ঘরে বসেই লাইভ ভিডিওতে
প্রতি মাসে মাত্র ৮০০/- টাকায়

MCQ পরীক্ষার প্রস্তুতি!

ভর্তি হতে কল করুন : 01712-908561

Penal Code Lecture 20 [Sec. 503-511]

এখানে দণ্ডবিধির শেষতম অধ্যায় এর আলোচনা আছে যেখানে ৫০৩ থেকে ৫১১ ধারা পর্যন্ত আলোচনা করা আছে।

Penal Code : Lecture 20

Of Criminal Intimidation, Insult and Annoyance : অনিষ্টকর কার্য, অপমান ও বিরক্তি উৎপাদন প্রসঙ্গে

ম্যাপিং : আমরা এই লেকচারে দণ্ডবিধির সবশেষ ২২ ও ২৩ নং অধ্যায় দুইটি দেখবো। ৫০৩ থেকে ৫১১ ধারা পর্যন্ত এর বিস্তৃতি। অর্থাৎ দণ্ডবিধিতে মোট ৫১১ টি ধারা আছে, এটা মনে রাখুন। ২২ নং অধ্যায়ের শিরোনাম অনিষ্টকর কার্য, অপমান ও বিরক্তি উৎপাদন প্রসঙ্গে বা Of Criminal Intimidation, Insult and Annoyance। অন্যদিকে শুধুমাত্র ৫১১ নং ধারা নিয়ে ২৩ নং অধ্যায় গঠিত যার শিরোনাম অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগ প্রসঙ্গে বা Of Attempts to Commit Offence। ২২ নং অধ্যায় থেকে একবার প্রশ্ন এসেছিলো। আমাদের ভাষ্যে এইবার এই অধ্যায় দুইটি থেকে ২ টি প্রশ্ন এসেই যাবে। দেখা যাক।

মূল আলোচনা :

৫০৩ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করার সংজ্ঞা৫০৬ ধারায় এই অপরাধের শাস্তির কথা বলা আছে। সংজ্ঞার একমাত্র উদাহরণ থেকেই স্পষ্ট হয়ে যাবার কথা। সাধারণভাবে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের কারণে শাস্তি ২ বছরের; কিন্তু মৃত্যু অথবা গুরুতর আঘাতের ভীতি প্রদর্শন করে সেই অপরাধ করলে শাস্তি বেড়ে ৭ বছরের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড। ৫০৭ ধারাটিও অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন সংক্রান্ত ধারা। পড়ে নেবেন। মাঝখানের ধারাগুলো বাদ দিয়ে যেতে পারেন। ৫০৮ থেকে বাকী ধারাগুলো পড়তে হবে।

“ধারা ৫০৩ : অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করা : কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তিকে তার দেহের খ্যাতির বা সম্পত্তির অথবা সে ব্যক্তি যার সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন কোন লোকের দেহের বা খ্যাতির ক্ষতি বা হানি করার ভীতি প্রদর্শন করে এবং সে ব্যক্তির ভয় সরকারের উদ্দেশ্যে অথবা সে ব্যক্তিকে হুমকি হতে বাঁচার জন্য সে আইনত যা করতে বাধ্য নয়, তাকে তা করতে বাধ্য করায়, অথবা সে আইনত যা করার ক্ষমতা সম্পন্ন, তাকে তা করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ ভীতি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করে।

ব্যাখ্যা : ভীতি প্রদর্শিত ব্যক্তির স্বার্থ নিহিত আছে এমন কোন মৃত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শন এই ধারার আওতাধীন হবে।

উদাহরণ : ক খ-কে একটি দেওয়ানী মামলা পরিচালনা করা হতে বিরত করার জন্য খ-এর বাড়ি পুড়ে ফেলার ভীতি প্রদর্শন করে, ক অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে।

“ধারা ৫০৪ : শান্তিভঙ্গের উষ্কানি দানের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা : কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য কোন ব্যক্তিকে অপমান করে এবং তদ্বারা তাকে উস্কানি দান করে এবং অনুরূপ উস্কানির ফলে যাতে সে ব্যক্তি শান্তিভঙ্গ বা অপর কোন অপরাধ করে, তদুদ্দেশ্যে কিংবা অনুরূপ উস্কানির ফলে সে ব্যক্তি শান্তিভঙ্গ করতে পারে বা অপর কোন অপরাধ করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও যদি তা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ৫০৫ : জনসাধারণের অনিষ্ট হতে পারে এমন ধরনের বিবৃতিসমূহ : কোন ব্যক্তি যদি কোন বিবৃতি, গুজব বা রিপোর্ট প্রণয়ন করে, প্রকাশ করে বা বিতরণ করে-

