্যন্তই আমাদের সিলেবাসের বিষয়বস্তু। তবু আমরা এর পরের অধ্যায় থেকে মাত্র ৫ টি ধারা থেকে সামান্য ধারণা নেবো। পড়তে শুরু করুন।

Of offences relating to religion : ধর্মসংক্রান্ত অপরাধসমূহ সম্পর্কিত

“ধারা ২৯৫ : কোন শ্রেণী বিশেষের ধর্মের প্রতি অবমাননা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে উপসানালয়ের স্থান বিনষ্ট বা অপবিত্র করা : কোন ব্যক্তি যদি কোন উপাসনার স্থান বিনষ্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপবিত্র করে অথবা জনসাধারণের কোন শ্রেণী দ্বারা পবিত্র বলে গণ্য কোন বস্তু বিনষ্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপবিত্র করে, এবং জনসাধারণের কোন শ্রেণীর ধর্মকে অপদস্থ করার মানসেই তা করে অথবা অনুরূপ বিনষ্টকরণ, ক্ষতিসাধন বা অবপবিত্রকরণকে একশ্রেণীর জনসাধারণ তাদের ধর্মের প্রতি অবমাননা বলে বিবেচনা করবে জানা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৯৫ ক : কোন শ্রেণী বিশেষের ধর্মীয় বিশ্বাসকে অবমাননা করে উক্ত শ্রেণীর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত বা হিংসাত্মক কার্য : কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের নাগরিকবৃন্দের কোন শ্রেণীর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত ও হিংসাত্মকভাবে লিখিত বা উচ্চারিত কথা কর্তৃক বা দৃশ্যমান কোন বস্তু কর্তৃক সে শ্রেণীর ধর্মকে বা ধর্মীয় বিশ্বাসকে অপমানিত করে বা অপমানিত করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৯৬ : ধর্মীয় সমাবেশে গোলযোগ সৃষ্টি করা : কোন ব্যক্তি যদি আইনসম্মতভাবে ধর্মীয় কাজ অনুষ্ঠানরত বা ধর্মীয় উৎসব পালনরত কোন সমাবেশে ইচ্ছাকৃতভাবে গোলযোগ সৃষ্টি করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৯৭ : সমাধিস্থ করণ ইত্যাদি স্থানে অনধিকার প্রবেশ করা : কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির অনুভূতিকে আহত করার উদ্দেশ্যে, কিংবা অন্য কোন ব্যক্তির ধর্মের অবমাননা করার উদ্দেশ্যে, অথবা অন্য কোন ব্যক্তির অনুভূতি আহত হতে পারে বা অন্য কোন ব্যক্তির ধর্মের অবমাননা হতে পারে জানা সত্ত্বেও, কোন উপাসনাস্থলে বা সমাধিস্থলে বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পাদনের জন্য আলাদাভাবে রক্ষিত স্থান বা মৃত ব্যক্তির দেহাবশেষ রাখার জন্য আলাদাভাবে রক্ষিত স্থানে অনধিকার প্রবেশ করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ২৯৮ : ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার জন্য শব্দ ইত্যাদি উচ্চারণ করা : কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তির ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার উদ্দেশ্যমূলক অভিসন্ধিক্রমে সে ব্যক্তির শ্র“তিগোচর হয় এমনভাবে কোন কথা বলে বা শব্দ করে অথবা সে ব্যক্তির দৃষ্টিগোচর হয় এমনভাবে কোন অঙ্গভঙ্গি করে অথবা সে ব্যক্তির দৃষ্টিগোচর হয় এমনভাবে কোন বস্তু স্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।



/10
23

6 minutes


Penal Code [264-298]

এখানে দণ্ডবিধির ২৬৪-২৯৮ ধারাসমূহ নিয়ে এমসিকিউ টেস্ট আছে। সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো পড়ে নিয়ে এটি অনুশীলন করুন।

এখানে আপনার নাম ও ফোন নাম্বার লিখুন। ইমেইলটি লেখা বাধ্যতামূলক নয়; তবে, ইমেইল এড্রেস দিলে আপনার ইমেইলে বিস্তারিত ফলাফল চলে যাবে।

1 / 10

দণ্ডবিধিতে বর্ণিত নিচের কোন অপরাধটিতে দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ীও মোকদ্দমা করা যায়?

2 / 10

কোনো বিল্ডিং মেরামতের কাজে অবহেলাজনিত কারণে কারো ক্ষতি হবার সম্ভাবনা থাকলে দণ্ডবিধি অনুযায়ী তার শাস্তি কী হবে?

3 / 10

যদি প্রতারণার উদ্দেশ্য ছাড়াই কেউ তার কাছে একটি মিথ্যা বাটখারা বা দৈর্ঘ্য মাপার পরিমাপক রাখে তবে তার শাস্তি কী হবে?

4 / 10

ওজন ও মাপ সংক্রান্ত অপরাধ সম্পর্কে নিচের কোন ধারাটি সম্পর্কিত?

5 / 10

বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে কোনো খাদ্যে ভেজাল মিশিয়ে সেটাকে অস্বাস্থ্যকর করে তুললে দণ্ডবিধি অনুযায়ী তার শাস্তি কী?

6 / 10

জনসাধারণের উপদ্রব বা public nuisance অপরাধটি দণ্ডবিধির কত ধারার বিষয়বস্তু?

7 / 10

কোনো ব্যক্তি কাপড়ের দোকানে গজ হিসেবে কাপড় বিক্রিতে কয়েক ইঞ্চি কমে গজের মাপ নির্ধারণ করে বিক্রি করে। এরূপ ক্ষেত্রে তার শাস্তি কী?

8 / 10

দণ্ডবিধির কত ধারা মোতাবেক খাদ্যে বা পানীয়তে ভেজাল মেশানো একটি অপরাধ?

9 / 10

কোনো ব্যক্তি প্রকৃত ওজনে কম এমন একটি ১ কেজির বাটখারা তৈরি করলে তার শাস্তি কী?

10 / 10

বেপরোয়াভাবে বা অবহেলামূলকভাবে গাড়ী চালানোর বিষয়ে দণ্ডবিধির কত ধারায় বলা আছে?

Your score is

0%



বিগত এমসিকিউ সাফল্য

Registered [2017 & 2020 MCQ]

Passed Students [2017 & 2020 MCQ]

Registered [MCQ Exam of 2021]