ঘরে বসেই লাইভ ভিডিওতে
প্রতি মাসে মাত্র ৮০০/- টাকায়

MCQ পরীক্ষার প্রস্তুতি!

ভর্তি হতে কল করুন : 01712-908561

Penal Code Lecture 19 [Sec. 499-502]

এখানে দণ্ডবিধির মানহানি সংক্রান্ত ধারাসমূহ নিয়ে ছোট্ট লেকচার আছে। ৪৯৯ থেকে ৫০২ – এই মাত্র ৪টি ধারা নিয়ে আলোচনা।

Penal Code : Lecture 19

Of Defamation : মানহানি সম্পর্কিত

ম্যাপিং : এবার ২১ নং অধ্যায়ের আলোচনা যার শিরোনাম মানহানি সম্পর্কিত বা Of Defamation। এর বিস্তৃতি ৪৯৯ থেকে ৫০২ ধারা পর্যন্ত। মানহানি সংক্রান্ত অন্যান্য আরো কিছু আইন আছে। সাম্প্রতিককালে আইসিটি আইনের বিতর্কিত ৫৭ ধারাটির বেশ প্রয়োগ দেখা যাচ্ছে। যাই হোক, মূল দণ্ডবিধিতে মানহানি বিষয়ক এই অধ্যায়টি আছে এটা অনেকেরই অজানা। এখান থেকে কোনো প্রশ্ন আসেনি। ধারণা নিয়ে রাখুন।

মূল আলোচনা :

মানহানি সম্পর্কিত মূল ধারাটি হলো ৪৯৯ ধারা। এই ধারাটি অনেক বড় একটি ধারা। অনেক বিস্তৃত আলোচনা। মানহানি বিষয়টি সবসময়ই বিতর্কিত জিনিস। কিসে মানহানি হয়, কিসে সমালোচনা হয়, কোনটা পর্যালোচনা আর কোনটা মিথ্যা অভিযুক্ত করা ইত্যাদি অনেকগুলো বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মানহানি বিষয়টা নির্ধারণ করা হয়। ফলে ব্যাখ্যা, উদাহরণ ও ব্যতিক্রম বিস্তৃত আকারে আলোচনা করে সেটা পরিষ্কার করার প্রয়োজন পড়েছে আইনে। মূল ৪৯৯ ধারাটি একবার মনোযোগ দিয়ে পার্ট বাই পার্ট পড়ে ফেললেই বুঝে যাবেন সহজেই। তাই আমরা এ বিষয়ে কোনো আলোচনা রাখছি না। মনে রাখবেন, ৪৯৯ ধারায় মানহানির সংজ্ঞা আলোচনা করা আছে, আর ৫০০ ধারায় মানহানির সাজা। মানহানির সাজা সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড৫০১ ও ৫০২ ধারায় মানহানি সম্পর্কিত আরো দুইটি ধারা বলা আছে। সবগুলোতেই শাস্তি ২ বছরের।

“ধারা ৪৯৯ : মানহানি : কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্ন নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ১ : যে মৃত ব্যক্তির জীবনকালে তার সম্পর্কে কোন নিন্দা করা হলে তার মানহানি ঘটত, সে মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অনুরূপ কোন নিন্দাবাদ এবং সে মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের বা অন্যান্য কাছে আত্মীয়ের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নিন্দাবাদ করা, মানহানি বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা ২: কোন কোম্পানি বা সংঘ বা ব্যক্তিসমাবেশ সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানি বলে পরিগণিত হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৩ : বিকল্পরূপে বা বিদ্রƒপাত্মকরূপে ব্যক্ত কোন নিন্দাবাদ মানহানির সামিল হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৪ : কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সে ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, অথবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় কিংবা তার পেশার দিক হতে সে ব্যক্তির চরিত্রকে হেয় না করলে, অথবা সে ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ক্ষুন্ন না করলে, অথবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণা অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচির বলে গণ্য, সে অবস্থায় রয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সে ব্যক্তি সম্পর্কে উক্ত নিন্দাবাদ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণসমূহ :
(ক) চ খ-এর ঘড়ি চুরি করেছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে ক বলে চ অতি সাধু, সৎ ব্যক্তি। সে কখনও খ-এর ঘড়ি চুরি করে নাই ক-এর এই কাজ কোন ব্যতিক্রমের অধীনে না পড়লে ইহা মানহানি বলে পরিগণিত হবে।