(ক) বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর, নৌবাহিনীর বা বিমানবাহিনীর কোন অফিসার, সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিককে বিদ্রোহ করার বা অপর কোনভাবে তার কর্তব্যে অবহেলা করার জন্য প্রবৃত্ত করার অভিপ্রায়ে বা এইরূপ ঘটতে পারে জানা সত্ত্বেও এইরূপ অভিপ্রায়ে; অথবা

(খ) জনসাধারণের বা জনসাধারণের শ্রেণীবিশেষের মধ্যে এমন আতঙ্ক সৃষ্টি করার অভিপ্রায়ে যার ফলে কেউ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বা শান্তি বিরুদ্ধ কোন অপরাধ অনুষ্ঠানে প্রবৃত্ত হয়; অথবা

(গ) কোন জনসম্প্রদায় বা জনশ্রেণীবিশেষকে উত্তেজিত করে অপর কোন জনসম্প্রদায় বা জনশ্রেণীবিশেষের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ অনুষ্ঠানে প্রবৃত্ত করার অভিপ্রায়ে বা অনুরূপ প্রবৃত্ত হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও এরূপ অভিপ্রায়ে; অথবা

(ঘ) বিভিন্ন ব্যক্তি সমাজ, শ্রেণী বা সম্প্রদায়ের ব্যক্তিদের মধ্যে শক্রতার অনুভূতি, ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি বা বাড়ার অভিপ্রায়ে বা সৃষ্টি বা বাড়াতে পারে উহার অভিপ্রায়ে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ব্যতিক্রম : কোন ব্যক্তি যদি অনুরূপ বিবৃতি, গুজব বা রিপোর্ট প্রণয়ন বা প্রকাশ বা বিতরণকালে অনুরূপ বিবৃতি, গুজব বা রিপোর্ট সত্য বলে তার বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে এবং উপরোক্তরূপ কোন অভিপ্রায় ছাড়া তা প্রণয়ন, প্রকাশ বা বিতরণ করে, তবে তা এই ধারা অনুসারে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

“ধারা ৫০৫ ক : কথা ইত্যাদির কর্তৃক অনিষ্টকর কার্য করা : যদি কোন ব্যক্তি

(ক) কথার দ্বারা, বলে অথবা লিখে কিংবা স্বাক্ষর করে বা দৃশ্যমান বর্ণনা দিয়ে কিংবা অন্যভাবে কোন কিছু করে, অথবা

(খ) কোন বিবৃতি, উড়ো খবর বা প্রতিবেদন তৈরি করে, প্রকাশ করে বা প্রচার করে, যা বাংলাদেশের নিরাপত্তার বা জনশৃঙ্খলার বা বিদেশের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বা জনসাধারণের আবশ্যকীয় সরবরাহ বা সেবা রক্ষায় অনিষ্টকর, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ৫০৬ : অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের সাজা : কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

মৃত্যু অথবা গুরুতর আঘাত ইত্যাদির ভীতি প্রদর্শন করা : এবং যদি হুমকিটি মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত ঘটাবার অথবা অগ্নি সংযোগে কোন সম্পত্তি ধ্বংস করার কিংবা মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের অথবা সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ অনুষ্ঠানের অথবা কোন স্ত্রীলোকের সতীত্ব নষ্ট হয়েছে বলে দুর্নাম আরোপের হুমকি হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

“ধারা ৫০৭ : বেনামী চিঠিপত্রের সাহায্যে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন : কোন ব্যক্তি যদি বেনামী চিঠিপত্রযোগে বা বেনামীভাবে সংযোগ সাধন করে, অথবা যার নিকট থেকে ভীতি প্রদর্শন করা হল, তার নাম বা ঠিকানা গোপন রাখার জন্য সর্তকর্তা অবলম্বন করে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য পূর্ববর্তী সর্বশেষ ধারায় বিহিত সাজার অতিরিক্ত দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