(খ) খ-এর ঘড়ি কে চুরি করেছে, সে সম্পর্কে ক-কে জিজ্ঞাসা করা হয়। খ-এর ঘড়িটি চ চুরি করেছে বলে বিশ্বাস জন্মাবার উদ্দেশ্যে ক চ-এর প্রতি ইঙ্গিত করে। ক-এর এই কাজ কোন ব্যতিক্রমের অধীনে না পড়লে ইহা মানহানি বলে পরিগণিত হবে।

(গ) চ খ-এর ঘড়ি চুরি করেছে বলে বিশ্বাস জন্মাবার উদ্দেশ্যে ক খ-এর ঘড়ি নিয়ে চ-এর পালিয়ে যওয়ার একটি চিত্র অঙ্কন করে। ক-এর এই কাজ কোন ব্যতিক্রমের অধীনে না পড়লে তা মানহানি বলে পরিগণিত হবে।

প্রথম ব্যতিক্রম : জনকল্যাণের প্রয়োজনে সত্য দোষারোপ করা : কোন ব্যক্তি সম্পর্কে সত্য দোষারোপ করা মানহানি বলে পরিগণিত হবে না, যদি উক্ত দোষারোপ জনকল্যাণের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত বা প্রকাশ করা হয়। ইহা জনকল্যাণের জন্য কিনা তা একটি বিবেচ্য বিষয়।

দ্বিতীয় ব্যতিক্রম : জণগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ : কোন সরকারি কর্মচারী দায়িত্ব সম্পাদন ব্যবস্থিত তার আচরণ অথবা সে আচরণে তার চরিত্র যতটুকু পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক, কেবল ততটুকু পর্যন্ত তার চরিত্র সম্পর্কে সরল মনে বা সরল বিশ্বাসে কোন মতামত প্রকাশ করলে তদ্বারা কোনরূপ মানহানির অপরাধ হবে না।

তৃতীয় ব্যতিক্রম : কোন গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ : যেকোন গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্বন্ধে এবং সে আচরণে সে ব্যক্তির কোন মতামত প্রকাশ করা মানহানি বলে পরিগণিত হবে না।

উদাহরণ :
ক যদি চ-এর আচরণ সম্পর্কে কোনরূপ মতামত প্রকাশ করে কোন গণ-সমস্যা সম্পর্কে সরকারের কাছে দরখাস্ত দাখিল করে কোন গণ সমস্যা সম্পর্কে কোন সভা আহবানের রিকুইজিশনে স্বাক্ষর দান করে, অনুরূপ কোন সভায় সভাপতির আসন গ্রহণ অথবা যোগদান করে, জনসাধারণের সমর্থন কামনা করে কোন সমিতি গঠন করে বা কোন সমিতিতে যোগদান করে, কোন পরিস্থিতিতে জনসাধারণের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট দায়িত্বসমূহ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য কোন বিশেষ প্রার্থীকে ভোটদান করে বা কোন বিশেষ প্রার্থীর পক্ষে প্রচার কাজ চালায়, তবে ক-এর কার্যক্রম মানহানি বলে পরিগণিত হবে না।

চতুর্থ ব্যতিক্রম : আদালতসমূহের কার্যক্রমের রিপোর্ট প্রকাশ করা : কোন আদালত বা বিচারালয়ের কার্যক্রমের অথবা অনুরূপ কার্যক্রমের ফলে কোন বহুলাংশে সত্য রিপোর্ট প্রকাশ করা মানহানি বলে পরিগণিত হবে না।