এবার ধারা ৫০৮। আমার স্কুল লাইফে একবার এক বন্ধু ছোট্ট কাগজে দরুদ শরীফ লিখে আমার হাতে দিল। সেখানে নিচে আরো লেখা ছিলো, এটা যদি আপনি নিজ হাতে লিখে অথবা ফটোকপি করে ২০ জনকে বিলি না করেন তবে আপনার বিপদ ঘটবে! তার মানে কেউ একজন আপনাকে আল্লাহর নামে আপনাকে ভয় দেখাচ্ছে যার কোনো শরীয়তি ভিত্তি নাই। সম্ভবত এরকম ঘটনা আপনার জীবনেও আছে! এখনতো ফেসবুকেও এসব দেখা যায়। যাই হোক, সেই অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দিলাম আপনাদের, কেননা ৫০৮ ধারাটি এরকমই কিছু বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত। ধারাটি পড়ুন। শাস্তিটাও সাথে সাথেই বলে দেয়া আছে।

“ধারা ৫০৮ : কোন ব্যক্তিকে বিধাতার রোষভাজন হবে এইরূপ বিশ্বাস করে কোন কাজ সম্পাদন করা : কোন ব্যক্তি যদি কাউকে এইরূপ বিশ্বাস করায় যে, সে যে কাজটি করতে আইনত বাধ্য নয়, সে কাজটি যদি সে না করে কিংবা সে যে কাজ করতে আইনত বাধ্য সে কাজটি করা হতে যদি সে বিরত না হয়, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি স্বীয় কোন কাজ কর্তৃক তাকে বা সে যার সাথে স্বার্থসংশ্লিষ্ট, এমন অপর কাউকে বিধাতার রোষভাজন করবে এবং ইচ্ছাপূর্বক এইরূপ বিশ্বাস সৃষ্টি করে তাকে দিয়ে উদ্দিষ্ট কাজটি করায় বা করা হতে বিরত রাখে অথবা করানোর বা করা হতে বিরত রাখার উদ্যোগ করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণসমূহ :
(ক) ক চ-এর দরজায় ধর্ণা দিয়ে বসে এবং তার এইরূপ বসার উদ্দেশ্য চ বিধাতার রোষে পড়বে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি করা। ক এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।

(খ) ক চ-কে এই বলে ভয় দেখায় যে, চ যদি কোন একটা বিশেষ কার্য না করে, তবে ক তার নিজের সন্তানদের একজনকে এমন অবস্থায় হত্যা করবে যে, তার ফলে চ বিধাতার রোষভাজন হবে। ক এই ধারায় অপরাধ সংঘটন করেছে বলে পরিগণিত হবে।

কোনো নারীর শ্লীলতাহানি বা তাকে উদ্দেশ্য করে অঙ্গভঙ্গি করা বা সোজা বাংলায় ঈভ টিজিং করা হলে তার শাস্তির কথা এই ধারায় বলা হয়েছে। একবার এসেছিলো এখান থেকে প্রশ্ন। পড়ুন।

“ধারা ৫০৯ : কোন নারীর শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে কথা, অঙ্গভঙ্গি বা কোন কার্য করা : কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীর শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে সে নারী যাতে শুনতে পায় এমন কোন কথা বলে বা শব্দ করে অথবা সে নারী যাতে দেখতে পায় এমন ভাবে কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন বস্তু প্রদর্শন করে অথবা অনুরূপ নারীর গোপনীয়তা অনধিকার লঙ্ঘন করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

সবচে কম সময়ের শাস্তি সম্ভবত এই ৫১০ ধারার অপরাধে। অপরাধটি হলো নেশাগ্রস্থ ব্যক্তি দ্বারা অসদাচরণের মাধ্যমে যদি কারো বিরক্তি ঘটে তবে ২৪ ঘণ্টার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড বর্ণনা করা আছে, অথবা ১০ টাকা জরিমানা বা উভয়ই!

“ধারা ৫১০ : নেশাগ্রস্থ ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ : কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।”

অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগ প্রসঙ্গে [Of Attempts to Commit Offence]

ওপরের শিরোনামে দণ্ডবিধির ২৩ অধ্যায়ে মাত্র ৫১১ নং ধারাটি আছে এবং এটাই দণ্ডবিধির সর্বশেষ ধারা। যেকোনো অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগ নেয়াটাই একটা অপরাধ, আগে বিভিন্নভাবে সেটা আমরা জেনে এসেছি। এখানে সেটা আরো স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। সাধারণভাবে অপরাধ সংঘটনের সাজা উক্ত অপরাধের শাস্তির অর্ধেক পর্যন্ত হবে এটাই বলা আছে এই ধারায়।