ব্যাখ্যা : কোন বিচারালয়ের বিচারের পূর্বাহ্নিক কার্যক্রম হিসাবে প্রকাশ্য আদালতের তদন্তকারী কোন ন্যায়পাল বা অপর কোন কর্মকর্তা উপরোক্ত ধারার অর্থ অনুসারে একটি আদালত।

পঞ্চম ব্যতিক্রম : আদালতে সিদ্ধান্তকৃত মামলার দোষগুণাবলী বা সাক্ষীদের ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্যের আচরণ : কোন বিচারালয় বা আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্তকৃত কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী মামলার প্রধান দোষগুণাবলী সম্পর্কে বা অনুরূপ কোন মামলার সাথে অন্যতম পক্ষ, সাক্ষী বা এজেন্ট হিসাবে সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তির আচরণ অথবা সে আচরণে সে ব্যক্তির চরিত্র যতদূর পর্যন্ত তার চরিত্র সম্পর্কে সরল মনে বা সরল বিশ্বাসে কোন মতামত প্রকাশ করলে তা মানহানি বলে পরিগণিত হবে না।

উদাহরণসমূহ :
(ক) ক বলল- ঐ মামলায় চ-এর সাক্ষ্য এত পর¯পর বিরোধী যে, আমার মনে হয় চ হয় বোকা, না হয় অসৎ।’ ক যদি সরল মনে বা সরল বিশ্বাসে এই মত প্রকাশ করে থাকে, তবে সে এই ব্যতিক্রমের আওতার মধ্যে রয়েছে, সে যে মত প্রকাশ করেছে, সে মতে সাক্ষী হিসেবে চ-এর আচরণের সাথে চ-এর চরিত্র যতদূর পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক, কেবল ততদূর পর্যন্ত চ-এর চরিত্র সংক্রান্ত, তার বেশি নয়।

(খ) কিন্তু ক যদি বলে- চ ঐ বিচারে যে সাক্ষ্য দান করেছে, তা আমি বিশ্বাস করি না; কেননা আমি জানি, সে সৎ ব্যক্তি নয়, তবে ক এই ব্যতিক্রমের অধীনে থাকবে না। কেননা, চ-এর চরিত্র সম্পর্কে সে যে মত প্রকাশ করেছে, তা সাক্ষী হিসেবে চ-এর আচরণের উপর ভিত্তি করে করা হয় নাই।

ষষ্ঠ ব্যতিক্রম : গণ-অনুষ্ঠানের গুণাবলী : কোন কাজের সম্পাদক দ্বারা জনাসাধারণের বিচারার্থ উপস্থাপিত কাজের গুণাগুণ সম্পর্কে অথবা কার্যটিতে উহার সম্পাদকের চরিত্র যতদূর মানহানি বলে পরিগণিত হবে না।

ব্যাখ্যা : কোন কাজ প্রকাশ্যভাবে কিংবা সম্পাদকের কোন কাজের মাধ্যমে- যা জনসাধারণের বিচারের জন্য পেশকরণ বুঝায়, ইহা জনসাধারণের বিচারের জন্য দাখিল করা যেতে পারে।

উদহারণসমূহ :
(ক) কোন ব্যক্তি যদি একটি পুস্তক প্রকাশ করেন, তবে সে ব্যক্তি উক্ত পুস্তকটি জনসাধারণের অভিমতের জন্য দাখিল করেন বলে পরিগণিত হবে।

(খ) কোন ব্যক্তি যদি প্রকাশ্যভাবে কোন বক্তৃতা দান করেন, তবে সে ব্যক্তি বক্তৃতাটি জনসাধারণের অভিমতের জন্য দাখিল করেন বলে পরিগণিত হবে।

(গ) কোন অভিনেতা বা গায়ক প্রকাশ্য রঙ্গমঞ্চে অভিনয় বা সংগীত পরিবেশন করলে সে অভিনেতা বা গায়ক তার অভিনয় বা গান জনসাধারণের অভিমতের জন্য দাখিল করেন বলে পরিগণিত হবে।

(ঘ) ক চ-এর প্রকাশিত একটি পুস্তক সম্পর্কে বলে – ‘চ-এর বইটি একেবারে বাজে; চ অবশ্য একজন দুর্বল ব্যক্তি। চ-এর বইটি অশ্লীল; চ-এর মনটি অবশ্যই অশুচি।’ ক যদি সরল মনে বা সরল বিশ্বাসে এই কথা বলে থাকে, তবে সে এই ব্যতিক্রমের আওতাধীন হবে, কেননা সে যে মত প্রকাশ করেছে সে মতটি চ-এর পুস্তকে চ-এর চরিত্র যতদূর পর্যন্ত প্রতিফলিত হয়েছে, কেবল ততদূর পর্যন্ত তার চরিত্র সম্পর্কিত, তার অধিক নয়।

(ঙ) কিন্তু যদি ক বলে- “চ-এর বইটি যে অত্যন্ত বাজে ও অশ্লীল, তাতে আমি মোটে বিস্মিত নই, কেননা চ অতি দুর্বলচেতা ও উচ্ছঙ্খল ব্যক্তি।” ক এই ব্যতিক্রমের আওতার মধ্যে নাই, কেননা চ-এর চরিত্র সম্পর্কে যে মত প্রকাশ করেছে সে মতটি চ-এর পুস্তকের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত নয়।

সপ্তম ব্যতিক্রম : অন্য কোন ব্যক্তির উপর আইনসম্মত ক্ষমতবিশিষ্ট ব্যক্তি দ্বারা সরল বিশ্বাসে নিন্দা : যদি কোন ব্যক্তির, অন্য কোন ব্যক্তির উপর আইন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বা সে অন্য ব্যক্তির সাথে সম্পাদিত চুক্তি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ক্ষমতা বা কর্তৃত্ব থাকে এবং সে ব্যক্তি যে সব বিষয় অনুরূপ আইনসম্মত ক্ষমতা বা কর্তৃত্ব সংশ্লিষ্ট সে সব বিষয়ে সরল বিশ্বাসে সে অন্য ব্যক্তিকে তিরস্কার করে, তবে উহা মানহানি বলে পরিগণিত হবে না।

উদাহরণ : যদি কোন বিচারক সরল বিশ্বাসে কোন সাক্ষীর বা আদালতের কোন অফিসারের আচরণের নিন্দা করেন; যদি কোন দফতরের প্রধান অফিসার সরল বিশ্বাসে তার অধীনস্থ ব্যক্তিদের তিরস্কার করেন; যদি কোন পিতা বা মাতা সরল বিশ্বাসে অপর সন্তানদের উপস্থিতিতে কোন সন্তানকে তিরস্কার করেন; যদি কোন স্কুল মাস্টার কোন ছাত্রের পিতা বা মাতার নিকট থেকে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে সে ছাত্রকে অন্যান্য ছাত্রের উপস্থিতিতে সরল বিশ্বাসে তিরস্কার করেন, যদি কোন ব্যাংকার তার ব্যাংকের ক্যাশিয়ারকে ক্যাশিয়ার হিসেবে সরল বিশ্বাসে তিরস্কার করেন, তবে তিনি এই ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত হবেন।

অষ্টম ব্যতিক্রম : ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তির সরল বিশ্বাসে অভিযোগ উত্থাপন : কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়বস্তু সম্পর্কে উক্ত ব্যক্তির উপর যে সকল ব্যক্তির আইনানুগ ক্ষমতা আছে, তাদের কারো কাছে সরল বিশ্বাসে কোন অভিযোগ উত্থাপন করা মানহানি বলে পরিগণিত হবে না।