“ধারা ৫১১ : যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা : কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থদণ্ডের বিধান করা হয়েছে সে অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণসমূহ :
(ক) ক একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।

(খ) ক চ-এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। চ-এর পকেটে কিছুই ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ক এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।

দণ্ডবিধির আলোচনা এখানেই শেষ। আমরা খুব শিঘ্রই আপনাদের জন্য ফিরে দেখা দণ্ডবিধির আলোচনা শিরোনামে একটা প্রবন্ধ নিয়ে হাজির হবো। আশা করি সেটা অনেক উপকারে দেবে। আপনি পেনাল কোড দ্বিতীয়বার পড়ার আগে সেটা একবার পড়ে নেবেন। সবাইকে ধন্যবাদ।



/19
154

2 minutes 24 seconds


Penal Code [499-511]

এখানে দণ্ডবিধির ৪৯৯-৫১১ ধারাসমূহ নিয়ে এমসিকিউ টেস্ট আছে। সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো পড়ে নিয়ে এটি অনুশীলন করুন।

এখানে আপনার নাম ও ফোন নাম্বার লিখুন। ইমেইলটি লেখা বাধ্যতামূলক নয়; তবে, ইমেইল এড্রেস দিলে আপনার ইমেইলে বিস্তারিত ফলাফল চলে যাবে।

1 / 19

‘A’ makes an attempt of pick the pocket of ‘Z’ by thrusting his hand into ‘Z’s pocket. ‘A’ fails in the attempt in consequence of Zs having nothing in his pocke. এটি penal code এর কত ধারার অপরাধ? [জুডি. : ২০১৫]

2 / 19

‘ক’ থানায় অভিযোগ করে যে, তার ভাই ‘খ’ একটি সাদা কাগজে তাদের পিতার সই নকল করেছে। দণ্ডবিধি অনুসারে এটা কোন অপরাধ? [বার : ২০১৫]

3 / 19

দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারার বিষয়বস্তু কী?

4 / 19

অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন এর সাজার উল্লেখ দণ্ডবিধির কোন ধারায় বর্ণিত আছে?

5 / 19

ক একটি বাক্স ভেঙে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙে দেখতে পায় যে, উহাতে কোনো গহনাপত্র নাই। এক্ষেত্রে ক এর অপরাধ কী?

6 / 19

ক চ-এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। চ-এর পকেটে কিছুই ছিলো না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ক এর কৃত অপরাধটির নাম কী?

7 / 19

সাধারণভাবে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনে সাজা সর্বোচ্চ কয় বছর?

8 / 19

সাধারণভাবে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনে সাজা কয় বছর সর্বোচ্চ?

9 / 19

মানহানির সংজ্ঞা কত ধারায় আছে?

10 / 19

মানহানির সংজ্ঞায় কয়টি ব্যতিক্রমের কথা বলা আছে?

11 / 19

কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা হিসেবে নিচের কোন মন্তব্যটি সঠিক?

12 / 19

ক একটি দোকনঘরে ঢুকে বাক্স ভেঙে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙে দেখতে পায় যে, উহাতে কোনো গহনাপত্র নাই। এক্ষেত্রে ক এর শাস্তি হিসেবে আদালত কোন শাস্তিটি দিতে পারে?

13 / 19

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা হিসেবে নিচের কোন মন্তব্যটি সঠিক?

14 / 19

অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন এর সংজ্ঞা ও এর সাজার উল্লেখ দণ্ডবিধিতে যথাক্রমে -

15 / 19

ক একটি প্রেসের মালিক। খ একটি মানহানিকর লিফলেট ক এর প্রেস থেকে ছাপিয়ে বিলি করলে প্রেসের মালিকের শাস্তি নিচের কোনটি?

16 / 19

পেনাল কোডে বর্ণিত অপরাধগুলির মধ্যে সর্বনিম্ন সাজা-

17 / 19

অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন এর সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কত ধারার বিষয়বস্তু?

18 / 19

মানহানি করার শাস্তি নিচের কোনটি?

19 / 19

কোনো ব্যক্তিকে বিধাতার রোষভাজন হবে এইরূপ বিশ্বাস করে কোনো কাজ সম্পাদন করালে কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে? ?

Your score is

0%



বিগত এমসিকিউ সাফল্য

Registered [2017 & 2020 MCQ]

Passed Students [2017 & 2020 MCQ]

Registered [MCQ Exam of 2021]