উদাহরণ :
যদি ক কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের কাছে সরল বিশ্বাসে চ-এর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ উত্থাপন করে; যদি ক সরল বিশ্বাসে জনৈক ভৃত্য চ-এর আচরণের বিরুদ্ধে চ-এর প্রভুর কাছে কোন অভিযোগ উত্থাপন করে; যদি ক সরল বিশ্বাসে জনৈক শিশু চ-এর আচরণের বিরুদ্ধে চ-এর পিতার কাছে অভিযোগ উত্থাপন করে; তবে ক এই ব্যতিক্রমের আওতার মধ্যে থাকবে।

নবম ব্যতিক্রম : কোন ব্যক্তি দ্বারা নিজের বা অন্যের স্বার্থ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে সরল বিশ্বাসে কোন দোষ আরোপ করা : যদি কোন ব্যক্তির চরিত্র সম্পর্কে কোন দোষ আরোপ করা হয় এবং তা যদি আরোপকারী সরল বিশ্বাসে নিজের বা অপর কারো স্বার্থ-সংরক্ষণের বা জনকল্যাণের স্বার্থ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে করে, তবে তা মানহানি বলে পরিগণিত হবে না।

উদাহরণসমূহ :
(ক) জনৈক দোকানদার ক তার ব্যবসায়ের পরিচালক খ-কে বলে চ-এর কাছে নগদ মূল্য ব্যতীত কিছু বিক্রয় করবে না, কারণ চ-এর সততার উপর আমার কোন আস্থা নাই। ক যদি তার নিজের স্বার্থ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে সরল বিশ্বাসে চ-এর চরিত্র সম্পর্কে এই অভিমত ব্যক্ত করে থাকে, তবে ক এই ব্যতিক্রমের আওতার মধ্যে আছে।

(খ) জনৈক ম্যাজিষ্ট্রেট ক তার উর্ধ্বতন অফিসারের কাছে একটি রিপোর্ট দাখিল প্রসঙ্গে চ-এর চরিত্র সম্পর্কে একটি বিরূপ মন্তব্য করেন। এই ক্ষেত্রে, যদি বিরূপ মন্তব্যটি সরল বিশ্বাসে এবং জনকল্যাণের স্বার্থে করা হয়ে থাকে তবে ক এই ব্যতিক্রমের আওতার মধ্যে আছে।

দশম ব্যতিক্রম : কোন ব্যক্তিকে তার হিতকল্পে অথবা জনহিতকল্পে সতর্কতা দান : কোন ব্যক্তিকে সরল বিশ্বাসের অন্য কোন সম্মুখে সতর্ক করে দেওয়া মানহানি বলে পরিগণিত হবে না, যদি অনুরূপ সতর্কতা সতর্ককৃত ব্যক্তি বা যে ব্যক্তিকে উক্ত ব্যক্তির স্বার্থ নিহিত আছে তার বা গণ-কল্যাণার্থে দান করা হয়ে থাকে।

“ধারা ৫০০ : মানহানির সাজা : কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির মানহানি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ৫০১ : মানহানিকর বলে বিদিত বস্তু মুদ্রণ বা খোদাইকরণ : কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন বস্তু মুদ্রণ করে বা খোদাই করে যে বস্তু অন্য কোন ব্যক্তির মানহানিকর বলে সে জানে বা তার বিশ্বাস করার সঙ্গত কারণ রয়েছে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ৫০২ : মানহানিকর বিষয় সম্বলিত মুদ্রিত বা খোদাই করা বস্তু বিক্রয় করা : যদি কোন ব্যক্তি মুদ্রিত বা খোদাই করা এমন মানহানিকর বিষয় সম্বলিত কোন দ্রব্য বিক্রয় করে বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে যে মালিকের বস্তুটি সে দ্রব্যে রয়েছে বলে সে জানে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।


এই অংশের এমসিকিউগুলো পরের অধ্যায়ের লেকচারে যুক্তভাবে আছে। সেখান থেকে অনুশীলন করে নেবেন।



বিগত এমসিকিউ সাফল্য

Registered [2017 & 2020 MCQ]

Passed Students [2017 & 2020 MCQ]

Registered [MCQ Exam of 2021]